Showing posts with label নাস্তিকদের অপবাদ. Show all posts
Showing posts with label নাস্তিকদের অপবাদ. Show all posts
নাস্তিকরা প্রায়শই বলে থাকে আল কোরআন যদি আল্লাহর বাণী হয়ে থাকে তাহলে সুরাহ ফাতিহা কার বাণী? আমি সেই সকল নাস্তিক তথা ইসলাম বিদ্ধেশীদের বলব, হে মুত্রমনা!! পুরো কোরআন পড়ে তারপর এ প্রশ্ন করুন। এক/দুই লাইন পড়ে কোরআনের ভুল ধরা আর পাগলের প্রলাপের সাথে কোন প্রাথর্ক নেই। আল্লাহ সুরাহ ফাতিহা তথা এই সাত আয়াতকে এবং সম্পুর্ন কোরআনকে আলাদা আলাদা ভাবেই মেনশন করেছেন। আল্লাহ বলেন,
وَلَقَدْ آتَيْنَاكَ سَبْعًا مِنَ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنَ الْعَظِيمَ
(Muhiuddin Khan)
আমি আপনাকে সাতটি বার বার পঠিতব্য আয়াত এবং মহান কোরআন দিয়েছি।
-Sura Al-Hijr, Ayah ৮৭
উপরোক্ত আয়াতই প্রমান করে সুরাহ ফাতিহাকে আল্লাহ তায়ালা ভিন্ন ভাবেই উপস্থাপন করেছেন। বিভিন্ন হাদিস ঘেটেও এটাই প্রতিয়মান হয় যে, মুহাম্মদ সা: বলেছেন এই সাত আয়াত বা সুরাহ ফাতিহার মত সুরাহ আর কোন নবী বা রাসুলকে দেওয়া হয় নাই।
এটি হচ্ছে আল্লাহর তরফ থেকে মুহাম্মদ সা: এর প্রতি একটি বিশেষ উপহার স্বরূপ।(তাফসীর ইবনে কাসির)
সুরাহ ফাতিহা থেকে আরো কিছু প্রতিয়মান হয় যে, এই সুরাহটি হচ্ছে একটি application form এর মত। আমরা যখন কোন অফিসে চাকরীর জন্য আবেদন করি তখন অফিস কতৃপক্ষ কিন্তুএকটি application form দেয় যা আমরা শধুমাত্র পুরন বা fill up করে দেইমাত্র। সেই রকম application form ই হচ্ছে সুরাহ ফাতিহা। আর কিভাবে আল্লাহর কাছে আমরা আবেদন করব সেই ফর্মুলা আমাদের সুরাহ ফাতিহার মাধ্যমে বাতলে দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।
সেই জন্য আল্লাহ তায়ালা সুরাহ ফাতিহাকে আলাদা ভাবেই উপস্থাপন করেছেন। যাতে আল্লাহর নিকট আমাদের চাওয়া এক ও অভিন্ন হয়।
কোরআনের সুরাহ বাকারা থেকে নাস পর্যন্ত কোথাও এরকম ভাবে বলা নাই যেভাবে সুরাহ ফাতিহার মধ্যে বলা আছে। পাশাপাশি সুরাহ ফাতিহা ও কোরআনের অন্য যে কোন সুরাহ এর আয়াত রাখলেই সহজেই সেটা বোধগম্য হবে ইনশাল্লাহ।যেমন,
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
(Muhiuddin Khan)
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
-Sura Al-Fatihah, Ayah ১
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
(Muhiuddin Khan)
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
-Sura Al-Fatihah, Ayah ২
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
(Muhiuddin Khan)
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
-Sura Al-Fatihah, Ayah ৩
******************************
(Muhiuddin Khan)
বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,
-Sura Al-Ikhlas, Ayah ১
উপরোক্ত আয়াতগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, সুরাহ ফাতিহাতে *বল* শব্দটি ব্যবহার করা হয় নি কিন্তু সুরাহ ইখলাসের শুরুতেই *বল* শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। তার মানে দাড়াচ্ছে, সুরাহ ফাতিহা হচ্ছে আমাদের ভাষ্য কিন্তু আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে শিখিয়ে দিয়েছেন আর বাকি সুরাহগুলো স্বয়ং আল্লাহ তায়ালার বাণী। এ থেকে আরো প্রতিয়মান হয় যে, সুরাহ ফাতিহা আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এই জন্যই দিয়েছেন যাতে আমরা সহজেই আল্লাহর কাছে চাইতে পারি। আর এই চাওয়াটাই একটি application form এর মত করে আমাদেরকে শিখিয়ে দিয়েছেন।
কাজেই নাস্তিকদের এই প্রশ্ন অমুলক যে, সুরাহ ফাতিহার মাধ্যমে আল্লাহই আবার অন্য কারো নিকট চাইছে বা আবেদন করছে।(নাউজু বিল্লাহ)
সুতরাং নাস্তিকদের এই দাবী ভিত্তিহীন বৈ আর কিছুই না।


উত্তর দিয়েছেন
সোহেল রানা
নাস্তিকদের জবাব

সূরা ফাতিহা প্রমাণ করে কোরআন মানব রচিত।এর কোন আয়াত আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশ্লেষণ করে বুঝিয়ে দিন?

Posted by Adam Simon  |  No comments

নাস্তিকরা প্রায়শই বলে থাকে আল কোরআন যদি আল্লাহর বাণী হয়ে থাকে তাহলে সুরাহ ফাতিহা কার বাণী? আমি সেই সকল নাস্তিক তথা ইসলাম বিদ্ধেশীদের বলব, হে মুত্রমনা!! পুরো কোরআন পড়ে তারপর এ প্রশ্ন করুন। এক/দুই লাইন পড়ে কোরআনের ভুল ধরা আর পাগলের প্রলাপের সাথে কোন প্রাথর্ক নেই। আল্লাহ সুরাহ ফাতিহা তথা এই সাত আয়াতকে এবং সম্পুর্ন কোরআনকে আলাদা আলাদা ভাবেই মেনশন করেছেন। আল্লাহ বলেন,
وَلَقَدْ آتَيْنَاكَ سَبْعًا مِنَ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنَ الْعَظِيمَ
(Muhiuddin Khan)
আমি আপনাকে সাতটি বার বার পঠিতব্য আয়াত এবং মহান কোরআন দিয়েছি।
-Sura Al-Hijr, Ayah ৮৭
উপরোক্ত আয়াতই প্রমান করে সুরাহ ফাতিহাকে আল্লাহ তায়ালা ভিন্ন ভাবেই উপস্থাপন করেছেন। বিভিন্ন হাদিস ঘেটেও এটাই প্রতিয়মান হয় যে, মুহাম্মদ সা: বলেছেন এই সাত আয়াত বা সুরাহ ফাতিহার মত সুরাহ আর কোন নবী বা রাসুলকে দেওয়া হয় নাই।
এটি হচ্ছে আল্লাহর তরফ থেকে মুহাম্মদ সা: এর প্রতি একটি বিশেষ উপহার স্বরূপ।(তাফসীর ইবনে কাসির)
সুরাহ ফাতিহা থেকে আরো কিছু প্রতিয়মান হয় যে, এই সুরাহটি হচ্ছে একটি application form এর মত। আমরা যখন কোন অফিসে চাকরীর জন্য আবেদন করি তখন অফিস কতৃপক্ষ কিন্তুএকটি application form দেয় যা আমরা শধুমাত্র পুরন বা fill up করে দেইমাত্র। সেই রকম application form ই হচ্ছে সুরাহ ফাতিহা। আর কিভাবে আল্লাহর কাছে আমরা আবেদন করব সেই ফর্মুলা আমাদের সুরাহ ফাতিহার মাধ্যমে বাতলে দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।
সেই জন্য আল্লাহ তায়ালা সুরাহ ফাতিহাকে আলাদা ভাবেই উপস্থাপন করেছেন। যাতে আল্লাহর নিকট আমাদের চাওয়া এক ও অভিন্ন হয়।
কোরআনের সুরাহ বাকারা থেকে নাস পর্যন্ত কোথাও এরকম ভাবে বলা নাই যেভাবে সুরাহ ফাতিহার মধ্যে বলা আছে। পাশাপাশি সুরাহ ফাতিহা ও কোরআনের অন্য যে কোন সুরাহ এর আয়াত রাখলেই সহজেই সেটা বোধগম্য হবে ইনশাল্লাহ।যেমন,
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
(Muhiuddin Khan)
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
-Sura Al-Fatihah, Ayah ১
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
(Muhiuddin Khan)
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
-Sura Al-Fatihah, Ayah ২
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
(Muhiuddin Khan)
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
-Sura Al-Fatihah, Ayah ৩
******************************
(Muhiuddin Khan)
বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,
-Sura Al-Ikhlas, Ayah ১
উপরোক্ত আয়াতগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, সুরাহ ফাতিহাতে *বল* শব্দটি ব্যবহার করা হয় নি কিন্তু সুরাহ ইখলাসের শুরুতেই *বল* শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। তার মানে দাড়াচ্ছে, সুরাহ ফাতিহা হচ্ছে আমাদের ভাষ্য কিন্তু আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে শিখিয়ে দিয়েছেন আর বাকি সুরাহগুলো স্বয়ং আল্লাহ তায়ালার বাণী। এ থেকে আরো প্রতিয়মান হয় যে, সুরাহ ফাতিহা আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এই জন্যই দিয়েছেন যাতে আমরা সহজেই আল্লাহর কাছে চাইতে পারি। আর এই চাওয়াটাই একটি application form এর মত করে আমাদেরকে শিখিয়ে দিয়েছেন।
কাজেই নাস্তিকদের এই প্রশ্ন অমুলক যে, সুরাহ ফাতিহার মাধ্যমে আল্লাহই আবার অন্য কারো নিকট চাইছে বা আবেদন করছে।(নাউজু বিল্লাহ)
সুতরাং নাস্তিকদের এই দাবী ভিত্তিহীন বৈ আর কিছুই না।


উত্তর দিয়েছেন
সোহেল রানা

16:00 Share:
কিবলা নিয়ে নাস্তিকদের বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচারের জবাবঃ
কিবলা নিয়ে যাবতীয় বিভ্রান্তির অবসান:
কিবলা আসলে কোন দিকে হবে- এটা বের করার বেশ কিছু পদ্ধতি আছে। আমি সেদিকে যাবো না। শুধু main concept-টা জেনে রাখুন- যে দিক দিয়ে কা’বা সবচেয়ে কাছে সেটাই আপনার কিবলা। পৃথিবী গোলাকার বিধায় (পুরোপুরি গোল না), কোন একটা নির্দিষ্ট পয়েন্ট থেকে বিভিন্ন উপায়ে আপনি কা’বায় যেতে পারবেন। কিন্তু এদের মধ্যে সর্বনিম্ন দূরত্ব যে দিকে সেটাই হবে আপনার কাঙ্খিত কিবলা। কয়েকটা complicated উদাহরণ দেখা যাক।
কাবাকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর মানচিত্র এটি আর গোলাকার হবার কারণে উত্তর আমেরিকার অবস্থান কাবার সাপেক্ষে বাস্তবে কিভাবে সেটা দেখুন। এখন কিন্তু কিবলা আর দক্ষিণ-পূর্ব দিকে নেই। কিবলা এখন উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে হয়ে গেছে। মনে হয় যে কিবলা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে কিন্তু বাস্তবে সেটা উলটে যায়, হয়ে যায় উত্তর পূর্ব দিকে। ভৌগলিক দিকগুলো দেখিয়ে দেয়া হয়েছে এখানে তাই সমস্যা হবার কথা না। আলাস্কা থেকে কাবা বরাবর সরলরেখা টানুন সেটা আপনাকে ভৌগলিক উত্তর দেখাবে তার মানে আলাস্কার কিবলা উত্তর দিকে। আবার কানাডা আর আমেরিকার উত্তর দিকে উত্তর-পূর্ব বরাবর হয়। এই ম্যাপ দিয়েও আসলে ১০০% পরিস্কার ধারনা পাওয়া সম্ভব না কারন এটা তিন মাত্রার ব্যাপার আর ২ মাত্রায় তাকে দেখানো পুরোপুরি সম্ভব না।
তারপরও প্রশ্ন থেকে যায়। পৃথিবী যদি গোলাকার হয় তাহলে তো পূর্ব দিক দিয়েও যেখানে যাওয়া যাবে, পশ্চিম দিক দিয়েও সেখানে যাওয়া যাবে। যেমন USA থেকে পশ্চিম দিকে এশিয়া হয়ে ইউরোপ যাওয়া যাবে আবার পূর্ব দিকে সরাসরি ইউরোপ হয়েও যাওয়া যাবে। অর্থাৎ এসব ক্ষেত্রে আমি পূর্ব বা পশ্চিম যেদিকেই মুখ ফিরাই না কেন কিবলার দিকেই থাকবে। কিন্তু মুখ ফেরানো থাকলেই হবে না। USA থেকে ইউরোপ যাত্রার ক্ষেত্রে পূর্ব দিকেই যাওয়া হয় কারন সেদিকে গেলে কম দূরত্ব যেতে হবে। কিবলার ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার। ঐ যে একটু আগে বললাম যেদিকে মুখ ফেরালে কা’বা ও আপনার বর্তমান দূরত্ব থাকে সবচেয়ে কম সেদিকেই মুখ ফেরাতে হবে।
যদি মেরুতে থাকি তাহলে কোন দিকে মুখ ফেরাতে হবে? উত্তর মেরুতে গেলে সব দিকেই দক্ষিণ আবার দক্ষিণ মেরুতে গেলে সবদিকেই উত্তর। এবার আরেকবার দ্বিতীয় ম্যাপটি দেখুন। সেখান থেকে কি বোঝা যায় না কোন দিকে মুখ ফেরাতে হবে? উত্তর মেরুবিন্দুতে যখন থাকবেন তখন কোন দিকের খোঁজ করা বোকামি। আপনাকে দেখতে হবে কোন দিক থেকে কা’বা সবচেয়ে কাছে, সেটাই আপনার কিবলা। সব দিকে দিয়েই আপনি যেতে পারবেন কা’বায় কিন্তু দিকের সাথে সর্বনিম্ন দূরত্বের ব্যাপারটাও বলেছি। মেরুতে সাধারন কম্পাস কাজ করবে না। সেখানে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে Gyro compass (চুম্বকবিহীন একধরনের কম্পাস)[১১] এবং তারার অবস্থান হিসাব করে কিবলা ঠিক করতে হবে। একই নিয়ম দক্ষিণ মেরুর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
আরেকটা ব্যাপার। অনেকেই গাড়ি, বাস বা ট্রেনে নামাজ পড়েন। তারা কি করবেন? রাস্তা তো আঁকাবাঁকা। এ ক্ষেত্রে নামাজ শুরুর সময়কার কিবলা ঠিক রাখলেই হবে। নামাজরত অবস্থায় কিবলা পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে রাস্তার কারণে সেটা নিয়ে চিন্তা করার দরকার নাই। আর আজকাল অনেক অ্যাপ্লিকেশান/ সফটওয়্যার আছে যা দিয়ে সহজেই কিবলার দিক বের করা যায়। তবে যদি একেবারেই সম্ভব না হয়, তাহলে সুবিধামত যে কোন দিকে ফিরে পড়লেই সালাত আদায় হয়ে যাবে।[১৪]
এবার আসি wikiislam-এর বিখ্যাত সেই বিভ্রান্তিকর ছবি প্রসঙ্গে। নিচের ছবিটাই হল সেই বিভ্রান্তিকর ছবি-
কেস ১: তাদের দাবি- যেহেতু পৃথিবী গোলাকার তাই একেবারে কা’বার কাছাকাছি ছাড়া যে কোন পয়েন্ট থেকে কিবলার দিকে মুখ করার অর্থ আকাশের দিকে মুখ করা! নাস্তিক ভাইদের কাছে তাহলে একটা প্রশ্ন করি। আমাদের দেশ থেকে আমেরিকা আসলে কোন দিকে? আপনি যদি বলেন পশ্চিম দিকে, তাহলে কিন্তু ভুল বলছেন। কারণ আপনি সামনের দিকে আঙ্গুল তুললে সেটা তো হবে আকাশের দিকে, কারণ পৃথিবী তো গোলাকার!! আশা করি উত্তর পেয়ে গেছেন। আমরা যে কোন direction-ই চিন্তা করি পৃথিবীর surface বরাবর, আসমান বরাবর নয়।
কেস ২: এখানে তারা দাবি করে কা’বার একদম opposite-এ কিবলা হবে মাটির ভেতর থেকে নিচে। তাদের এই দাবির সাথে আরেকটু যোগ করি। শুধু একদম বিপরীত পাশে না, আরও অনেক জায়গা থেকেই কিবলা মাটির দিক থেকে নিচে। 'প্রকৃতপক্ষে' কা’বামুখী হতে হলে বাংলাদেশের মানুষদের আকাশের দিকে পা তুলে মাটির দিকে মুখ করতে হবে। এটা একটা উদ্ভট ও অসম্ভব ব্যাপার। আল্লাহ্‌ কারও সাধ্যের অতিরিক্ত কিছু চাপান না এবং মানুষকে অদ্ভুতভাবে কষ্ট দেওয়াও আল্লাহর মর্জি না। বরং আল্লাহ্‌ মানুষের অন্তর দেখেন এবং তার সাধ্যের ভিতরে কাজ দেন। এ কারণে কা’বামুখী হবার জন্য নিকটতম রৈখিক দিকে (যেমন- বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমে) মুখ করতে হয়। বোধসম্পন্নরা এখানে আল্লাহর অনুগ্রহ খুঁজে পায় এবং বক্রহৃদয়ের লোকেরা এখান থেকে আল্লাহ্‌ কিংবা রাসূল (সা)-এর ভুল খুঁজে পায়।
কেস ৩: এই ছবিতে তাদের দাবি যেহেতু পৃথিবী গোলাকার, সেহেতু কা’বার দিকে মুখ ফেরার অর্থ হল একদিক থেকে কা’বাকে পশ্চাৎদেশ দেখানো! একই কথা কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কেউ যদি আপনার পেছন দিকে থাকে, তার অর্থ সে ঘুরে এসে আসলে আপনাকে পশ্চাৎদেশ দেখাচ্ছে! কি অদ্ভুত যুক্তি! এবার তাদের যুক্তি খণ্ডন করি। কা’বা ঘরের সাথে যদি আপনার সামনাসামনি কোন যোগাযোগ না থাকে বা সামনে কোন পর্দা বা অন্তরায় থাকে তাহলে আপনি কা’বার দিকে ফিরে যে কোন কিছুই করতে পারবেন। দেখুন IslamQA-র ফতওয়া।[১২]
কেস ৪: সর্বশেষ চিত্রটা হল কা’বার antipode নিয়ে (কোন কিছুর একদম opposite-কে antipode বলে)। এখানে নাকি সবদিক সমান, তাই কা’বামুখী হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোন দিক নাই। এইখানে এসে আমরা যে ব্যাপারটা ভুলে যাই তা হল The antipode also has an antipode. কা’বা ঘরের ভেতর যে কোন দিকে মুখ করেই সালাত আদায় করা যায়। আর সেই কা’বার antipode-এ যে কোন দিকে মুখ করে নামায আদায় করতে দোষ কি? দাঁড়ান, এখনও কথা শেষ হয় নি। প্রকৃতপক্ষে কা’বার antipode-এ কোন land area নেই। নিচের চিত্রটা দেখুন-
এটা অবস্থিত প্রশান্ত মহাসাগরে, পলিনেশিয়া এরিয়ার ভেতর। কেউ যদি প্লেনে বা জাহাজেও থাকে, তাহলে তো চোখের নিমেষেই পার হয়ে যাবে। আর এই পয়েন্ট ছেড়ে গেলেই তো আবার সর্বনিম্ন দূরত্বের সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। তারপরেও যদি কেউ কোনভাবে exact এখানে অবস্থান করতে পারে, তাহলেও তার জন্য অসংখ্য direction থাকে না, কারণ পৃথিবী পুরোপুরি গোলাকার না। আর এজন্য সর্বনিম্ন দূরত্ব হিসাব করলে তার কাছে দুইটা direction থাকে, উত্তর-পশ্চিম এবং উত্তর-পূর্ব। আর এই antipode থেকে নিকটতম land area হল Tematagi.[১৩] আর এই নিকটতম স্থলভাগ যেহেতু উত্তর-পশ্চিম direction অনুসরণ করে, তাই সবথেকে ভাল হয় উত্তর-পশ্চিম দিকে ফিরে সালাত আদায় করা। আর যদি কোনভাবেই কিবলা চিহ্নিত করা না যায় (যে কোন ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য), তাহলেও কোন সমস্যা নাই। তখন যে কোন দিকে ফিরে নামায পড়লেই হবে। এই ব্যাপারে IslamQA-র ফতওয়া আছে।[১৪]
এবার সর্বশেষ যে প্রশ্নটি আপনারা করতে পারেন সেটার উত্তরও দিবো ইনশাল্লাহ্‌। ISS (International Space Station)-এ অবস্থানকারী কোন মহাকাশচারী যদি নামাজ পড়তে চান তাহলে তিনি কিভাবে পড়বেন- এটাই তো? এই ব্যাপারে সিদ্ধান্তের জন্য ২০০৬ সালে মালয়শিয়ান ন্যাশনাল স্পেস এজেন্সি একটি কনফারেন্সের আয়োজন করে বিজ্ঞানী ও ধর্মীয় স্কলারদের নিয়ে।[১৫] এই কনফেরেন্সে সিদ্ধান্ত হয় মহাকাশচারী তার ক্ষমতা অনুযায়ী কিবলা নির্ধারণ করবে। সেটা চারটা স্টেপে প্রাধান্য পাবে। ১. কাবার দিকে মুখ করে ২. কাবার প্রজেকশনের দিকে মুখ করে ৩. পৃথিবীর দিকে মুখ করে ৪. সুবিধামত যে কোন দিকে মুখ করে। কিন্তু তবুও একটা সমস্যা থেকে যায়, ধরা যাক পৃথিবীর দিকে মুখ করেই নামাজ শুরু করল। কিন্তু ঘূর্ণনের কারনে নামাজের মধ্যেই মুখ অন্য দিকে হয়ে যেতে পারে, তখন? গাড়ি বা ট্রেনে চলার সময়ের মত এখানেও শুরুতে কিবলা ঠিক করে নিলেই হবে, পরে পরিবর্তন হলেও কোন সমস্যা নেই।
আশা করি কিবলা নিয়ে আপনাদের বিভ্রান্তি দূর হয়েছে। আল্লাহ্‌ আমাদের সঠিক পথে থাকার এবং গভীরভাবে চিন্তা করার তাওফিক দান করুক।


নাস্তিকদের জবাব

কিবলার দিকে মুখ করে নামাজ পড়া কখনোই সম্ভবনা। পৃথিবী গোলাকার তাই শুধুমাত্র কাবার কাছের লোকেরাই কিবলার দিকে মুখ করে নামাজ পড়তে পারবে। বাকীরা কোনভাবেই এটা পারবেনা!

Posted by Adam Simon  |  No comments

কিবলা নিয়ে নাস্তিকদের বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচারের জবাবঃ
কিবলা নিয়ে যাবতীয় বিভ্রান্তির অবসান:
কিবলা আসলে কোন দিকে হবে- এটা বের করার বেশ কিছু পদ্ধতি আছে। আমি সেদিকে যাবো না। শুধু main concept-টা জেনে রাখুন- যে দিক দিয়ে কা’বা সবচেয়ে কাছে সেটাই আপনার কিবলা। পৃথিবী গোলাকার বিধায় (পুরোপুরি গোল না), কোন একটা নির্দিষ্ট পয়েন্ট থেকে বিভিন্ন উপায়ে আপনি কা’বায় যেতে পারবেন। কিন্তু এদের মধ্যে সর্বনিম্ন দূরত্ব যে দিকে সেটাই হবে আপনার কাঙ্খিত কিবলা। কয়েকটা complicated উদাহরণ দেখা যাক।
কাবাকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর মানচিত্র এটি আর গোলাকার হবার কারণে উত্তর আমেরিকার অবস্থান কাবার সাপেক্ষে বাস্তবে কিভাবে সেটা দেখুন। এখন কিন্তু কিবলা আর দক্ষিণ-পূর্ব দিকে নেই। কিবলা এখন উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে হয়ে গেছে। মনে হয় যে কিবলা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে কিন্তু বাস্তবে সেটা উলটে যায়, হয়ে যায় উত্তর পূর্ব দিকে। ভৌগলিক দিকগুলো দেখিয়ে দেয়া হয়েছে এখানে তাই সমস্যা হবার কথা না। আলাস্কা থেকে কাবা বরাবর সরলরেখা টানুন সেটা আপনাকে ভৌগলিক উত্তর দেখাবে তার মানে আলাস্কার কিবলা উত্তর দিকে। আবার কানাডা আর আমেরিকার উত্তর দিকে উত্তর-পূর্ব বরাবর হয়। এই ম্যাপ দিয়েও আসলে ১০০% পরিস্কার ধারনা পাওয়া সম্ভব না কারন এটা তিন মাত্রার ব্যাপার আর ২ মাত্রায় তাকে দেখানো পুরোপুরি সম্ভব না।
তারপরও প্রশ্ন থেকে যায়। পৃথিবী যদি গোলাকার হয় তাহলে তো পূর্ব দিক দিয়েও যেখানে যাওয়া যাবে, পশ্চিম দিক দিয়েও সেখানে যাওয়া যাবে। যেমন USA থেকে পশ্চিম দিকে এশিয়া হয়ে ইউরোপ যাওয়া যাবে আবার পূর্ব দিকে সরাসরি ইউরোপ হয়েও যাওয়া যাবে। অর্থাৎ এসব ক্ষেত্রে আমি পূর্ব বা পশ্চিম যেদিকেই মুখ ফিরাই না কেন কিবলার দিকেই থাকবে। কিন্তু মুখ ফেরানো থাকলেই হবে না। USA থেকে ইউরোপ যাত্রার ক্ষেত্রে পূর্ব দিকেই যাওয়া হয় কারন সেদিকে গেলে কম দূরত্ব যেতে হবে। কিবলার ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার। ঐ যে একটু আগে বললাম যেদিকে মুখ ফেরালে কা’বা ও আপনার বর্তমান দূরত্ব থাকে সবচেয়ে কম সেদিকেই মুখ ফেরাতে হবে।
যদি মেরুতে থাকি তাহলে কোন দিকে মুখ ফেরাতে হবে? উত্তর মেরুতে গেলে সব দিকেই দক্ষিণ আবার দক্ষিণ মেরুতে গেলে সবদিকেই উত্তর। এবার আরেকবার দ্বিতীয় ম্যাপটি দেখুন। সেখান থেকে কি বোঝা যায় না কোন দিকে মুখ ফেরাতে হবে? উত্তর মেরুবিন্দুতে যখন থাকবেন তখন কোন দিকের খোঁজ করা বোকামি। আপনাকে দেখতে হবে কোন দিক থেকে কা’বা সবচেয়ে কাছে, সেটাই আপনার কিবলা। সব দিকে দিয়েই আপনি যেতে পারবেন কা’বায় কিন্তু দিকের সাথে সর্বনিম্ন দূরত্বের ব্যাপারটাও বলেছি। মেরুতে সাধারন কম্পাস কাজ করবে না। সেখানে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে Gyro compass (চুম্বকবিহীন একধরনের কম্পাস)[১১] এবং তারার অবস্থান হিসাব করে কিবলা ঠিক করতে হবে। একই নিয়ম দক্ষিণ মেরুর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
আরেকটা ব্যাপার। অনেকেই গাড়ি, বাস বা ট্রেনে নামাজ পড়েন। তারা কি করবেন? রাস্তা তো আঁকাবাঁকা। এ ক্ষেত্রে নামাজ শুরুর সময়কার কিবলা ঠিক রাখলেই হবে। নামাজরত অবস্থায় কিবলা পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে রাস্তার কারণে সেটা নিয়ে চিন্তা করার দরকার নাই। আর আজকাল অনেক অ্যাপ্লিকেশান/ সফটওয়্যার আছে যা দিয়ে সহজেই কিবলার দিক বের করা যায়। তবে যদি একেবারেই সম্ভব না হয়, তাহলে সুবিধামত যে কোন দিকে ফিরে পড়লেই সালাত আদায় হয়ে যাবে।[১৪]
এবার আসি wikiislam-এর বিখ্যাত সেই বিভ্রান্তিকর ছবি প্রসঙ্গে। নিচের ছবিটাই হল সেই বিভ্রান্তিকর ছবি-
কেস ১: তাদের দাবি- যেহেতু পৃথিবী গোলাকার তাই একেবারে কা’বার কাছাকাছি ছাড়া যে কোন পয়েন্ট থেকে কিবলার দিকে মুখ করার অর্থ আকাশের দিকে মুখ করা! নাস্তিক ভাইদের কাছে তাহলে একটা প্রশ্ন করি। আমাদের দেশ থেকে আমেরিকা আসলে কোন দিকে? আপনি যদি বলেন পশ্চিম দিকে, তাহলে কিন্তু ভুল বলছেন। কারণ আপনি সামনের দিকে আঙ্গুল তুললে সেটা তো হবে আকাশের দিকে, কারণ পৃথিবী তো গোলাকার!! আশা করি উত্তর পেয়ে গেছেন। আমরা যে কোন direction-ই চিন্তা করি পৃথিবীর surface বরাবর, আসমান বরাবর নয়।
কেস ২: এখানে তারা দাবি করে কা’বার একদম opposite-এ কিবলা হবে মাটির ভেতর থেকে নিচে। তাদের এই দাবির সাথে আরেকটু যোগ করি। শুধু একদম বিপরীত পাশে না, আরও অনেক জায়গা থেকেই কিবলা মাটির দিক থেকে নিচে। 'প্রকৃতপক্ষে' কা’বামুখী হতে হলে বাংলাদেশের মানুষদের আকাশের দিকে পা তুলে মাটির দিকে মুখ করতে হবে। এটা একটা উদ্ভট ও অসম্ভব ব্যাপার। আল্লাহ্‌ কারও সাধ্যের অতিরিক্ত কিছু চাপান না এবং মানুষকে অদ্ভুতভাবে কষ্ট দেওয়াও আল্লাহর মর্জি না। বরং আল্লাহ্‌ মানুষের অন্তর দেখেন এবং তার সাধ্যের ভিতরে কাজ দেন। এ কারণে কা’বামুখী হবার জন্য নিকটতম রৈখিক দিকে (যেমন- বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমে) মুখ করতে হয়। বোধসম্পন্নরা এখানে আল্লাহর অনুগ্রহ খুঁজে পায় এবং বক্রহৃদয়ের লোকেরা এখান থেকে আল্লাহ্‌ কিংবা রাসূল (সা)-এর ভুল খুঁজে পায়।
কেস ৩: এই ছবিতে তাদের দাবি যেহেতু পৃথিবী গোলাকার, সেহেতু কা’বার দিকে মুখ ফেরার অর্থ হল একদিক থেকে কা’বাকে পশ্চাৎদেশ দেখানো! একই কথা কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কেউ যদি আপনার পেছন দিকে থাকে, তার অর্থ সে ঘুরে এসে আসলে আপনাকে পশ্চাৎদেশ দেখাচ্ছে! কি অদ্ভুত যুক্তি! এবার তাদের যুক্তি খণ্ডন করি। কা’বা ঘরের সাথে যদি আপনার সামনাসামনি কোন যোগাযোগ না থাকে বা সামনে কোন পর্দা বা অন্তরায় থাকে তাহলে আপনি কা’বার দিকে ফিরে যে কোন কিছুই করতে পারবেন। দেখুন IslamQA-র ফতওয়া।[১২]
কেস ৪: সর্বশেষ চিত্রটা হল কা’বার antipode নিয়ে (কোন কিছুর একদম opposite-কে antipode বলে)। এখানে নাকি সবদিক সমান, তাই কা’বামুখী হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোন দিক নাই। এইখানে এসে আমরা যে ব্যাপারটা ভুলে যাই তা হল The antipode also has an antipode. কা’বা ঘরের ভেতর যে কোন দিকে মুখ করেই সালাত আদায় করা যায়। আর সেই কা’বার antipode-এ যে কোন দিকে মুখ করে নামায আদায় করতে দোষ কি? দাঁড়ান, এখনও কথা শেষ হয় নি। প্রকৃতপক্ষে কা’বার antipode-এ কোন land area নেই। নিচের চিত্রটা দেখুন-
এটা অবস্থিত প্রশান্ত মহাসাগরে, পলিনেশিয়া এরিয়ার ভেতর। কেউ যদি প্লেনে বা জাহাজেও থাকে, তাহলে তো চোখের নিমেষেই পার হয়ে যাবে। আর এই পয়েন্ট ছেড়ে গেলেই তো আবার সর্বনিম্ন দূরত্বের সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। তারপরেও যদি কেউ কোনভাবে exact এখানে অবস্থান করতে পারে, তাহলেও তার জন্য অসংখ্য direction থাকে না, কারণ পৃথিবী পুরোপুরি গোলাকার না। আর এজন্য সর্বনিম্ন দূরত্ব হিসাব করলে তার কাছে দুইটা direction থাকে, উত্তর-পশ্চিম এবং উত্তর-পূর্ব। আর এই antipode থেকে নিকটতম land area হল Tematagi.[১৩] আর এই নিকটতম স্থলভাগ যেহেতু উত্তর-পশ্চিম direction অনুসরণ করে, তাই সবথেকে ভাল হয় উত্তর-পশ্চিম দিকে ফিরে সালাত আদায় করা। আর যদি কোনভাবেই কিবলা চিহ্নিত করা না যায় (যে কোন ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য), তাহলেও কোন সমস্যা নাই। তখন যে কোন দিকে ফিরে নামায পড়লেই হবে। এই ব্যাপারে IslamQA-র ফতওয়া আছে।[১৪]
এবার সর্বশেষ যে প্রশ্নটি আপনারা করতে পারেন সেটার উত্তরও দিবো ইনশাল্লাহ্‌। ISS (International Space Station)-এ অবস্থানকারী কোন মহাকাশচারী যদি নামাজ পড়তে চান তাহলে তিনি কিভাবে পড়বেন- এটাই তো? এই ব্যাপারে সিদ্ধান্তের জন্য ২০০৬ সালে মালয়শিয়ান ন্যাশনাল স্পেস এজেন্সি একটি কনফারেন্সের আয়োজন করে বিজ্ঞানী ও ধর্মীয় স্কলারদের নিয়ে।[১৫] এই কনফেরেন্সে সিদ্ধান্ত হয় মহাকাশচারী তার ক্ষমতা অনুযায়ী কিবলা নির্ধারণ করবে। সেটা চারটা স্টেপে প্রাধান্য পাবে। ১. কাবার দিকে মুখ করে ২. কাবার প্রজেকশনের দিকে মুখ করে ৩. পৃথিবীর দিকে মুখ করে ৪. সুবিধামত যে কোন দিকে মুখ করে। কিন্তু তবুও একটা সমস্যা থেকে যায়, ধরা যাক পৃথিবীর দিকে মুখ করেই নামাজ শুরু করল। কিন্তু ঘূর্ণনের কারনে নামাজের মধ্যেই মুখ অন্য দিকে হয়ে যেতে পারে, তখন? গাড়ি বা ট্রেনে চলার সময়ের মত এখানেও শুরুতে কিবলা ঠিক করে নিলেই হবে, পরে পরিবর্তন হলেও কোন সমস্যা নেই।
আশা করি কিবলা নিয়ে আপনাদের বিভ্রান্তি দূর হয়েছে। আল্লাহ্‌ আমাদের সঠিক পথে থাকার এবং গভীরভাবে চিন্তা করার তাওফিক দান করুক।


12:00 Share:
মিথ্যাবাদিরা বলে ইসলামে নাকি পশুকামিতা জায়েজ😹👿
জবাব:
ইসলামের সমালোচকরা সবচেয়ে বড় একটি জালিয়াতি করে এই বলে যে, ইসলাম নাকি পশুকামকে হালাল করেছে। বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না এই একটা বিষয়ই নাস্তিকদের অন্ধবিশ্বাসী প্রমাণ করতে যথেষ্ট। বিভিন্ন ওয়েব সাইটে তারা যা পড়ে তাই এসে মুমিনদের সামনে বমি করে। এই ভ্রান্তি সর্বপ্রথম খ্রিষ্টানরা ছড়িয়েছে। তারা তাদের দাবির পক্ষে হাদিস দেখায় মাফ করবেন হাদিসের অপব্যাখ্যা দেয়। খুব চাতুরতার সাথে তারা এ বিষয়টি উপস্থাপন করে। একবার ভেবে দেখুন তো, আল্লহ বলছেন যে, ব্যভিচারের নিকটবর্তীও হয়োও না। যে ধর্মে হস্তমৈথুনের মতো আত্মকামও জায়েজ নয়, সে ধর্মে কিভাবে পশুর সাথে সঙ্গম হালাল হয়? সামান্য কমন সেন্সও কি এদের ভিতরে কাজ করে না??
স্কিটসটে সবাই ইকটু খেয়াল করুন এই মিথ্যাবাদি ইসলামে পশুকামিতা জায়েজ প্রমান করার জন্য যেই হাদিস দিয়েছে সেই হাদিসটা আমি সম্পূর্ণ এখানে দিচ্ছি দেখেন
আব্দুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) তিনি বলেন, পশুর সঙ্গে সঙ্গমকারী হাদ্দের আওতাভুক্ত নয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আত্বা-ও এরূপই বলেছেন। হাকাম বলেন, আমি মনে করি তাকে বেত্রাঘাত করা উচিত; কিন্তু তা হাদ্দের সীমা (১০০ বেত্রাঘাত) পর্যন্ত পৌছা উচিৎ নয়। হাসান বাসরী (রহঃ) বলেন, সে যেনাকারীর সমতুল্য। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আসিম কর্তৃক বর্ণিত হাদীস ‘আমা ইবনু আবূ ‘আমর কর্তৃক বর্ণিত হাদীসকে দুর্বল প্রামাণিত করে।(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৪৬৫)
এবার আপনারা বিচার করুন এখানে কোথায় পশুকামিতাকে জায়েজ বলা হয়েছে। বরং এখানে পশুকামিতার শাস্তুি কি হবে তা নিয়ে বিদ্যান গনের মতপার্থক্য ফুটে উঠেছে।
এবার আসেন দেখি ইসলামে পশুকামিতার শাস্তি কি?
উপরে যেই হাদিসটা দিলাম ঠিক তার পূর্বের হাদিসে স্পষ্ট করে বলা আছে যারা পুশুকামিতা করবে তাদের মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। কিন্তু এই মিথ্যা বাদিদের নজরে এটা পরলোনা, পরলো একটা অস্পষ্ট হাদিস তাও আবার অপব্যাখ্যা। হাদিসটা হলো এই:
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যাক্তি পশুর সঙ্গে সঙ্গম করলে তাকে এবং পশুটিকেও তার সঙ্গে হত্যা করো। তিনি (ইকরিমা) বলেন, আমি তাকে (ইবনু আব্বাসকে) বললাম, পশুটির অন্যায় কি? তিনি বলেন, আমার মতে যে পশুর সঙ্গে সঙ্গম করা হয়েছে নিশ্চয়ই তিনি তার গোশত খাওয়া অপছন্দ করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এটি তেমন শক্তিশালী হাদীস নয়। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৪৬৪
হাদিসের মান: হাসান সহিহ)
এই হাদিসেই স্পষ্ট বলা আছে যারা পশুকামিতা করবে তাদের মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে!
পরিশেষে বলতেচাই তারা তো অন্ধবিশ্বাসী! যাচাই-বাছাই ছাড়া এমন মিথ্যা অকপটে যারা মেনে নেয় আমি তাদের মুক্তমনা বলতে রাজি নই।ইসলামের বিরুদ্ধে বিপরীত শক্তির এরুপ মিথ্যাচার আগেও চলেছে, এখনো চলছে,হয়তো ভবিষ্যত্বেও চলবে।হয়তো তারা কখনো থামবে না!
ইসলাম কখনোই পশুকামকে হালাল করে নি। নারী ব্যতিত যৌন চাহিদা পূরণের জন্য অন্য কোনো মাধ্যম খোঁজা ধর্মীয় দৃষ্টিতে পাপ।(২৭:৫৫)
অবশেষে শুধু এটুকুই বলতে চাই, এমন কিছু প্রচার করবেন না, যা আপনার মুক্তমনা নামটাকে কলুষিত করে। নিজেদের নামের মর্যাদাটা তো টিকিয়ে রাখুন।


উত্তর দিয়েছেন
শাকিল খান
নাস্তিকদের জবাব

হাদিস অনুযায়ী পশু কামিতা ইসলামে জায়েজ!

Posted by Adam Simon  |  No comments

মিথ্যাবাদিরা বলে ইসলামে নাকি পশুকামিতা জায়েজ😹👿
জবাব:
ইসলামের সমালোচকরা সবচেয়ে বড় একটি জালিয়াতি করে এই বলে যে, ইসলাম নাকি পশুকামকে হালাল করেছে। বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না এই একটা বিষয়ই নাস্তিকদের অন্ধবিশ্বাসী প্রমাণ করতে যথেষ্ট। বিভিন্ন ওয়েব সাইটে তারা যা পড়ে তাই এসে মুমিনদের সামনে বমি করে। এই ভ্রান্তি সর্বপ্রথম খ্রিষ্টানরা ছড়িয়েছে। তারা তাদের দাবির পক্ষে হাদিস দেখায় মাফ করবেন হাদিসের অপব্যাখ্যা দেয়। খুব চাতুরতার সাথে তারা এ বিষয়টি উপস্থাপন করে। একবার ভেবে দেখুন তো, আল্লহ বলছেন যে, ব্যভিচারের নিকটবর্তীও হয়োও না। যে ধর্মে হস্তমৈথুনের মতো আত্মকামও জায়েজ নয়, সে ধর্মে কিভাবে পশুর সাথে সঙ্গম হালাল হয়? সামান্য কমন সেন্সও কি এদের ভিতরে কাজ করে না??
স্কিটসটে সবাই ইকটু খেয়াল করুন এই মিথ্যাবাদি ইসলামে পশুকামিতা জায়েজ প্রমান করার জন্য যেই হাদিস দিয়েছে সেই হাদিসটা আমি সম্পূর্ণ এখানে দিচ্ছি দেখেন
আব্দুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) তিনি বলেন, পশুর সঙ্গে সঙ্গমকারী হাদ্দের আওতাভুক্ত নয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আত্বা-ও এরূপই বলেছেন। হাকাম বলেন, আমি মনে করি তাকে বেত্রাঘাত করা উচিত; কিন্তু তা হাদ্দের সীমা (১০০ বেত্রাঘাত) পর্যন্ত পৌছা উচিৎ নয়। হাসান বাসরী (রহঃ) বলেন, সে যেনাকারীর সমতুল্য। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আসিম কর্তৃক বর্ণিত হাদীস ‘আমা ইবনু আবূ ‘আমর কর্তৃক বর্ণিত হাদীসকে দুর্বল প্রামাণিত করে।(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৪৬৫)
এবার আপনারা বিচার করুন এখানে কোথায় পশুকামিতাকে জায়েজ বলা হয়েছে। বরং এখানে পশুকামিতার শাস্তুি কি হবে তা নিয়ে বিদ্যান গনের মতপার্থক্য ফুটে উঠেছে।
এবার আসেন দেখি ইসলামে পশুকামিতার শাস্তি কি?
উপরে যেই হাদিসটা দিলাম ঠিক তার পূর্বের হাদিসে স্পষ্ট করে বলা আছে যারা পুশুকামিতা করবে তাদের মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। কিন্তু এই মিথ্যা বাদিদের নজরে এটা পরলোনা, পরলো একটা অস্পষ্ট হাদিস তাও আবার অপব্যাখ্যা। হাদিসটা হলো এই:
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যাক্তি পশুর সঙ্গে সঙ্গম করলে তাকে এবং পশুটিকেও তার সঙ্গে হত্যা করো। তিনি (ইকরিমা) বলেন, আমি তাকে (ইবনু আব্বাসকে) বললাম, পশুটির অন্যায় কি? তিনি বলেন, আমার মতে যে পশুর সঙ্গে সঙ্গম করা হয়েছে নিশ্চয়ই তিনি তার গোশত খাওয়া অপছন্দ করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এটি তেমন শক্তিশালী হাদীস নয়। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৪৬৪
হাদিসের মান: হাসান সহিহ)
এই হাদিসেই স্পষ্ট বলা আছে যারা পশুকামিতা করবে তাদের মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে!
পরিশেষে বলতেচাই তারা তো অন্ধবিশ্বাসী! যাচাই-বাছাই ছাড়া এমন মিথ্যা অকপটে যারা মেনে নেয় আমি তাদের মুক্তমনা বলতে রাজি নই।ইসলামের বিরুদ্ধে বিপরীত শক্তির এরুপ মিথ্যাচার আগেও চলেছে, এখনো চলছে,হয়তো ভবিষ্যত্বেও চলবে।হয়তো তারা কখনো থামবে না!
ইসলাম কখনোই পশুকামকে হালাল করে নি। নারী ব্যতিত যৌন চাহিদা পূরণের জন্য অন্য কোনো মাধ্যম খোঁজা ধর্মীয় দৃষ্টিতে পাপ।(২৭:৫৫)
অবশেষে শুধু এটুকুই বলতে চাই, এমন কিছু প্রচার করবেন না, যা আপনার মুক্তমনা নামটাকে কলুষিত করে। নিজেদের নামের মর্যাদাটা তো টিকিয়ে রাখুন।


উত্তর দিয়েছেন
শাকিল খান

20:00 Share:
নাস্তিকদের দাবী, হাদিসে নারীদেরকে 'কুকুর,গাধা' বলে গালি দেওয়া হয়েছে!!
জবাবঃ আসুন সেই হাদিসটা পর্যবেক্ষন করি, হাদিসটা হল এইঃ
"যখন ব্যক্তি নামায পড়ে, আর তার সামনে হাওদার পিছনের লাকড়ির মত বা হাওদার মাঝের লাকড়ির ‎মত কোন কিছু না হয়, তখন কালো কুকুর, গাধা, বা মহিলা তার নামায ভেঙ্গে দেয়”। (প্রাসঙ্গিক অংশ)
তিরমিযী শরীফ, হাদিস ‎নং-৩৩৮, ৩৪৭)‎
-ব্যাখ্যঃ হাদীছের অর্থ হ’ল- সালাতের নেকী কম হয়, সম্পূর্ণ ছালাত বাতিল হয় না। কারণ এতে ছালাতের একাগ্রতা বিনষ্ট হয় (তুহফাতুল আহওয়াযী ২/২৫৯; বলূগুল মারাম হা/২২৮-এর ব্যাখ্যা দ্রঃ)।
★'নামাজ' হল মুসলমানদের প্রধান ইবাদত। নামাজ একগ্রাতার সাথে আদায় করতে হয়। নামাজে যত গভীর মনোযোগ, গুরুত্ব সহকারে আদায় করা হয় তোতই সওয়াব আর স্বাদ পাওয়া যায়। নামাজের মনোযোগ টা যেন অন্য কোথায় না সরে যায় সেই কারনগুলোর মধ্যে একটা এই হাদিস।
উল্লেখ-' আরেকটা হাদিস আছে যে হাদিাটার মর্ম কথা হল-
"নামাজির ব্যাক্তির সামনে দিয়া অতিক্রম করা নিষিদ্ধ, যদি কেহ করে তাহলে তা কবিরা গুনাহ"।
এই হাদিসে নারী-পুরুষ উভয় ক্ষেত্রে প্রযজ্য। এখানেও বিষয় লক্ষ্যনীয়, নামাজের সামনে দিয়ে কেহ গেল নামাজে সমস্য হয়।
★এবার আসি মূল বিষয়ে।
উক্ত হাদিসে 'নারী জাতিকে' খাটো করা হয়নি। গাধা ও কুকুরের সাথে তুলনাও করা হয়নি। বরং তাদের স্বাতন্ত্রতা এবং আকর্ষনীয়তার কথা ‎ব্যক্ত করা হয়েছে। উক্ত হাদিসে মূলনীতি শিখানো হয়েছে যে, কি কি বিষয় নামায ব্যাঘাত ঘটাতে পারে? ‎তিনটি বিষয় নামাযের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে বলে হাদিসে উদ্ধৃত হয়েছে। এই তিনটি বিষয় ভিন্ন তিনটি ‎কারণে নামাযের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। তিনটির কোনটিই একটি আরেকটির মত নয়। সম্পূর্ণই আলাদা। ‎
১/ কালো কুকুর,
কালো কুকুর দেখতে ভয়ংকর। অর্থাৎ এটি দেখলে ভীতির সঞ্চার হয়। ভীত হয়ে গেলে ‎মানুষ অস্বাভাবিক আচরণ করে। এ কারণে একে নামায ভঙ্গের কারণ হয়। ‎তাছারা দূর্গন্ধ, হাক-ডাকের কারনেও ডিস্টার্ব হতে পারে।
২/ গাধা,গাধা হল ঘৃণার বস্তু এবং গাধার শব্দটাও ভয়ংকর। ঘৃণিত বস্তু দেখলেও মানুষের মাঝে মনযোগিতা হ্রাস পায়। এবং শব্দর কারনেও সমস্যা হয়; তাই এটিও ‎নামায বিনষ্টের কারণ হয়।
৩/ 'নারী, নারী হল আকর্ষনীয়। তারপ্রতি মানুষের স্বভাবজাত আকর্ষন থাকে। নারীর কোমনীয়তা, স্বাতন্ত্র ‎সৌন্দর্য মানুষকে আকৃষ্ট করে। আর আকৃষ্ট করে এমন চমকপ্রদ বস্তুও মানুষকে গাফেল করে দেয়। এ ‎কারণে নারীর সামনে আগমণকেও নামায ভঙ্গের কারণ হিসেবে উপস্থাপিত করা হয়েছে। ‎এটা চিরো সত্য যে, নারী প্রাকিতৃক ভাবেই হল সৌন্দর্য্যের 'প্রতিক'। প্রাকৃতিক ভাবেই পুরুষ মাত্র, মেয়েলি এনার্জির প্রতি আকৃষ্ট হবে এটাই স্বাভাবিক। আজকের বিজ্ঞানও তাই বলছে-' পুরুষরা 'নারীদের' প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়, মোহিত হয়, দূর্বল হয়ে পরে। এটা চির সত্য; বিধায় হাদিসে বলা হয়েছে নারীদের দেখলে পুরুরষদের নামাজে সমস্যা হতে পারে। কারন তার সৌন্দর্য্যর প্রতি তার মনোযোগ চলে যাবে এতে নামজের একগ্রতা কমে যাবে।
এখানে লক্ষণীয় হল-'কুকুরকে' ভয়ের কারণে আর 'গাধাকে' ঘৃণার কারণে, আর 'নারীকে' সৌন্দর্য ও ‎আকর্ষনীয়তার কারণে নামায ব্যাঘাতের কারণ বলা হয়েছে। ‎ নারীকে আকর্ষনীয়, সৌন্দর্যমন্ডিত বলে উপস্থাপন করাটা কি নারীকে খাটো করা? -অবশ্যই নয়। বরং এটা ‎তাকে সম্মান জানানো। আর তার অনুপম বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা। ‎
★উল্লেখ্য এই হাদিসটা 'মা' আয়েশা (রাঃ) সামনে বর্ননা করা হলে তিনি আপত্তি তুলে বলেনঃ
"আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখেছি, সালাত আদায় করছেন আর আমি তাঁর ও কিবলাহর মাঝে চৌকির উপর কাত হয়ে শুয়ে থাকতাম"। (প্রাসঙ্গিক অংশ)
অর্থাৎ নবী সাঃ এর নামজে কোন সমস্যা হত না।
সহীহ বুখারী (তাওহীদ), ৮/ সলাত৫১১.)(৩৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৮১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৮৭)
এথেকে আর একটা বিষয় বেড় হয়-' এটা সবার জন্য, সর্ববস্হায় পর্যজ্য নয়; অবস্হার আর ব্যাক্তি অবস্হান বুঝে বিবেচ্য হবে। বিষেশ করে "স্বামি স্ত্রীর" ক্ষেত্রে সমস্য হওয়ার কথা নয়। যা, আয়েশা (রাঃ) স্পষ্ট করেছেন। কারন এমনো হয়েছে -'আয়েশা (রাঃ) পা লম্বা করে শুয়ে থাকতেন। এবং নবী সাঃ তার পা বরাবর নামাজ আদায় করতেন, যখন সেজদার সময় হত, তখন নবী সাঃ আয়েশা রাঃ কে খোচা দিতেন অমনি তিনি পা সরিয়ে ফেলতেন।
-এখানে তিনটা বিষয় সাতন্ত্র ভিন্ন। যেমন ধরুনঃ কোন মেয়েকে জিজ্ঞাষা করা হল-' তুৃমি কাকে ভয় পাও? জবাবে সে বলল-' আমার আব্বু, কুকুর, এবং তেলাপোক।
তাহলে কি সে তার 'বাবা'কে কুকুর,তেলাপোকা বলল? -না, বরং তিনটা ভিন্ন সতন্ত্র বিষয়ে বলেছে; বাবাকে সম্মানের জন্য।
কুকুরকে ভয়ের জন্য, এবং তেলাপোকাকে ঘৃনার জন্য বলা হয়েছে।
সুতরাং নারীকে অপমান করা হয়নি; বরং তার সৌন্দর্যের প্রতি ইংগীত করা হয়েছে।
আশা করি উত্তর পাওয়া গেছে।


উত্তর দিয়েছেন
সাদ্দাম হোসাইন পাভেল
নাস্তিকদের জবাব

হাদিসে)নারীকে কুকুর,গাধার সমপর্যায়ের বলা হয়েছে।

Posted by Adam Simon  |  No comments

নাস্তিকদের দাবী, হাদিসে নারীদেরকে 'কুকুর,গাধা' বলে গালি দেওয়া হয়েছে!!
জবাবঃ আসুন সেই হাদিসটা পর্যবেক্ষন করি, হাদিসটা হল এইঃ
"যখন ব্যক্তি নামায পড়ে, আর তার সামনে হাওদার পিছনের লাকড়ির মত বা হাওদার মাঝের লাকড়ির ‎মত কোন কিছু না হয়, তখন কালো কুকুর, গাধা, বা মহিলা তার নামায ভেঙ্গে দেয়”। (প্রাসঙ্গিক অংশ)
তিরমিযী শরীফ, হাদিস ‎নং-৩৩৮, ৩৪৭)‎
-ব্যাখ্যঃ হাদীছের অর্থ হ’ল- সালাতের নেকী কম হয়, সম্পূর্ণ ছালাত বাতিল হয় না। কারণ এতে ছালাতের একাগ্রতা বিনষ্ট হয় (তুহফাতুল আহওয়াযী ২/২৫৯; বলূগুল মারাম হা/২২৮-এর ব্যাখ্যা দ্রঃ)।
★'নামাজ' হল মুসলমানদের প্রধান ইবাদত। নামাজ একগ্রাতার সাথে আদায় করতে হয়। নামাজে যত গভীর মনোযোগ, গুরুত্ব সহকারে আদায় করা হয় তোতই সওয়াব আর স্বাদ পাওয়া যায়। নামাজের মনোযোগ টা যেন অন্য কোথায় না সরে যায় সেই কারনগুলোর মধ্যে একটা এই হাদিস।
উল্লেখ-' আরেকটা হাদিস আছে যে হাদিাটার মর্ম কথা হল-
"নামাজির ব্যাক্তির সামনে দিয়া অতিক্রম করা নিষিদ্ধ, যদি কেহ করে তাহলে তা কবিরা গুনাহ"।
এই হাদিসে নারী-পুরুষ উভয় ক্ষেত্রে প্রযজ্য। এখানেও বিষয় লক্ষ্যনীয়, নামাজের সামনে দিয়ে কেহ গেল নামাজে সমস্য হয়।
★এবার আসি মূল বিষয়ে।
উক্ত হাদিসে 'নারী জাতিকে' খাটো করা হয়নি। গাধা ও কুকুরের সাথে তুলনাও করা হয়নি। বরং তাদের স্বাতন্ত্রতা এবং আকর্ষনীয়তার কথা ‎ব্যক্ত করা হয়েছে। উক্ত হাদিসে মূলনীতি শিখানো হয়েছে যে, কি কি বিষয় নামায ব্যাঘাত ঘটাতে পারে? ‎তিনটি বিষয় নামাযের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে বলে হাদিসে উদ্ধৃত হয়েছে। এই তিনটি বিষয় ভিন্ন তিনটি ‎কারণে নামাযের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। তিনটির কোনটিই একটি আরেকটির মত নয়। সম্পূর্ণই আলাদা। ‎
১/ কালো কুকুর,
কালো কুকুর দেখতে ভয়ংকর। অর্থাৎ এটি দেখলে ভীতির সঞ্চার হয়। ভীত হয়ে গেলে ‎মানুষ অস্বাভাবিক আচরণ করে। এ কারণে একে নামায ভঙ্গের কারণ হয়। ‎তাছারা দূর্গন্ধ, হাক-ডাকের কারনেও ডিস্টার্ব হতে পারে।
২/ গাধা,গাধা হল ঘৃণার বস্তু এবং গাধার শব্দটাও ভয়ংকর। ঘৃণিত বস্তু দেখলেও মানুষের মাঝে মনযোগিতা হ্রাস পায়। এবং শব্দর কারনেও সমস্যা হয়; তাই এটিও ‎নামায বিনষ্টের কারণ হয়।
৩/ 'নারী, নারী হল আকর্ষনীয়। তারপ্রতি মানুষের স্বভাবজাত আকর্ষন থাকে। নারীর কোমনীয়তা, স্বাতন্ত্র ‎সৌন্দর্য মানুষকে আকৃষ্ট করে। আর আকৃষ্ট করে এমন চমকপ্রদ বস্তুও মানুষকে গাফেল করে দেয়। এ ‎কারণে নারীর সামনে আগমণকেও নামায ভঙ্গের কারণ হিসেবে উপস্থাপিত করা হয়েছে। ‎এটা চিরো সত্য যে, নারী প্রাকিতৃক ভাবেই হল সৌন্দর্য্যের 'প্রতিক'। প্রাকৃতিক ভাবেই পুরুষ মাত্র, মেয়েলি এনার্জির প্রতি আকৃষ্ট হবে এটাই স্বাভাবিক। আজকের বিজ্ঞানও তাই বলছে-' পুরুষরা 'নারীদের' প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়, মোহিত হয়, দূর্বল হয়ে পরে। এটা চির সত্য; বিধায় হাদিসে বলা হয়েছে নারীদের দেখলে পুরুরষদের নামাজে সমস্যা হতে পারে। কারন তার সৌন্দর্য্যর প্রতি তার মনোযোগ চলে যাবে এতে নামজের একগ্রতা কমে যাবে।
এখানে লক্ষণীয় হল-'কুকুরকে' ভয়ের কারণে আর 'গাধাকে' ঘৃণার কারণে, আর 'নারীকে' সৌন্দর্য ও ‎আকর্ষনীয়তার কারণে নামায ব্যাঘাতের কারণ বলা হয়েছে। ‎ নারীকে আকর্ষনীয়, সৌন্দর্যমন্ডিত বলে উপস্থাপন করাটা কি নারীকে খাটো করা? -অবশ্যই নয়। বরং এটা ‎তাকে সম্মান জানানো। আর তার অনুপম বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা। ‎
★উল্লেখ্য এই হাদিসটা 'মা' আয়েশা (রাঃ) সামনে বর্ননা করা হলে তিনি আপত্তি তুলে বলেনঃ
"আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখেছি, সালাত আদায় করছেন আর আমি তাঁর ও কিবলাহর মাঝে চৌকির উপর কাত হয়ে শুয়ে থাকতাম"। (প্রাসঙ্গিক অংশ)
অর্থাৎ নবী সাঃ এর নামজে কোন সমস্যা হত না।
সহীহ বুখারী (তাওহীদ), ৮/ সলাত৫১১.)(৩৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৮১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৮৭)
এথেকে আর একটা বিষয় বেড় হয়-' এটা সবার জন্য, সর্ববস্হায় পর্যজ্য নয়; অবস্হার আর ব্যাক্তি অবস্হান বুঝে বিবেচ্য হবে। বিষেশ করে "স্বামি স্ত্রীর" ক্ষেত্রে সমস্য হওয়ার কথা নয়। যা, আয়েশা (রাঃ) স্পষ্ট করেছেন। কারন এমনো হয়েছে -'আয়েশা (রাঃ) পা লম্বা করে শুয়ে থাকতেন। এবং নবী সাঃ তার পা বরাবর নামাজ আদায় করতেন, যখন সেজদার সময় হত, তখন নবী সাঃ আয়েশা রাঃ কে খোচা দিতেন অমনি তিনি পা সরিয়ে ফেলতেন।
-এখানে তিনটা বিষয় সাতন্ত্র ভিন্ন। যেমন ধরুনঃ কোন মেয়েকে জিজ্ঞাষা করা হল-' তুৃমি কাকে ভয় পাও? জবাবে সে বলল-' আমার আব্বু, কুকুর, এবং তেলাপোক।
তাহলে কি সে তার 'বাবা'কে কুকুর,তেলাপোকা বলল? -না, বরং তিনটা ভিন্ন সতন্ত্র বিষয়ে বলেছে; বাবাকে সম্মানের জন্য।
কুকুরকে ভয়ের জন্য, এবং তেলাপোকাকে ঘৃনার জন্য বলা হয়েছে।
সুতরাং নারীকে অপমান করা হয়নি; বরং তার সৌন্দর্যের প্রতি ইংগীত করা হয়েছে।
আশা করি উত্তর পাওয়া গেছে।


উত্তর দিয়েছেন
সাদ্দাম হোসাইন পাভেল

16:00 Share:
সূর্য আরশের নিচে যেয়ে সেজদা দেয়!
সহী বুখারীর একটি হাদীস নিয়ে আমাদের মুক্তমনা সমাজের নাস্তিকরা প্রায়ই ধোঁয়াশা তৈরির চেষ্টা করে থাকে। তাদের দাবি হচ্ছে, এই হাদীসটি সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক। যেহেতু বুখারীর মতো প্রসিদ্ধ হাদীস গ্রন্থে এটির উল্লেখ পাওয়া যায়, আর হাদীস শাস্ত্রে বুখারীর মান যেহেতু সবার উর্ধ্বে, এবং মুসলিমরা যেহেতু এটাতে বিশ্বাস করে, তাই ইসলাম এবং মুসলিমদের উপহাস সুযোগ তারা ছাড়ে না।
বাংলাদেশের মুক্তোমনা নামধারী ইসলাম বিদ্বেষীদের কথাবার্তা আর লেখাযোখা পড়লে মনে হয় এরা একেকজন ইসলাম, কোরআন, হাদীসের উপরে পিএইচডি করে ফেলেছে।
আসল ব্যাপার হলো, কোরআন-হাদীস নিয়ে এদের জ্ঞান একেবারে শূন্যের কোঠায়। বলা চলে, এদের শতকরা ৯৯ ভাগ আরবি পড়তেই জানেনা।
তাহলে এরা সমালোচনা কীভাবে করে??
যাহোক, মূল আলোচনায় ফিরে আসি। আমরা প্রথমে হাদীসটা দেখে নিই। হাদীসটি আছে বুখারী শরীফের চতুর্থ খন্ডের ৫৪ নাম্বার অধ্যায়ে। হাদীস নাম্বার হচ্ছে ৪২১।
হজরত আবু যা’র (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,- “রাসূল (সাঃ) আমার কাছে জিজ্ঞেস করলেন,- তুমি কী জানো (সূর্যাস্তের সময়) সূর্য কোথায় যায়?”
আমি বললাম,- “আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল ভালো জানেন”। তখন তিনি বললেন,- ‘এটা (নির্দিষ্ট পথে চলতে চলতে) আল্লাহর আরশের নিচে এসে সিজদা করে এবং উদয় হবার জন্য অনুমতি চায় এবং এটাকে অনুমতি দেওয়া হয়। এমন একটা সময় আসবে যেদিন এটাকে আর অনুমতি দেওয়া হবেনা (পূর্বদিক থেকে উদিত হবার জন্য) এবং এটাকে যেদিক থেকে এসেছে সেদিকে ফিরে যেতে বলা হবে। সেদিন এটা (সূর্য) পশ্চিম দিক থেকে উদয় হবে”।
এখান থেকে যে প্রশ্নগুলো তারা করার চেষ্টা করে তা হলো নিম্নরূপঃ
১/ বলা হচ্ছে, সূর্য আল্লাহর আরশের নিচে যায়। আমরা জানি, সূর্য তার নিজ কক্ষপথেই থাকে, কোথাও যায় না। তাহলে এইটা কীভাবে সম্ভব যে, সূর্য আরশের নিচে যায়?
২/ সূর্য কীভাবে সিজদা করতে পারে? এই প্রশ্নের সাথে সম্পূরক প্রশ্ন হচ্ছে,- সিজদা করতে হলে সূর্যকে তার কাজ (ঘূর্ণন) থামাতে হবে। জোতির্বিজ্ঞান বলছে, সূর্য নিজ কক্ষপথে অবিরত ঘূর্ণন অবস্থায় থাকে। তাহলে সূর্য সিজদাটাই বা করে কখন আর অনুমতিটাই বা পায় কখন?
এই ব্যাপারটা আরও পরিষ্কার হবার জন্য দেখতে হবে মুসলীম শরীফের একটি হাদীস ৷
আবূ যার (রাযিঃ) বলেন, একদিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা কি জান, এ সূর্য কোথায় যায়? সাহাবাগণ বললেন, আল্লাহ ও তার রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, এ সূর্য চলতে থাকে এবং (আল্লাহ তা'আলার) আরশের নীচে অবস্থিত তার অবস্থান স্থলে যায়। সেখানে সে সাজদাবনত হয়ে পড়ে থাকে। শেষে যখন তাকে বলা হয়, উঠ এবং যেখান থেকে এসেছিলে সেখানে ফিরে যাও! অনন্তর সে ফিরে আসে এবং নির্ধারিত উদয়স্থল দিয়েই উদিত হয়। তা আবার চলতে থাকে এবং আরশের নীচে অবস্থিত তার অবস্থান স্থলে যায়। সেখানে সে সাজদাবনত অবস্থায় পড়ে থাকে। শেষে যখন তাকে বলা হয় উঠ এবং যেখান থেকে এসেছিলে সেখানে ফিরে যাও। তখন সে ফিরে আসে এবং নির্ধারিত উদয়স্থল হয়েই সে উদিত হয়। এমনিভাবে চলতে থাকবে; মানুষ তার থেকে অস্বাভাবিক কিছু হতে দেখবে না। শেষে একদিন সূর্য যথারীতি আরশের নীচে তার অবস্থানে যাবে। তাকে বলা হবে, উঠ এবং অস্তাচল থেকে উদিত হও। অনন্তর সেদিন সূর্য পশ্চিমাকাশে উদিত হবে। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) http://www.hadithbd.com/share.php?hid=47046

দেখুন এখানে সুস্পষ্টভাবে লেখা আছে, " তার অবস্থান স্থলে যায় " অর্থাত তার জন্য নির্ধারিত স্থানে যাবার পর সে সেজদায় পড়ে অনুমতি প্রার্থনা করতে থাকে ৷ বলা হয়নি " সেজদা দিয়ে থেমে থাকে বরং সেজদায় পড়ে থাকে বলা হয়েছে ৷
এখন প্রথমে এক নাম্বার প্রশ্নটা নিয়ে ভাবা যাক। এটার উত্তর জানার জন্য আমাদেরকে আগে জানতে হবে আল্লাহর আরশ কোথায়। আল কোরআন এবং সহী হাদীস থেকে জানা যায় যে, আল্লাহর আরশ হচ্ছে সবকিছুর উর্ধ্বে। অর্থাৎ, দৃশ্যমান-অদৃশ্যমান (পৃথিবী, আকাশ, গ্যালাক্সি, পদার্থ) এই মহাবিশ্বের সবকিছুর উপরে আল্লাহর আরশ অবস্থিত। এই “সবকিছুর” মধ্যে কিন্তু সূর্যও পড়ে। সুতরাং, সূর্য নিজেই আলটিমেটলি আল্লাহর আরশের নিচেই আছে। আল্লাহর আরশের নিচে যাওয়ার জন্য সূর্যকে আলাদাভাবে তার কক্ষপথ ছাড়তে হয়না। নিজ কক্ষপথে থেকেই সূর্য আল্লাহর আরশের নিচে তার জন্য নির্ধারিত স্থানে যেয়ে সেজদা দেয় ৷
দ্বিতীয় প্রশ্ন হচ্ছে, সূর্য কীভাবে সিজদা করতে পারে?
হাত-পা মাটিতে রেখে, মাথা-নাক-কপাল মাটিতে স্পর্শ করাই হলো আমাদের সিজদার পদ্ধতি।
সূর্যের কী হাত-পা আছে? নাক-কপাল আছে? যদি না থাকে, তাহলে সূর্য সিজদা কীভাবে দেয়?
আল্লাহ তায়ালা কোরআনে বলেন
15] وَلِلَّهِ يَسجُدُ مَن فِى السَّمٰوٰتِ وَالأَرضِ طَوعًا وَكَرهًا وَظِلٰلُهُم بِالغُدُوِّ وَالءاصالِ ۩
[15] আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে আছে ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় এবং তাদের প্রতিচ্ছায়াও সকাল-সন্ধ্যায়।
(সূরা রাদ)
49] وَلِلَّهِ يَسجُدُ ما فِى السَّمٰوٰتِ وَما فِى الأَرضِ مِن دابَّةٍ وَالمَلٰئِكَةُ وَهُم لا يَستَكبِرونَ
[49] আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু নভোমন্ডলে আছে এবং যা কিছু ভুমন্ডলে আছে এবং ফেরেশতাগণ; তারা অহংকার করে না।
(সূরা নাহল)
দেখুন এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে সকল কিছুই সেজদা দেয় ৷ গাছ, লতা - পাতা, চন্দ্র, সূর্য সব কিছুই এর আওতায় পরে ৷
আচ্ছা, গাছ কি আমাদের মত কোমর বাকিয়ে সেজদা দেয়??? মূলত প্রত্যেকের সেজদার পদ্ধতি ভিন্ন ৷
যেমন ধরুন, মানুষ অসুস্থ হলে দাড়িয়ে, বসে এমনকি ঘুমিয়ে সেজদা দিতে পারে ৷যদি চলন্ত গাড়িতে থাকে তবুও সেজদা দেবার অনুমতি রয়েছে ৷ ঠিক তেমনি ভাবে গাছ-পালা নিজ অবস্থানে থেকেই সেজদা দেয় এবং সূর্য না থেমেই চলতে চলতে সেজদা দিয়ে থাকে ৷ তাকে সেজদার জন্য থামতে হয় না ৷
সিজদা মানে আমরা কী বুঝি? কারো কাছে বিনত হওয়া, অবনত হওয়া, অনুগত হওয়া। আরো অর্থ করা যায়, যেমন- রুলস মেনে চলা , নিয়মাধীন হওয়া ইত্যাদি।
তাহলে, বুঝা গেলো , সূর্যের সিজদা আর আমাদের সিজদা এক নয় ৷ সূর্য চলতে চলতে তার জন্য নির্ধারিত স্থানে যেয়ে সেজদায় পড়ে চলার অনুমতি প্রার্থনা করে এবং অনুমতি পাবার মাধ্যমে নিজ কক্ষ পথে চলমান রয়েছে ৷


উত্তর দিয়েছেন
চয়ন চৌধুরী
নাস্তিকদের জবাব

হাদিসে আছে সূর্য আরশের নিচে সিজদাহ করে। সুতরাং এটা অবোইজ্ঞানিক। (জবাব-২)

Posted by Adam Simon  |  No comments

সূর্য আরশের নিচে যেয়ে সেজদা দেয়!
সহী বুখারীর একটি হাদীস নিয়ে আমাদের মুক্তমনা সমাজের নাস্তিকরা প্রায়ই ধোঁয়াশা তৈরির চেষ্টা করে থাকে। তাদের দাবি হচ্ছে, এই হাদীসটি সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক। যেহেতু বুখারীর মতো প্রসিদ্ধ হাদীস গ্রন্থে এটির উল্লেখ পাওয়া যায়, আর হাদীস শাস্ত্রে বুখারীর মান যেহেতু সবার উর্ধ্বে, এবং মুসলিমরা যেহেতু এটাতে বিশ্বাস করে, তাই ইসলাম এবং মুসলিমদের উপহাস সুযোগ তারা ছাড়ে না।
বাংলাদেশের মুক্তোমনা নামধারী ইসলাম বিদ্বেষীদের কথাবার্তা আর লেখাযোখা পড়লে মনে হয় এরা একেকজন ইসলাম, কোরআন, হাদীসের উপরে পিএইচডি করে ফেলেছে।
আসল ব্যাপার হলো, কোরআন-হাদীস নিয়ে এদের জ্ঞান একেবারে শূন্যের কোঠায়। বলা চলে, এদের শতকরা ৯৯ ভাগ আরবি পড়তেই জানেনা।
তাহলে এরা সমালোচনা কীভাবে করে??
যাহোক, মূল আলোচনায় ফিরে আসি। আমরা প্রথমে হাদীসটা দেখে নিই। হাদীসটি আছে বুখারী শরীফের চতুর্থ খন্ডের ৫৪ নাম্বার অধ্যায়ে। হাদীস নাম্বার হচ্ছে ৪২১।
হজরত আবু যা’র (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,- “রাসূল (সাঃ) আমার কাছে জিজ্ঞেস করলেন,- তুমি কী জানো (সূর্যাস্তের সময়) সূর্য কোথায় যায়?”
আমি বললাম,- “আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল ভালো জানেন”। তখন তিনি বললেন,- ‘এটা (নির্দিষ্ট পথে চলতে চলতে) আল্লাহর আরশের নিচে এসে সিজদা করে এবং উদয় হবার জন্য অনুমতি চায় এবং এটাকে অনুমতি দেওয়া হয়। এমন একটা সময় আসবে যেদিন এটাকে আর অনুমতি দেওয়া হবেনা (পূর্বদিক থেকে উদিত হবার জন্য) এবং এটাকে যেদিক থেকে এসেছে সেদিকে ফিরে যেতে বলা হবে। সেদিন এটা (সূর্য) পশ্চিম দিক থেকে উদয় হবে”।
এখান থেকে যে প্রশ্নগুলো তারা করার চেষ্টা করে তা হলো নিম্নরূপঃ
১/ বলা হচ্ছে, সূর্য আল্লাহর আরশের নিচে যায়। আমরা জানি, সূর্য তার নিজ কক্ষপথেই থাকে, কোথাও যায় না। তাহলে এইটা কীভাবে সম্ভব যে, সূর্য আরশের নিচে যায়?
২/ সূর্য কীভাবে সিজদা করতে পারে? এই প্রশ্নের সাথে সম্পূরক প্রশ্ন হচ্ছে,- সিজদা করতে হলে সূর্যকে তার কাজ (ঘূর্ণন) থামাতে হবে। জোতির্বিজ্ঞান বলছে, সূর্য নিজ কক্ষপথে অবিরত ঘূর্ণন অবস্থায় থাকে। তাহলে সূর্য সিজদাটাই বা করে কখন আর অনুমতিটাই বা পায় কখন?
এই ব্যাপারটা আরও পরিষ্কার হবার জন্য দেখতে হবে মুসলীম শরীফের একটি হাদীস ৷
আবূ যার (রাযিঃ) বলেন, একদিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা কি জান, এ সূর্য কোথায় যায়? সাহাবাগণ বললেন, আল্লাহ ও তার রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, এ সূর্য চলতে থাকে এবং (আল্লাহ তা'আলার) আরশের নীচে অবস্থিত তার অবস্থান স্থলে যায়। সেখানে সে সাজদাবনত হয়ে পড়ে থাকে। শেষে যখন তাকে বলা হয়, উঠ এবং যেখান থেকে এসেছিলে সেখানে ফিরে যাও! অনন্তর সে ফিরে আসে এবং নির্ধারিত উদয়স্থল দিয়েই উদিত হয়। তা আবার চলতে থাকে এবং আরশের নীচে অবস্থিত তার অবস্থান স্থলে যায়। সেখানে সে সাজদাবনত অবস্থায় পড়ে থাকে। শেষে যখন তাকে বলা হয় উঠ এবং যেখান থেকে এসেছিলে সেখানে ফিরে যাও। তখন সে ফিরে আসে এবং নির্ধারিত উদয়স্থল হয়েই সে উদিত হয়। এমনিভাবে চলতে থাকবে; মানুষ তার থেকে অস্বাভাবিক কিছু হতে দেখবে না। শেষে একদিন সূর্য যথারীতি আরশের নীচে তার অবস্থানে যাবে। তাকে বলা হবে, উঠ এবং অস্তাচল থেকে উদিত হও। অনন্তর সেদিন সূর্য পশ্চিমাকাশে উদিত হবে। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) http://www.hadithbd.com/share.php?hid=47046

দেখুন এখানে সুস্পষ্টভাবে লেখা আছে, " তার অবস্থান স্থলে যায় " অর্থাত তার জন্য নির্ধারিত স্থানে যাবার পর সে সেজদায় পড়ে অনুমতি প্রার্থনা করতে থাকে ৷ বলা হয়নি " সেজদা দিয়ে থেমে থাকে বরং সেজদায় পড়ে থাকে বলা হয়েছে ৷
এখন প্রথমে এক নাম্বার প্রশ্নটা নিয়ে ভাবা যাক। এটার উত্তর জানার জন্য আমাদেরকে আগে জানতে হবে আল্লাহর আরশ কোথায়। আল কোরআন এবং সহী হাদীস থেকে জানা যায় যে, আল্লাহর আরশ হচ্ছে সবকিছুর উর্ধ্বে। অর্থাৎ, দৃশ্যমান-অদৃশ্যমান (পৃথিবী, আকাশ, গ্যালাক্সি, পদার্থ) এই মহাবিশ্বের সবকিছুর উপরে আল্লাহর আরশ অবস্থিত। এই “সবকিছুর” মধ্যে কিন্তু সূর্যও পড়ে। সুতরাং, সূর্য নিজেই আলটিমেটলি আল্লাহর আরশের নিচেই আছে। আল্লাহর আরশের নিচে যাওয়ার জন্য সূর্যকে আলাদাভাবে তার কক্ষপথ ছাড়তে হয়না। নিজ কক্ষপথে থেকেই সূর্য আল্লাহর আরশের নিচে তার জন্য নির্ধারিত স্থানে যেয়ে সেজদা দেয় ৷
দ্বিতীয় প্রশ্ন হচ্ছে, সূর্য কীভাবে সিজদা করতে পারে?
হাত-পা মাটিতে রেখে, মাথা-নাক-কপাল মাটিতে স্পর্শ করাই হলো আমাদের সিজদার পদ্ধতি।
সূর্যের কী হাত-পা আছে? নাক-কপাল আছে? যদি না থাকে, তাহলে সূর্য সিজদা কীভাবে দেয়?
আল্লাহ তায়ালা কোরআনে বলেন
15] وَلِلَّهِ يَسجُدُ مَن فِى السَّمٰوٰتِ وَالأَرضِ طَوعًا وَكَرهًا وَظِلٰلُهُم بِالغُدُوِّ وَالءاصالِ ۩
[15] আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে আছে ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় এবং তাদের প্রতিচ্ছায়াও সকাল-সন্ধ্যায়।
(সূরা রাদ)
49] وَلِلَّهِ يَسجُدُ ما فِى السَّمٰوٰتِ وَما فِى الأَرضِ مِن دابَّةٍ وَالمَلٰئِكَةُ وَهُم لا يَستَكبِرونَ
[49] আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু নভোমন্ডলে আছে এবং যা কিছু ভুমন্ডলে আছে এবং ফেরেশতাগণ; তারা অহংকার করে না।
(সূরা নাহল)
দেখুন এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে সকল কিছুই সেজদা দেয় ৷ গাছ, লতা - পাতা, চন্দ্র, সূর্য সব কিছুই এর আওতায় পরে ৷
আচ্ছা, গাছ কি আমাদের মত কোমর বাকিয়ে সেজদা দেয়??? মূলত প্রত্যেকের সেজদার পদ্ধতি ভিন্ন ৷
যেমন ধরুন, মানুষ অসুস্থ হলে দাড়িয়ে, বসে এমনকি ঘুমিয়ে সেজদা দিতে পারে ৷যদি চলন্ত গাড়িতে থাকে তবুও সেজদা দেবার অনুমতি রয়েছে ৷ ঠিক তেমনি ভাবে গাছ-পালা নিজ অবস্থানে থেকেই সেজদা দেয় এবং সূর্য না থেমেই চলতে চলতে সেজদা দিয়ে থাকে ৷ তাকে সেজদার জন্য থামতে হয় না ৷
সিজদা মানে আমরা কী বুঝি? কারো কাছে বিনত হওয়া, অবনত হওয়া, অনুগত হওয়া। আরো অর্থ করা যায়, যেমন- রুলস মেনে চলা , নিয়মাধীন হওয়া ইত্যাদি।
তাহলে, বুঝা গেলো , সূর্যের সিজদা আর আমাদের সিজদা এক নয় ৷ সূর্য চলতে চলতে তার জন্য নির্ধারিত স্থানে যেয়ে সেজদায় পড়ে চলার অনুমতি প্রার্থনা করে এবং অনুমতি পাবার মাধ্যমে নিজ কক্ষ পথে চলমান রয়েছে ৷


উত্তর দিয়েছেন
চয়ন চৌধুরী

14:00 Share:
কোরানে আকাশ নিয়ে নাস্তিকদের অজ্ঞতা ও মিথ্যাচারের জবাবঃ

ছবিটি একটি মুভির দৃশ্য, এটি একটি জনপ্রিয় সায়েন্স ফিকসান মুভি, নাম Avengers. যারা মুভিটি দেখেছেন তাদের নিশ্চয়ই এই দৃশ্যের কথা মনে আছে। এখানে দেখা যাচ্ছে আকাশে একটি ছিদ্র তৈরি হয়েছে। মুভিটি যখন আমরা দেখেছি, কারো কাছেই মনে হয়নি যে এটি একটি বৈজ্ঞানিক ভুল। কারন আমরা উক্ত ঘটনাটির ব্যাগ্রাউন্ড তথ্যটা জানি। মুভির কাহিনি অনুসারে আমরা দেখতে পাই এখানে দুটি ভিন্ন ওয়ার্ল্ড বা দুটি ভিন্ন ডাইমেনশনের দরজা ওপেন হয়েছে, যেখান থেকে অন্য মাত্রার প্রানীরা আমাদের মাত্রায় প্রবেশ করছে। আকাশে এটি এমনভাবে ওপেন হয়েছে যেন একটি ছিদ্র।
এবার কোরানের দুটি আয়াত দেখি,
আকাশ উম্মুক্ত হয়ে; তাতে বহু দরজা সৃষ্টি হবে। (৭৮:১৯)
যখন আকাশ ছিদ্রযুক্ত হবে (কোরান ৭৭:৯)
নাস্তিকরা এই আয়াত দুটিকে বৈজ্ঞানিক ভুল বলে প্রচার করে, তাদের মতে আকাশ শক্ত পদার্থ নয়, এবং তাতে ছিদ্র বা দরজা হওয়া সম্ভব নয়।
জবাবঃ
এখানেই নাস্তিকদের চিন্তা ও জ্ঞানের দৈন্যতা। এই দুটো আয়াতে কেয়ামতের সময়ের একটা কথা বলা হয়েছে। এখানে কেয়ামতের কথা বলা হয়েছে, আমরা জানি না সেসময় পরিস্থিতি কেমন হবে। আমাদের প্রচলিত ৪ মাত্রা ব্যাতীতও আরো মাত্রা রয়েছে। সেসময় বিভিন্ন মাত্রার সংঘর্ষে আমাদের প্রচলিত মাত্রায় ছিদ্র, দরজা বা Para dimensional Door সৃষ্টি হওয়া কি অস্বাভাবিক, যেমনটা এভেঞ্জার্স মুভিতে দেখানো হয়েছে।
একিসাথে নাস্তিকরা বোধহয় জীবনেও Wormhole এর কথা শুনে নাই। আলবার্ট আইনস্টাইন ও নাথান রোজেন ১৯৩৫ সালে গবেষনা করে দেখেন যে স্থান-কালের অভ্যন্তরে এক প্রকার সেতু ও গহবরের অস্তিত্ত্ব রয়েছে। এই পথসমুহকেই বলা হয় আইনস্টাইন রোজেন সেতু বা ওয়ার্মহোল। তত্ত্বীয়ভাবে এটি এমন একটি সংক্ষিপ্ত গমনপথ, দরজা কিংবা ছিদ্র যা দ্বারা স্থান কালের ভেতর দিয়ে মহাবিশ্বের এক স্থান থেকে দীর্ঘ দূরত্বে অন্য স্থানে ভ্রমন সম্ভব করে। https://en.wikipedia.org/wiki/Wormhole
তো কেয়ামতের সময় আমাদের মহাশূন্যে ওয়ার্মহোল সৃষ্টি হওয়া কি অযৌক্তিক নাকি মুর্খ নাস্তিকদের খাতায় অবৈজ্ঞানিক ?
একিসাথে আকাশে ছিদ্র হবার আরো অনেক উপায় রয়েছে।
প্রথমে আকাশের সংজ্ঞাটা জেনে নিই, কারন অনেক মুর্খ নাস্তিক আবার কোরানকে ভুল প্রমান করতে গিয়ে বলে বসে যে, আকাশ বলে কোণ কিছুর অস্তিত্বই নেই। আকাশ শব্দটাই নাকি বৈজ্ঞানিক ভুল। আসলে তারা ইসলামকে ভুল প্রমান করতে কতখানি অজ্ঞতার পরিচয় দিতে পারে এটাই তার প্রমান।
আকাশের সংজ্ঞা হিসেবে উইকিপিডিয়াতে আছে,
The sky (or celestial dome) is everything that lies above the surface of the Earth, including the atmosphere and outer space.
https://en.wikipedia.org/wiki/Sky
অর্থাৎ পৃথিবি ব্যাতীত সব কিছুই আকাশ। পৃথিবি পৃষ্ট হতে উপরে বায়ুমন্ডল ও তার বাইরের সব কিছুই আকাশ এর অন্তর্গত।
অর্থাৎ বায়ুমন্ডলও আকাশের অন্তর্গত, এবং এই বায়ুমন্ডোলের ওজনস্তরেও এমনকি ছিদ্র হতে পারে যাকে বলা বলা হয় Ozone Depletion
https://en.wikipedia.org/wiki/Ozone_depletion
hole in the ozone layer
এখন মুর্খ নাস্তিকরা কি বলবে ? আকাশে ছিদ্র অবৈজ্ঞানিক নাকি এগুলো না জেনে কোরানকে অবৈজ্ঞানিক বলা তাদের মুর্খতা?
নাস্তিকেরা আরো একটি আয়াত নিয়ে প্রশ্ন করে,
তারা কি তাদের উপরস্থিত তাদের আকাশের পানে দৃষ্টিপাত কর না আমি কিভাবে তা নির্মাণ করেছি এবং সুশোভিত করেছি? তাতে কোন ছিদ্রও নেই।"(৫০:৬)
জবাবঃ
নাস্তিকদের মতে এই আয়াতে আছে আকাশে কোণ ছিদ্র নেই, তারমানে নাকি কোরানে বলা হচ্ছে আকাশ শক্ত পদার্থ।
মূলত নাস্তিকদের অনেকগুলা হাস্যকর অভিযোগের মধ্যে এটা একটা। যেখানে বলা আছে ছিদ্র নেই, সেখানে নাকি বুঝানো হয়েছে আকাশ শক্ত পদার্থ। আমি তো সমুদ্রের দিকেও তাকিয়ে কাউকে বলতে পারি, এতে কোণ ছিদ্র নেই ? এরমানে কি আমি এটা বুঝাচ্ছি সমুদ্র ধাতব কিছু ? হাস্যকর।
তাদের আনিত আকাশ সংক্রান্ত তথাকথিত ভুলের আরো কিছু আয়াত,
তিনি আকাশ স্থির রাখেন,যাতে তাঁর আদেশ ব্যতীত ভূপৃষ্টে পতিত না হয়। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি করুণাশীল, দয়াবান। (২২:৬৫)
আমি ইচ্ছা করলে তাদের সহ ভূমি ধসিয়ে দেব অথবা আকাশের কোন খণ্ড তাদের উপর পতিত করব। (৩৪:৯).
জবাবঃ
সাইন্স সম্পর্কে অজ্ঞ মুর্খরা এখানেও বৈজ্ঞানিক ভুল দেখবে, বলবে আকাশ তো শক্ত পদার্থ নয়, এবং তা মানুষের মাথায় ফেলাও সম্ভব নয়। তা স্থির থাকে না ইত্যাদি।
প্রথমত, কোরান (২২:৬৫) এ অনুবাদটি তারা ভুল প্রদান করে, এখানে হবে, “তিনি আকাশকে নিবৃত রাখেন, যাতে তা ভূপৃষ্টে পতিত না হয়।” সহী ইন্টারন্যাশনাল থেকে অনুবাদ চেক করুন https://quran.com/22/65
নিবৃত আর স্থির রাখা দুটির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
যাক গে, আমরা আগেই জেনেছি আকাশ বলতে কি বোঝা যায়, ভূপৃষ্ট ব্যাতীত সকল কিছুই অর্থাৎ গ্রহ, নক্ষত্র, বা স্পেস পার্টিকেল সব কিছুই আকাশের অন্তর্গত। আর আমরা জানি যে গ্রাভিটেশনাল ফোর্স দ্বারা এই সব কিছুই নিয়ন্ত্রিত। যদি তা না হত তবে যেকোন সময় গ্রহ উপগ্রহের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হত, যেকোন গ্রহ বা গ্রহানু আমাদের পৃথিবীর উপর এসে পড়তে পারত ও পৃথিবী ধংস হয়ে যেত। তাই কোরানে যথার্থই বলা হয়েছে, তিনি আকাশকে নিবৃত রাখেন যাতে তা আমাদের উপরে এসে না পড়ে।
একিসাথে কেয়ামতের সময় ন্যাচারাল অর্ডার ব্যাহত হবে। মহাবিশ্ব তখন সংকুচিত হবে, ধংস হবে। তাই দ্বিতীয় আয়াতটি কোরান (৩৪:৯) অনুসারে আকাশের কোণ অংশ অর্থাৎ গ্রহানু, উল্কা বা মহাবৈশ্বিক পার্টিকেল পৃথিবীর উপর আচড়ে পড়া খুবই যুক্তিযুক্ত। কোরানও সেটাই বলেছে।
একিসাথে আমরা যদি সহী ইনটারন্যাশনাল এর অনুবাদ দেখি, তো দেখতে পাব, কথাটি আরো স্পষ্ট, এখানে বলা আছে,
let fall upon them fragments from the sky
https://quran.com/34/9
অর্থাৎ আকাশের টুকরো নয় বরং আকাশ থেকে টুকরো ফেলা হবে , যেটা স্পষ্টভাবে গ্রহানু বা Asteroid কে নির্দেশ করে।
Asteroid
নাস্তিকদের অভিযুক্ত আয়াত,
"আমি আকাশকে সুরক্ষিত ছাদ করেছি; অথচ তারা আমার আকাশস্থ নিদর্শনাবলী থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে,"(২১:৩২)
জবাবঃ
আকাশ সুরক্ষিত ছাদ এটা নাকি আবার বৈজ্ঞানিক ভুল। মুর্খরা ছাদ মানেই কঠিন কিছু ধরে নিয়েছে। ছাদ মানে এমন কিছু যা আমাদের রক্ষা করে উপর হতে, এবং নিসন্দেহে আকাশ আমাদের সুরক্ষিত ছাদও। আমাদের বায়ুমন্ডল এর ওজনস্তর ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রশ্নি থেকে আমাদের প্রতিনিয়ত রক্ষা করে। অর্থাৎ আকাশ আমাদের নিকট একিসাথে সুরক্ষার ছাদও। আমরা প্রায়শই পরিবারের অভিভাবককে, বিশেষ করে বাবাকে বলি, তিনি পরিবারের সুরক্ষার ছাদ কিংবা ঢাল। কারন তিনি বিপদ আপদ থেকে পরিবারকে রক্ষা করেন। এরমানে কি আমরা বুঝাই যে বাবা ধাতব পদার্থের তৈরি। চিন্তা চেতনায় প্রতিবন্ধী নাস্তিকদের থেকে এমন ধারনাই আশা করা যায়।
সেইসাথে নাস্তিকদের চ্যালেঞ্জ দিয়ে গেলাম, পারলে কোরান থেকে একটা মাত্র লাইন বের করে দেখাক যেখানে লেখা আছে আকাশ শক্ত পদার্থ দিয়ে তৈরি। ওপেন চ্যালেঞ্জ।
এরপরে কোরানে আকাশ সংক্রান্ত সবচেয়ে বহুল প্রচলিত অভিযোগ, সেটি হচ্ছে ৭ আকাশ।
৭ আকাশের বক্তব্য রয়েছে, কোরান (৬৭:৩-৫) (৭১: ১৫-১৬) (৪১:১২) সহ বিভিন্ন জায়গায়।
জবাবঃ
৭ আকাশ মোটেও কোণ বৈজ্ঞানিক ভুল নয়, বরং এটি কোরানের একটি মিরাকল। আকাশের সংজ্ঞা আমরা আগেই পেয়েছি, পৃথিবি ব্যাতীত সব কিছুই আকাশ। অর্থাৎ পুরো আকাশ বলতে বুঝায় পৃথিবী ব্যাতীত পুরো মহাবিশ্বকে। আর কোয়ান্টাম সাইন্স অনুসারে আমাদের এরকম মহাবিশ্বই একমাত্র নয়, বরং রয়েছে একাধিক। এখানে চলে আসে মাল্টিভার্স থিওরী, যা বলে আমাদের দৃশ্যমান মহাবিশ্ব একটি নয়, অসংখ্য। আমাদের মহাবিশ্ব যদি কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশনের মধ্য দিয়ে স্থান-কালের শূন্যতার ভিতর দিয়ে আবির্ভূত হয়ে থাকে, তবে এই পুরো প্রক্রিয়াটি কিন্তু একাধিকবার ঘটতে পারে, এবং হয়ত বাস্তবে ঘটেছেও। ধারণা করা হয় যে, ইনফ্লেশনের মাধ্যমে সম্প্রসারিত মহাজাগতিক বুদ্বুদ থেকে আমাদের মহাবিশ্বের মতই অসংখ্য মহাবিশ্ব তৈরী হয়েছে, যেগুলো একটা অপরটা থেকে সংস্পর্শবিহীন অবস্থায় দূরে সরে গেছে। এ ধরনের অসংখ্য মহাবিশ্বের একটিতেই হয়ত আমরা অবস্থান করছি। আর এরকম অগনিত মহাবিশ্ব বা আকাশ রয়েছে আমাদের দৃশ্যমান আকাশ বা মহাবিশ্বের বাইরে।
তবে এখানে আবার নাস্তিকরা প্রশ্ন করবে যে, মাল্টিভার্স তত্ব অনুসারে মহাবিশ্ব ৭ টি নয়, বরং অগনিত। কিন্তু কোরান তো বলল মাত্র ৭ টির কথা ?
এখানে জবাব হচ্ছে, আরবীতে ৭ শব্দটির একটি বিশেষ অর্থ রয়েছে। ক্ষেত্র বিশেষে আরবীতে ৭ অগনিত সংখ্যাকে নির্দেশ করে।
যেমন (Quran 65:12 ) এ Dr. Kamal Omar অনুবাদ করেছেন,
65:12
Allah is That Who created seven (or many) heavens and of the earth the like thereof (i.e., seven or many).
Dr. Mohammad Tahir-ul-Qadri Quran 71:15 এ অনুবাদ করেছেন,
Have you not seen how Allah has created seven (or many) heavenly spheres corresponding to one another (layer upon layer)?
অর্থাৎ তারা উভয়ই ৭ কে শুধু সেভেন নয়, বরং Many ও অনুবাদ করেছেন।
একিসাথে ৭ আকাশের জবাব আরো একভাবে দেয়া যায় তা হচ্ছে কোরানে এখানে যে শব্দটি এসেছে তা হচ্ছে ‘সামাওয়াত’ ‘সামাওয়াতিন’ ইত্যাদি, প্রচলিত সকল অনুবাদকই যার অনুবাদ Sky নয় বরং Heaven করেছেন।
http://corpus.quran.com/translation.jsp?chapter=67&verse=3
তাই আরেকভাবে বলা যায়, এখানে ৭ স্বর্গের কথা বলা হয়েছে, আমাদের আকাশের কথা নয়। আর স্বর্গ নরক যেহেতু আপাতদৃষ্টিতে দৃশ্যমান নয় তাই এটী ভুল বা শুদ্ধ প্রমান অপ্রমানের কোণ উপায়ও নেই।


উত্তর দিয়েছেন
আহমাদ আহমাদ
নাস্তিকদের জবাব

কুরআনে আকাশকে শক্ত পদার্থের তৈরি বলেছে।

Posted by Adam Simon  |  No comments

কোরানে আকাশ নিয়ে নাস্তিকদের অজ্ঞতা ও মিথ্যাচারের জবাবঃ

ছবিটি একটি মুভির দৃশ্য, এটি একটি জনপ্রিয় সায়েন্স ফিকসান মুভি, নাম Avengers. যারা মুভিটি দেখেছেন তাদের নিশ্চয়ই এই দৃশ্যের কথা মনে আছে। এখানে দেখা যাচ্ছে আকাশে একটি ছিদ্র তৈরি হয়েছে। মুভিটি যখন আমরা দেখেছি, কারো কাছেই মনে হয়নি যে এটি একটি বৈজ্ঞানিক ভুল। কারন আমরা উক্ত ঘটনাটির ব্যাগ্রাউন্ড তথ্যটা জানি। মুভির কাহিনি অনুসারে আমরা দেখতে পাই এখানে দুটি ভিন্ন ওয়ার্ল্ড বা দুটি ভিন্ন ডাইমেনশনের দরজা ওপেন হয়েছে, যেখান থেকে অন্য মাত্রার প্রানীরা আমাদের মাত্রায় প্রবেশ করছে। আকাশে এটি এমনভাবে ওপেন হয়েছে যেন একটি ছিদ্র।
এবার কোরানের দুটি আয়াত দেখি,
আকাশ উম্মুক্ত হয়ে; তাতে বহু দরজা সৃষ্টি হবে। (৭৮:১৯)
যখন আকাশ ছিদ্রযুক্ত হবে (কোরান ৭৭:৯)
নাস্তিকরা এই আয়াত দুটিকে বৈজ্ঞানিক ভুল বলে প্রচার করে, তাদের মতে আকাশ শক্ত পদার্থ নয়, এবং তাতে ছিদ্র বা দরজা হওয়া সম্ভব নয়।
জবাবঃ
এখানেই নাস্তিকদের চিন্তা ও জ্ঞানের দৈন্যতা। এই দুটো আয়াতে কেয়ামতের সময়ের একটা কথা বলা হয়েছে। এখানে কেয়ামতের কথা বলা হয়েছে, আমরা জানি না সেসময় পরিস্থিতি কেমন হবে। আমাদের প্রচলিত ৪ মাত্রা ব্যাতীতও আরো মাত্রা রয়েছে। সেসময় বিভিন্ন মাত্রার সংঘর্ষে আমাদের প্রচলিত মাত্রায় ছিদ্র, দরজা বা Para dimensional Door সৃষ্টি হওয়া কি অস্বাভাবিক, যেমনটা এভেঞ্জার্স মুভিতে দেখানো হয়েছে।
একিসাথে নাস্তিকরা বোধহয় জীবনেও Wormhole এর কথা শুনে নাই। আলবার্ট আইনস্টাইন ও নাথান রোজেন ১৯৩৫ সালে গবেষনা করে দেখেন যে স্থান-কালের অভ্যন্তরে এক প্রকার সেতু ও গহবরের অস্তিত্ত্ব রয়েছে। এই পথসমুহকেই বলা হয় আইনস্টাইন রোজেন সেতু বা ওয়ার্মহোল। তত্ত্বীয়ভাবে এটি এমন একটি সংক্ষিপ্ত গমনপথ, দরজা কিংবা ছিদ্র যা দ্বারা স্থান কালের ভেতর দিয়ে মহাবিশ্বের এক স্থান থেকে দীর্ঘ দূরত্বে অন্য স্থানে ভ্রমন সম্ভব করে। https://en.wikipedia.org/wiki/Wormhole
তো কেয়ামতের সময় আমাদের মহাশূন্যে ওয়ার্মহোল সৃষ্টি হওয়া কি অযৌক্তিক নাকি মুর্খ নাস্তিকদের খাতায় অবৈজ্ঞানিক ?
একিসাথে আকাশে ছিদ্র হবার আরো অনেক উপায় রয়েছে।
প্রথমে আকাশের সংজ্ঞাটা জেনে নিই, কারন অনেক মুর্খ নাস্তিক আবার কোরানকে ভুল প্রমান করতে গিয়ে বলে বসে যে, আকাশ বলে কোণ কিছুর অস্তিত্বই নেই। আকাশ শব্দটাই নাকি বৈজ্ঞানিক ভুল। আসলে তারা ইসলামকে ভুল প্রমান করতে কতখানি অজ্ঞতার পরিচয় দিতে পারে এটাই তার প্রমান।
আকাশের সংজ্ঞা হিসেবে উইকিপিডিয়াতে আছে,
The sky (or celestial dome) is everything that lies above the surface of the Earth, including the atmosphere and outer space.
https://en.wikipedia.org/wiki/Sky
অর্থাৎ পৃথিবি ব্যাতীত সব কিছুই আকাশ। পৃথিবি পৃষ্ট হতে উপরে বায়ুমন্ডল ও তার বাইরের সব কিছুই আকাশ এর অন্তর্গত।
অর্থাৎ বায়ুমন্ডলও আকাশের অন্তর্গত, এবং এই বায়ুমন্ডোলের ওজনস্তরেও এমনকি ছিদ্র হতে পারে যাকে বলা বলা হয় Ozone Depletion
https://en.wikipedia.org/wiki/Ozone_depletion
hole in the ozone layer
এখন মুর্খ নাস্তিকরা কি বলবে ? আকাশে ছিদ্র অবৈজ্ঞানিক নাকি এগুলো না জেনে কোরানকে অবৈজ্ঞানিক বলা তাদের মুর্খতা?
নাস্তিকেরা আরো একটি আয়াত নিয়ে প্রশ্ন করে,
তারা কি তাদের উপরস্থিত তাদের আকাশের পানে দৃষ্টিপাত কর না আমি কিভাবে তা নির্মাণ করেছি এবং সুশোভিত করেছি? তাতে কোন ছিদ্রও নেই।"(৫০:৬)
জবাবঃ
নাস্তিকদের মতে এই আয়াতে আছে আকাশে কোণ ছিদ্র নেই, তারমানে নাকি কোরানে বলা হচ্ছে আকাশ শক্ত পদার্থ।
মূলত নাস্তিকদের অনেকগুলা হাস্যকর অভিযোগের মধ্যে এটা একটা। যেখানে বলা আছে ছিদ্র নেই, সেখানে নাকি বুঝানো হয়েছে আকাশ শক্ত পদার্থ। আমি তো সমুদ্রের দিকেও তাকিয়ে কাউকে বলতে পারি, এতে কোণ ছিদ্র নেই ? এরমানে কি আমি এটা বুঝাচ্ছি সমুদ্র ধাতব কিছু ? হাস্যকর।
তাদের আনিত আকাশ সংক্রান্ত তথাকথিত ভুলের আরো কিছু আয়াত,
তিনি আকাশ স্থির রাখেন,যাতে তাঁর আদেশ ব্যতীত ভূপৃষ্টে পতিত না হয়। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি করুণাশীল, দয়াবান। (২২:৬৫)
আমি ইচ্ছা করলে তাদের সহ ভূমি ধসিয়ে দেব অথবা আকাশের কোন খণ্ড তাদের উপর পতিত করব। (৩৪:৯).
জবাবঃ
সাইন্স সম্পর্কে অজ্ঞ মুর্খরা এখানেও বৈজ্ঞানিক ভুল দেখবে, বলবে আকাশ তো শক্ত পদার্থ নয়, এবং তা মানুষের মাথায় ফেলাও সম্ভব নয়। তা স্থির থাকে না ইত্যাদি।
প্রথমত, কোরান (২২:৬৫) এ অনুবাদটি তারা ভুল প্রদান করে, এখানে হবে, “তিনি আকাশকে নিবৃত রাখেন, যাতে তা ভূপৃষ্টে পতিত না হয়।” সহী ইন্টারন্যাশনাল থেকে অনুবাদ চেক করুন https://quran.com/22/65
নিবৃত আর স্থির রাখা দুটির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
যাক গে, আমরা আগেই জেনেছি আকাশ বলতে কি বোঝা যায়, ভূপৃষ্ট ব্যাতীত সকল কিছুই অর্থাৎ গ্রহ, নক্ষত্র, বা স্পেস পার্টিকেল সব কিছুই আকাশের অন্তর্গত। আর আমরা জানি যে গ্রাভিটেশনাল ফোর্স দ্বারা এই সব কিছুই নিয়ন্ত্রিত। যদি তা না হত তবে যেকোন সময় গ্রহ উপগ্রহের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হত, যেকোন গ্রহ বা গ্রহানু আমাদের পৃথিবীর উপর এসে পড়তে পারত ও পৃথিবী ধংস হয়ে যেত। তাই কোরানে যথার্থই বলা হয়েছে, তিনি আকাশকে নিবৃত রাখেন যাতে তা আমাদের উপরে এসে না পড়ে।
একিসাথে কেয়ামতের সময় ন্যাচারাল অর্ডার ব্যাহত হবে। মহাবিশ্ব তখন সংকুচিত হবে, ধংস হবে। তাই দ্বিতীয় আয়াতটি কোরান (৩৪:৯) অনুসারে আকাশের কোণ অংশ অর্থাৎ গ্রহানু, উল্কা বা মহাবৈশ্বিক পার্টিকেল পৃথিবীর উপর আচড়ে পড়া খুবই যুক্তিযুক্ত। কোরানও সেটাই বলেছে।
একিসাথে আমরা যদি সহী ইনটারন্যাশনাল এর অনুবাদ দেখি, তো দেখতে পাব, কথাটি আরো স্পষ্ট, এখানে বলা আছে,
let fall upon them fragments from the sky
https://quran.com/34/9
অর্থাৎ আকাশের টুকরো নয় বরং আকাশ থেকে টুকরো ফেলা হবে , যেটা স্পষ্টভাবে গ্রহানু বা Asteroid কে নির্দেশ করে।
Asteroid
নাস্তিকদের অভিযুক্ত আয়াত,
"আমি আকাশকে সুরক্ষিত ছাদ করেছি; অথচ তারা আমার আকাশস্থ নিদর্শনাবলী থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে,"(২১:৩২)
জবাবঃ
আকাশ সুরক্ষিত ছাদ এটা নাকি আবার বৈজ্ঞানিক ভুল। মুর্খরা ছাদ মানেই কঠিন কিছু ধরে নিয়েছে। ছাদ মানে এমন কিছু যা আমাদের রক্ষা করে উপর হতে, এবং নিসন্দেহে আকাশ আমাদের সুরক্ষিত ছাদও। আমাদের বায়ুমন্ডল এর ওজনস্তর ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রশ্নি থেকে আমাদের প্রতিনিয়ত রক্ষা করে। অর্থাৎ আকাশ আমাদের নিকট একিসাথে সুরক্ষার ছাদও। আমরা প্রায়শই পরিবারের অভিভাবককে, বিশেষ করে বাবাকে বলি, তিনি পরিবারের সুরক্ষার ছাদ কিংবা ঢাল। কারন তিনি বিপদ আপদ থেকে পরিবারকে রক্ষা করেন। এরমানে কি আমরা বুঝাই যে বাবা ধাতব পদার্থের তৈরি। চিন্তা চেতনায় প্রতিবন্ধী নাস্তিকদের থেকে এমন ধারনাই আশা করা যায়।
সেইসাথে নাস্তিকদের চ্যালেঞ্জ দিয়ে গেলাম, পারলে কোরান থেকে একটা মাত্র লাইন বের করে দেখাক যেখানে লেখা আছে আকাশ শক্ত পদার্থ দিয়ে তৈরি। ওপেন চ্যালেঞ্জ।
এরপরে কোরানে আকাশ সংক্রান্ত সবচেয়ে বহুল প্রচলিত অভিযোগ, সেটি হচ্ছে ৭ আকাশ।
৭ আকাশের বক্তব্য রয়েছে, কোরান (৬৭:৩-৫) (৭১: ১৫-১৬) (৪১:১২) সহ বিভিন্ন জায়গায়।
জবাবঃ
৭ আকাশ মোটেও কোণ বৈজ্ঞানিক ভুল নয়, বরং এটি কোরানের একটি মিরাকল। আকাশের সংজ্ঞা আমরা আগেই পেয়েছি, পৃথিবি ব্যাতীত সব কিছুই আকাশ। অর্থাৎ পুরো আকাশ বলতে বুঝায় পৃথিবী ব্যাতীত পুরো মহাবিশ্বকে। আর কোয়ান্টাম সাইন্স অনুসারে আমাদের এরকম মহাবিশ্বই একমাত্র নয়, বরং রয়েছে একাধিক। এখানে চলে আসে মাল্টিভার্স থিওরী, যা বলে আমাদের দৃশ্যমান মহাবিশ্ব একটি নয়, অসংখ্য। আমাদের মহাবিশ্ব যদি কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশনের মধ্য দিয়ে স্থান-কালের শূন্যতার ভিতর দিয়ে আবির্ভূত হয়ে থাকে, তবে এই পুরো প্রক্রিয়াটি কিন্তু একাধিকবার ঘটতে পারে, এবং হয়ত বাস্তবে ঘটেছেও। ধারণা করা হয় যে, ইনফ্লেশনের মাধ্যমে সম্প্রসারিত মহাজাগতিক বুদ্বুদ থেকে আমাদের মহাবিশ্বের মতই অসংখ্য মহাবিশ্ব তৈরী হয়েছে, যেগুলো একটা অপরটা থেকে সংস্পর্শবিহীন অবস্থায় দূরে সরে গেছে। এ ধরনের অসংখ্য মহাবিশ্বের একটিতেই হয়ত আমরা অবস্থান করছি। আর এরকম অগনিত মহাবিশ্ব বা আকাশ রয়েছে আমাদের দৃশ্যমান আকাশ বা মহাবিশ্বের বাইরে।
তবে এখানে আবার নাস্তিকরা প্রশ্ন করবে যে, মাল্টিভার্স তত্ব অনুসারে মহাবিশ্ব ৭ টি নয়, বরং অগনিত। কিন্তু কোরান তো বলল মাত্র ৭ টির কথা ?
এখানে জবাব হচ্ছে, আরবীতে ৭ শব্দটির একটি বিশেষ অর্থ রয়েছে। ক্ষেত্র বিশেষে আরবীতে ৭ অগনিত সংখ্যাকে নির্দেশ করে।
যেমন (Quran 65:12 ) এ Dr. Kamal Omar অনুবাদ করেছেন,
65:12
Allah is That Who created seven (or many) heavens and of the earth the like thereof (i.e., seven or many).
Dr. Mohammad Tahir-ul-Qadri Quran 71:15 এ অনুবাদ করেছেন,
Have you not seen how Allah has created seven (or many) heavenly spheres corresponding to one another (layer upon layer)?
অর্থাৎ তারা উভয়ই ৭ কে শুধু সেভেন নয়, বরং Many ও অনুবাদ করেছেন।
একিসাথে ৭ আকাশের জবাব আরো একভাবে দেয়া যায় তা হচ্ছে কোরানে এখানে যে শব্দটি এসেছে তা হচ্ছে ‘সামাওয়াত’ ‘সামাওয়াতিন’ ইত্যাদি, প্রচলিত সকল অনুবাদকই যার অনুবাদ Sky নয় বরং Heaven করেছেন।
http://corpus.quran.com/translation.jsp?chapter=67&verse=3
তাই আরেকভাবে বলা যায়, এখানে ৭ স্বর্গের কথা বলা হয়েছে, আমাদের আকাশের কথা নয়। আর স্বর্গ নরক যেহেতু আপাতদৃষ্টিতে দৃশ্যমান নয় তাই এটী ভুল বা শুদ্ধ প্রমান অপ্রমানের কোণ উপায়ও নেই।


উত্তর দিয়েছেন
আহমাদ আহমাদ

12:00 Share:
প্রশ্নঃ- হিজড়াদের ব্যাপারে ইসলামে কোন বিধান নাই। সুতরাং এটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান হতে পারেনা।


জবাবঃ-
হিজড়াদের ক্ষেত্রে বিধান হল তাদের নারী বা পুরুষের যে কোন একটি ক্যাটাগরিতে ফেলতে হবে। রাসূল (সা) এ ব্যাপারে একটি মূলনীতি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সেটা হল, দেখতে হবে হিজড়ার প্রস্রাব করার অঙ্গটি কেমন? সে কি পুরুষদের গোপনাঙ্গ দিয়ে প্রস্রাব করে? না নারীদের মত গোপনাঙ্গ দিয়ে প্রস্রাব করে? গোপনাঙ্গ যাদের মত হবে হুকুম তাদের মতই হবে। অর্থাৎ গোপনাঙ্গ যদি পুরুষালী হয়, তাহলে পুরুষ। যদি নারীর মত হয়, তাহলে নারী। আর যদি কোনটিই বুঝা না যায়। তাহলে তাকে নারী হিসেবে গণ্য করা হবে।
সুতরাং দাফন করার সময় দেখতে হবে পুরুষের ক্যাটাগরিতে অন্তুর্ভূক্ত না নারীর? যেটার অন্তুর্ভূক্ত সে অনুযায়ী দাফন হবে। আর যদি কোন ক্যাটাগড়িতেই না পরে, তাহলে নারীর মত কাফন দাফন করা হবে। তবে এক্ষেত্রে ফুক্বাহায়ে কেরাম একটি পার্থক্যের কথা বলেন যে, এরকম হিজড়াকে গোসল দেয়া হবে না। বরং তায়াম্মুম করানো হবে, যদি রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয় থাকে, তাহলে সে তাকে তায়াম্মুম করাবে। না থাকলে অন্যরা হাতে পট্টি লাগিয়ে তায়াম্মুম করাবে।
হযরত আলী (রা) রাসূল (সা) কে প্রসূত বাচ্চা যে পুরুষ না নারী তা জানা যায় না তার বিধান কি? জিজ্ঞাসা করলেন। রাসূল (সা) জবাব দিলেন যে, সে মিরাস পাবে যেভাবে প্রস্রাব করে।
{সুনানে বায়হাকী কুবরা, হাদীস নং-১২৯৪, কানযুল উম্মাল, হাদীস নং-৩০৪০৩, মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-১৯২০৪ )
হিজড়া মূলত ৪ প্রকার।
১. মূলত পুরুষ (তবে নারীর বেশে চলে)। এদের আকুয়া বলা হয়। এরা মেয়েদের বিয়ে করতে পারবে।
২. নারী (বেশেও তাই, তবে দাড়ি মোচ আছে)।জেনানা বলা হয়। পুরুষের কাছে বিয়ে বসতে পারবে।
৩. উভলিঙ্গিক বা লিঙ্গহীন (বেশে যাই হোক)।আরবিতে 'খুনসা মুশকিল 'বলা হয়। আদালত অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও উলামাদের পরামর্শে সমাধান দিবে। যেমন হযরত আলী (রাঃ) দিয়েছেন।
৪. কৃত্তিমভাবে যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে বানানো হিজড়া। খোঁজা বলা হয়। যৌন অক্ষমতার দরুন বিবাহ করা বা বসা হারাম।
আকুয়া এবং জেনানাদের লিঙ্গ নির্ধারণ দৃশ্যত সম্ভব হলেও এদের অনেকের লিঙ্গ কাজের বেলায় অক্ষম কিংবা প্রজননে ব্যর্থ হয়। সেক্ষেত্রে এদের জন্যও বিয়ে হারাম হবে। মোটকথা এধরনের যৌন প্রতিবন্ধিদের বিয়ের আগে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট নেয়া জরুরী।
উভয় লিঙ্গ বিশীষ্ট হিজড়াদের লিঙ্গ নির্ধারণে কিছু পদ্ধতি:
১. মূত্র যে লিঙ্গ দিয়ে বের হবে সে সেই লিঙ্গের । যদি মূত্র উভয় লিঙ্গ দিয়েই বের হয় তবে নিয়ম ভিন্ন । যদি মূত্র এক সাথে উভয় লিঙ্গ হতে বের হওয়া বন্ধ হয় তবে যেটা দিয়ে প্রথম বের হইছে সেই লিঙ্গ হবে সে । যদি উভয় লিঙ্গ হতে এক সাথে বের হওয়া শুরু হয় তবে যেটাতে অধিক সময় ধরে মূত্র বের হবে সে সেই লিঙ্গের । যদি না বুঝা যায় তবে সে উভলিঙ্গই থাকবে ।
২. বয়সন্ধির সময় যদি তার বীর্যপাত নিয়মিত হয় তবে পুরুষ , ঋতুঃস্রাব নিয়মিত হলে মেয়ে ।
৩. যদি পুরুষের দিকে আকৃষ্ট হয় তবে নারী ধরা হবে , যদি নারীর দিকে আকৃষ্ট হয় তবে পুরুষ ধরা হবে । কিন্তু উভয়ের দিকে আকর্ষণ বা কোন আকর্ষণ না থাকলে সে উভলিঙ্গই থাকবে ।
৪. শারীরিক বৈশিষ্ট্য যেমন দাড়ি হওয়া , স্তন হওয়া ইত্যাদি লিঙ্গ নির্ধারণে সহায়ক হবে ।
তথ্যসূত্র
হেদায়া-২/৭০১
ফাতাওয়া তাতারখানিয়া-২০/১৯৬
নসবুর রায়াহ-৪/৪১৭
ফাতাওয়া আলমগীরী-১/১৬০-১৬১}
তাহতাবী আলা মারাকিল ফালাহ-৫৭৩
ফাতহুল কাদীর-১০/৫৪৮-৫৪৯
ফাতাওয়া শামী-৩/৯৯
আল বাহরুর রায়েক-২/৩০৫
বাদায়েউস সানায়ে-৬/৪১৮ l


উত্তর দিয়েছেন
নাহিদ ইসলাম
নাস্তিকদের জবাব

ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন বিধান হতে পারেনা।কারন হিজড়াদের সম্পর্কে ইসলামে কোন বিধান নেই অথচ হিজড়া ও মানুষ।

Posted by Adam Simon  |  No comments

প্রশ্নঃ- হিজড়াদের ব্যাপারে ইসলামে কোন বিধান নাই। সুতরাং এটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান হতে পারেনা।


জবাবঃ-
হিজড়াদের ক্ষেত্রে বিধান হল তাদের নারী বা পুরুষের যে কোন একটি ক্যাটাগরিতে ফেলতে হবে। রাসূল (সা) এ ব্যাপারে একটি মূলনীতি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সেটা হল, দেখতে হবে হিজড়ার প্রস্রাব করার অঙ্গটি কেমন? সে কি পুরুষদের গোপনাঙ্গ দিয়ে প্রস্রাব করে? না নারীদের মত গোপনাঙ্গ দিয়ে প্রস্রাব করে? গোপনাঙ্গ যাদের মত হবে হুকুম তাদের মতই হবে। অর্থাৎ গোপনাঙ্গ যদি পুরুষালী হয়, তাহলে পুরুষ। যদি নারীর মত হয়, তাহলে নারী। আর যদি কোনটিই বুঝা না যায়। তাহলে তাকে নারী হিসেবে গণ্য করা হবে।
সুতরাং দাফন করার সময় দেখতে হবে পুরুষের ক্যাটাগরিতে অন্তুর্ভূক্ত না নারীর? যেটার অন্তুর্ভূক্ত সে অনুযায়ী দাফন হবে। আর যদি কোন ক্যাটাগড়িতেই না পরে, তাহলে নারীর মত কাফন দাফন করা হবে। তবে এক্ষেত্রে ফুক্বাহায়ে কেরাম একটি পার্থক্যের কথা বলেন যে, এরকম হিজড়াকে গোসল দেয়া হবে না। বরং তায়াম্মুম করানো হবে, যদি রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয় থাকে, তাহলে সে তাকে তায়াম্মুম করাবে। না থাকলে অন্যরা হাতে পট্টি লাগিয়ে তায়াম্মুম করাবে।
হযরত আলী (রা) রাসূল (সা) কে প্রসূত বাচ্চা যে পুরুষ না নারী তা জানা যায় না তার বিধান কি? জিজ্ঞাসা করলেন। রাসূল (সা) জবাব দিলেন যে, সে মিরাস পাবে যেভাবে প্রস্রাব করে।
{সুনানে বায়হাকী কুবরা, হাদীস নং-১২৯৪, কানযুল উম্মাল, হাদীস নং-৩০৪০৩, মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-১৯২০৪ )
হিজড়া মূলত ৪ প্রকার।
১. মূলত পুরুষ (তবে নারীর বেশে চলে)। এদের আকুয়া বলা হয়। এরা মেয়েদের বিয়ে করতে পারবে।
২. নারী (বেশেও তাই, তবে দাড়ি মোচ আছে)।জেনানা বলা হয়। পুরুষের কাছে বিয়ে বসতে পারবে।
৩. উভলিঙ্গিক বা লিঙ্গহীন (বেশে যাই হোক)।আরবিতে 'খুনসা মুশকিল 'বলা হয়। আদালত অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও উলামাদের পরামর্শে সমাধান দিবে। যেমন হযরত আলী (রাঃ) দিয়েছেন।
৪. কৃত্তিমভাবে যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে বানানো হিজড়া। খোঁজা বলা হয়। যৌন অক্ষমতার দরুন বিবাহ করা বা বসা হারাম।
আকুয়া এবং জেনানাদের লিঙ্গ নির্ধারণ দৃশ্যত সম্ভব হলেও এদের অনেকের লিঙ্গ কাজের বেলায় অক্ষম কিংবা প্রজননে ব্যর্থ হয়। সেক্ষেত্রে এদের জন্যও বিয়ে হারাম হবে। মোটকথা এধরনের যৌন প্রতিবন্ধিদের বিয়ের আগে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট নেয়া জরুরী।
উভয় লিঙ্গ বিশীষ্ট হিজড়াদের লিঙ্গ নির্ধারণে কিছু পদ্ধতি:
১. মূত্র যে লিঙ্গ দিয়ে বের হবে সে সেই লিঙ্গের । যদি মূত্র উভয় লিঙ্গ দিয়েই বের হয় তবে নিয়ম ভিন্ন । যদি মূত্র এক সাথে উভয় লিঙ্গ হতে বের হওয়া বন্ধ হয় তবে যেটা দিয়ে প্রথম বের হইছে সেই লিঙ্গ হবে সে । যদি উভয় লিঙ্গ হতে এক সাথে বের হওয়া শুরু হয় তবে যেটাতে অধিক সময় ধরে মূত্র বের হবে সে সেই লিঙ্গের । যদি না বুঝা যায় তবে সে উভলিঙ্গই থাকবে ।
২. বয়সন্ধির সময় যদি তার বীর্যপাত নিয়মিত হয় তবে পুরুষ , ঋতুঃস্রাব নিয়মিত হলে মেয়ে ।
৩. যদি পুরুষের দিকে আকৃষ্ট হয় তবে নারী ধরা হবে , যদি নারীর দিকে আকৃষ্ট হয় তবে পুরুষ ধরা হবে । কিন্তু উভয়ের দিকে আকর্ষণ বা কোন আকর্ষণ না থাকলে সে উভলিঙ্গই থাকবে ।
৪. শারীরিক বৈশিষ্ট্য যেমন দাড়ি হওয়া , স্তন হওয়া ইত্যাদি লিঙ্গ নির্ধারণে সহায়ক হবে ।
তথ্যসূত্র
হেদায়া-২/৭০১
ফাতাওয়া তাতারখানিয়া-২০/১৯৬
নসবুর রায়াহ-৪/৪১৭
ফাতাওয়া আলমগীরী-১/১৬০-১৬১}
তাহতাবী আলা মারাকিল ফালাহ-৫৭৩
ফাতহুল কাদীর-১০/৫৪৮-৫৪৯
ফাতাওয়া শামী-৩/৯৯
আল বাহরুর রায়েক-২/৩০৫
বাদায়েউস সানায়ে-৬/৪১৮ l


উত্তর দিয়েছেন
নাহিদ ইসলাম

20:00 Share:

এক নাস্তিক ভাই বললেন তেনার কাছে কিছু প্রশ্ন আছে।তিনি সুন্দর ভাবে শুরু করলেও শেষের দিক গিয়ে বুঝলাম তিনি জানার উদ্দেশ্য প্রশ্ন করেন নি।একান্তই বিদ্বেষ থেকে প্রশ্ন গুলো করেছেন।একেবারে শেষে তো গালাগালি দেখলাম।যাই হোক গালি গুলো কেটে শুধু প্রশ্ন গুলো রাখলাম।এবং তার উত্তর গুলো দেওয়ার চেষ্টা করলাম।
**********************
নামাজ ৫০ থেকে ৫ ওয়াক্ত
***********************
...............................................................
আমরা সকলেই জানি যে, মেরাজ থেকে ফেরার সময় নবি ৫০ ওয়াক্ত নামাজ নিয়ে ফিরছিলেন। পথের মধ্যে মুসা নবির পরামর্শে নবি হজরত আল্লাহর কাছে বার বার দরবার করে নামাজকে তিনি ৫০ থেকে ৫ ওয়াক্তে নিয়ে আসেন। এই ব্যাপারে আমার কয়েকটা প্রশ্ন মনের মাঝে উঁকি দেয় অনেক দিন ধরেই। উত্তর পেলে হয়তোবা আমি ইমান ফিরে পেতাম। কোন মুমিন ভাই উত্তর গুলো দিলে উপকৃত হতাম। প্রশ্ন--------উত্তর
***************************
প্রশ্ন::আল্লাহ নিজের কথা বহুবার রদবদল করেছেন অথচ আল্লাহ কোরানে বলেছেন "আল্লাহ কোন রদবদল করেন না।"( ৩৫ঃ৪৩)।তাহলে এমনটি তিনি কেন করলেন?
উত্তর:: (৩৫:৪৩) এর পুরা আয়াত দেওয়ার সাহস প্রশ্ন কারী পান নি।যাই হোক,আল্লাহ আয়াতে বলেছেন এর আগে অনেক জাতী পাপ কাজ করে ধংস হয়েছে, এখন যারা একই কাজ করবে তাদেরও একই শাস্তি হবে।এরপর তিনি বললেন আল্লাহর পদ্ধতিতে কোন পরিবর্তন পাবে না।এই কথার অর্থ হল একই অপরাধে দুই জনের দুইটা আলাদা শাস্তি হবে না।পদ্ধতি চেঞ্জ না হওয়ার কথা বলা আছে।আর ৫০ ওয়াক্ত যেভাবে পড়তে হত, পাচ ওয়াক্ত ও সেইভাবেই পড়তে হয়।এখানে পদ্ধতিগত কোন পরিবর্তন আনা হয় নি।
**********************
কোরান অনুযায়ী আল্লাহ বান্দাদের উপর সাধ্যাতীত দায়িত্ব চাপিয়ে দেন না।কিন্তু প্রথমে সাধ্যাতীত দায়িত্ব চাপিয়ে পরে ভুল বুঝতে পারলেন। কেন?
উত্তর:: ৫০ ওয়াক্ত নামাজ সাধ্যাতিত নয়।এখানে তিনি ভুল বুঝার কিছু নাই।
*************************
আল্লাহ ও নবি হজরতের সিদ্ধান্তে অবজেকশন দেয়ার অপরাধে মুসা নবি কি "বেয়াদপ"এ পরিনত হলনা?
উত্তর:: আমাদের জন্য যেটা ভাল সেটাই আল্লাহ করে থাকেন।কিন্তু আমরা দোয়া করার মাধ্যমে রেজাল্টের পরিবর্তন চাই এটাকে অব্জেকশন বলে না।এটাকে করুনা ভিক্ষা চাওয়া বলে।
**********************
নবি হজরত এবং মুসা দুজনেই কি আল্লাহর আদেশ লঙ্ঘনকারী নয়?
উত্তর:: মালিকের কাছে চাচ্ছি,আমাদের মালিক চাইলেই খুশি হয়।যার কারনে তিনি কুরানে বিভিন্ন জায়গায় দোয়া করতে বলেছেন।তাই দোয়া করলে আল্লাহর আদেশ লংঘন করা হয় না
***********************
নবি মুসা কি মোহাম্মদ এবং আল্লাহর চেয়ে বিচক্ষন?
উত্তর:: বিচক্ষনতার ব্যাপার তখন আসে যখন দুই জনে প্রতিযোগিতা হয়।তখন বলা যায় কে বেশি বিচক্ষন।সৃষ্টিকর্তা তার বান্দাকে ইবাদাত করতে বললেন।রাসুল(স) কৃতজ্ঞতা বশত চুপ থাকলেন।আর মুসা(আ) তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন।এখানে বিচক্ষনতার প্রসংগ আনাই বোকামী।
***********************
যাই হোক বেচারা কে উত্তর দেওয়া হলে তিনি এবার মুল টপিক থেকে সরে গিয়ে উলটা পালটা প্রশ্ন করা শুরু করলেন।জানতাম এরকমই হবে।তারপরও তার উলটা পালটা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করা হল
*****************
আল্লাহ কে?
::মহাবিশ্বের দৃশ্যমান বা অদৃশ্য যা কিছু আছে সেই সব কিছুর সৃষ্টি কর্তা।
*******************
তিনি কোথায় থাকেন?
:: সাত আসমান উপরে আরশে আজীমে সমুন্নত আছেন।
*************************
সে আমাদের থেকে কতদূরে?
::আমাদের জ্ঞান বিজ্ঞান এখনও এতো দুরত্ব পরিমাপ করতে পারেনি।কিন্তু কোরানে আল্লাহ বলেছেন ফেরেস্তারা এমন একদিনে আমার কাছে আসে যা তোমাদের হিসেবে পঞ্চাশ হাজার বছর।এটা আপেক্ষিক গতির ব্যাপার।কিন্তু এখানে বেগের মান কত সেটা উল্লেখ করা হয়নি বলে আমাদের পক্ষে এর সঠিক দুরুত্ব নির্নয় করা সম্ভব হয়নি।
*********************
**তার নাম রেখেছে কে?
::আল্লাহ নিজেই নিজের নাম রেখেছেন(সুরা ইখলাস-১)
*********************
**আল্লাহ শব্দের অর্থ কি?
::আল্লাহ শব্দের কোন অর্থ নাই।যিনি এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি কর্তা তেনাকেই আল্লাহ নামে ডাকা হয়।
***********************
**অর্থ না থাকলে তিনি এই নাম ব্যবহার করেন কেন?
::নামের অর্থ থাকতে হবে এমন প্রয়োজনীয়তা নাই।যেমন আগুন, পানি, বাতাস এগুলোর কোন অর্থ নাই শুধু সংগা আছে।তাই নাম রাখার জন্য যদি কেউ অর্থের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে তাহলে বুঝতে হবে তার জ্ঞানের পরিসীমা অনেক কম।
*********************
** আল্লাহর উচ্চতা কতটুকু? তার ভর কত? তার ওজন কত? আল্লাহ বড় নাকি তার থাকার স্থান বড়? আল্লাহর কি নিঃশ্বাস গ্রহন করতে হয়? নিঃশ্বাস গ্রহন করলে তিনি কি ধরনের গ্যাস গ্রহন করেন? আল্লাহর কি প্রাণ আছে? তিনি কি প্রাণী?
এত বড় মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে তার লাভ/প্রয়োজন কি? তার ইবাদতের প্রয়োজন হয় কেন?তিনি কিভাবে নিজে নিজে সৃষ্টি হয়েছেন? চিরকাল ধরেই বা কিভাবে থাকেন যদি সৃষ্টি না হন?
::::উত্তর:::
আমাদের জ্ঞান বিজ্ঞান এই প্রশ্ন গুলো দেওয়ার মত যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি এখনও।আমাদের বিজ্ঞান আমাদের এই মহাবিশ্বের যা আছে তার ১% ও নির্দিষ্ট করে বলতে পারেনা।সে জ্ঞান কিভাবে মহাবিশ্বের বাইরের বিষয় বলবে।?তবে বিজ্ঞান ধীরে ধীরে সৃষ্টিকর্তা থাকার পিছনে যুক্তি খুজে পাচ্ছে।এবং বিজ্ঞানী গন কেউ কেউ সৃষ্টিকর্তাকে গনিত বীদও বলেও সম্বোধন করেছেন।
********************
***আল্লাহ যদি নিজে নিজে সৃষ্টি হতে পারে, তাহলে পৃথিবীতে প্রাণীর উদ্ভব কেন একা একা সৃষ্টি হতে পারবেনা?
:::আল্লাহ থাকার পক্ষে যুক্তি থাকলেও প্রাণী একা সৃষ্টি হওয়ার পিছনে বিজ্ঞান কোন যুক্তি দেখাতে পারেনা। শুধু যুক্তিই নয় উদ্দেশ্যও দেখাতে পারেনা।
**************************
***আল্লাহ কি আহার করেন? যদি তিনি আহার ছাড়াই বেচে থাকতে পারে তাহলে তার ইবাদতের ভুখা কেনো? তার ইবাদতের প্রয়োজন কেন?
::ইবাদাত তেনার খিদা নিভারন করেনা।তাই বলা যায় তিনি ইবাদাতের ভুখা এই কথা ভুল।আমাদের যে সকল ইবাদাত করতে বলা হয়েছে সেগুলো আমাদের জন্য উপকারী,তেনার কোন উপকারে আসেনা।যেমন নামাজ আমাদের শারিরিক ফিটনেস ঠিক রাখে।রোজার উপকারীতা বলার অপেক্ষা রাখেনা।এখন মুস্লিমদের ভাইরেই অনেকে উপবাস থাকে।যাকাত আল্লাহর কোন কাজে আসেনা।জনগনের কাজে আসে।কুরবানীর মাংস, রক্ত কোনটাই আল্লাহর কাছে পৌছায় না।এক ভাগ যায় আত্মীয় এর কাছে, এক ভাগ এলাকার গরীব দুখির কাছে বাকি এক ভাগ সনতান সন্ততির কাছে।
************************
*** আল্লাহ কি হাটাচলা করেন? নাকি বসে থাকেন? নাকি শুয়ে থাকেন? নাকি ঘুমিয়ে থাকেন? নাকি দৌড়াদৌড়ি করেন?
::তিনি কি করেন আমাদেত জানান নি।তিনি আমাদের যতটুকু জ্ঞান দিয়েছেন এর বাইরে মানূষের পক্ষে চিন্তা করা সম্ভব নয়
************************
***তার নাকি ঘুমের প্রয়োজন হয়না। কেন?
:::তিনি আমাদের মত ইন্দ্রিয় সর্বোশ্য নয়।তাই প্রয়োজন হয়না।
*************************
তিনি যদি বিয়ে না করেন, খাবার না খান, হাটাচলা না করেন, না ঘুমান, তাহলে তার বেঁচে থাকার অর্থটা কি?
:::নিজের উপস্থিতিকে অর্থবহুল করার জন্য তিনি সৃষ্টিতে মনোনিবেশ করেছেন
****************************
***তিনি মানুষকে ভয় দেখিয়ে কেন সৎপথে আসতে বলেন? তিনি চাইলে তো সব পারেন, তবে কেন তিনি মানুষের উপর নির্ভরশীল ?
::::মানুষ সৎ পথে আসলেও তেনার কোন উপকার নাই,না আসলেও তার কোন ক্ষতি নাই।তিনি চাইলেই সব কিছু করতে পারেন। কিন্তু মানুষ কে সৃষ্টি করা হয়েছে স্বাধীন ইচ্ছা শক্তি দ্বারা, তাই তিনি এখানে হস্তক্ষেপ করেন না। আর তিনি মানুষ কেনো, কারো উপরই নির্ভশীল নন।
*****************************
*****মুহাম্মাদের মত অশিক্ষিতকে কেন তিনি নবুওত দিলেন? এই যুগের শ্রেষ্ঠ কোন বিজ্ঞানীকে কেন নবুওত দিলেন না?
::::খুব সুন্দর প্রশ্ন। একজন শিক্ষিত এবং বিজ্ঞানীর কাছে আল্লাহর কুরান আসলে অনেকেই বলত তিনি এসব নিজের জ্ঞানে লিখেছেন।কিন্তু একজন প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে অশিক্ষিত ব্যাক্তির কাছে কুরান আসার পর এই কথা বলার সুযোগ আর থাকছে না।
বিজ্ঞানীর কাজ হল শুধু গবেষনা করা,সমাজে এর কিরুপ ব্যবহার হবে,ভাল না খারাপ এগুলো দেখার বিষয় নয়।কিন্তু কুরান নাজিলের উদ্দেশ্য হলো এমন সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা বা আইন ব্যবস্থা কায়েম করা যাতে সমাজে শান্তি বজায় থাকে।
আজ পর্যন্ত কতজন বিজ্ঞানী শান্তিতে নোবেল পাইছে।?কারন এইসব কাজ তাদের নয়।তাই কুরান তারা ডিসার্ব করে না।বিজ্ঞানীদের কাজ আর কোরানের উদ্দেশ্য ভিন্ন।
**************************
*****ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার জন্য আল্লাহ কেন মুহাম্মাদকে এত বিয়ে করালেন?
::::আমরা মানুষ কিন্তু আমাদের চলতে হয় সামাজিক নিয়ম মেনেই।তাই দুই গোত্রের মধ্যে ভাল সম্পর্ক তৈরি করা,নতুন নিয়ম চালু করা ইত্যাদির বেলায় বিবাহ একটা গুরুত্ব পুর্ন সমাধান।
**********************
***কেন দাসী বৈধ করলেন?এর দ্বারা কি বলা যায় না আল্লাহ নিকৃষ্ট?
::::::যুদ্ধ বন্দি দাসিদের সম্মান দেওয়ার জন্য তাদের বিবাহ করা উত্তম।দাসিদের বিয়ের ব্যাবস্থা করলে যদি কাউকে নিকৃষ্ট বলা হয়,তাহলে আর কিছু বলার থাকেনা।দাসির সন্তানকে উত্তরাধিকার বানালে যদি নিকৃষ্ট হতে হয় তাহলে তো আর কিছু বলার থাকেনা।


উত্তর দিয়েছেন
রাকিবুল ইসলাম বিলাশ
নাস্তিকদের জবাব

কিছু অবান্তর প্রশ্নের যোগান্তর উত্তরঃ-

Posted by Adam Simon  |  No comments


এক নাস্তিক ভাই বললেন তেনার কাছে কিছু প্রশ্ন আছে।তিনি সুন্দর ভাবে শুরু করলেও শেষের দিক গিয়ে বুঝলাম তিনি জানার উদ্দেশ্য প্রশ্ন করেন নি।একান্তই বিদ্বেষ থেকে প্রশ্ন গুলো করেছেন।একেবারে শেষে তো গালাগালি দেখলাম।যাই হোক গালি গুলো কেটে শুধু প্রশ্ন গুলো রাখলাম।এবং তার উত্তর গুলো দেওয়ার চেষ্টা করলাম।
**********************
নামাজ ৫০ থেকে ৫ ওয়াক্ত
***********************
...............................................................
আমরা সকলেই জানি যে, মেরাজ থেকে ফেরার সময় নবি ৫০ ওয়াক্ত নামাজ নিয়ে ফিরছিলেন। পথের মধ্যে মুসা নবির পরামর্শে নবি হজরত আল্লাহর কাছে বার বার দরবার করে নামাজকে তিনি ৫০ থেকে ৫ ওয়াক্তে নিয়ে আসেন। এই ব্যাপারে আমার কয়েকটা প্রশ্ন মনের মাঝে উঁকি দেয় অনেক দিন ধরেই। উত্তর পেলে হয়তোবা আমি ইমান ফিরে পেতাম। কোন মুমিন ভাই উত্তর গুলো দিলে উপকৃত হতাম। প্রশ্ন--------উত্তর
***************************
প্রশ্ন::আল্লাহ নিজের কথা বহুবার রদবদল করেছেন অথচ আল্লাহ কোরানে বলেছেন "আল্লাহ কোন রদবদল করেন না।"( ৩৫ঃ৪৩)।তাহলে এমনটি তিনি কেন করলেন?
উত্তর:: (৩৫:৪৩) এর পুরা আয়াত দেওয়ার সাহস প্রশ্ন কারী পান নি।যাই হোক,আল্লাহ আয়াতে বলেছেন এর আগে অনেক জাতী পাপ কাজ করে ধংস হয়েছে, এখন যারা একই কাজ করবে তাদেরও একই শাস্তি হবে।এরপর তিনি বললেন আল্লাহর পদ্ধতিতে কোন পরিবর্তন পাবে না।এই কথার অর্থ হল একই অপরাধে দুই জনের দুইটা আলাদা শাস্তি হবে না।পদ্ধতি চেঞ্জ না হওয়ার কথা বলা আছে।আর ৫০ ওয়াক্ত যেভাবে পড়তে হত, পাচ ওয়াক্ত ও সেইভাবেই পড়তে হয়।এখানে পদ্ধতিগত কোন পরিবর্তন আনা হয় নি।
**********************
কোরান অনুযায়ী আল্লাহ বান্দাদের উপর সাধ্যাতীত দায়িত্ব চাপিয়ে দেন না।কিন্তু প্রথমে সাধ্যাতীত দায়িত্ব চাপিয়ে পরে ভুল বুঝতে পারলেন। কেন?
উত্তর:: ৫০ ওয়াক্ত নামাজ সাধ্যাতিত নয়।এখানে তিনি ভুল বুঝার কিছু নাই।
*************************
আল্লাহ ও নবি হজরতের সিদ্ধান্তে অবজেকশন দেয়ার অপরাধে মুসা নবি কি "বেয়াদপ"এ পরিনত হলনা?
উত্তর:: আমাদের জন্য যেটা ভাল সেটাই আল্লাহ করে থাকেন।কিন্তু আমরা দোয়া করার মাধ্যমে রেজাল্টের পরিবর্তন চাই এটাকে অব্জেকশন বলে না।এটাকে করুনা ভিক্ষা চাওয়া বলে।
**********************
নবি হজরত এবং মুসা দুজনেই কি আল্লাহর আদেশ লঙ্ঘনকারী নয়?
উত্তর:: মালিকের কাছে চাচ্ছি,আমাদের মালিক চাইলেই খুশি হয়।যার কারনে তিনি কুরানে বিভিন্ন জায়গায় দোয়া করতে বলেছেন।তাই দোয়া করলে আল্লাহর আদেশ লংঘন করা হয় না
***********************
নবি মুসা কি মোহাম্মদ এবং আল্লাহর চেয়ে বিচক্ষন?
উত্তর:: বিচক্ষনতার ব্যাপার তখন আসে যখন দুই জনে প্রতিযোগিতা হয়।তখন বলা যায় কে বেশি বিচক্ষন।সৃষ্টিকর্তা তার বান্দাকে ইবাদাত করতে বললেন।রাসুল(স) কৃতজ্ঞতা বশত চুপ থাকলেন।আর মুসা(আ) তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন।এখানে বিচক্ষনতার প্রসংগ আনাই বোকামী।
***********************
যাই হোক বেচারা কে উত্তর দেওয়া হলে তিনি এবার মুল টপিক থেকে সরে গিয়ে উলটা পালটা প্রশ্ন করা শুরু করলেন।জানতাম এরকমই হবে।তারপরও তার উলটা পালটা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করা হল
*****************
আল্লাহ কে?
::মহাবিশ্বের দৃশ্যমান বা অদৃশ্য যা কিছু আছে সেই সব কিছুর সৃষ্টি কর্তা।
*******************
তিনি কোথায় থাকেন?
:: সাত আসমান উপরে আরশে আজীমে সমুন্নত আছেন।
*************************
সে আমাদের থেকে কতদূরে?
::আমাদের জ্ঞান বিজ্ঞান এখনও এতো দুরত্ব পরিমাপ করতে পারেনি।কিন্তু কোরানে আল্লাহ বলেছেন ফেরেস্তারা এমন একদিনে আমার কাছে আসে যা তোমাদের হিসেবে পঞ্চাশ হাজার বছর।এটা আপেক্ষিক গতির ব্যাপার।কিন্তু এখানে বেগের মান কত সেটা উল্লেখ করা হয়নি বলে আমাদের পক্ষে এর সঠিক দুরুত্ব নির্নয় করা সম্ভব হয়নি।
*********************
**তার নাম রেখেছে কে?
::আল্লাহ নিজেই নিজের নাম রেখেছেন(সুরা ইখলাস-১)
*********************
**আল্লাহ শব্দের অর্থ কি?
::আল্লাহ শব্দের কোন অর্থ নাই।যিনি এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি কর্তা তেনাকেই আল্লাহ নামে ডাকা হয়।
***********************
**অর্থ না থাকলে তিনি এই নাম ব্যবহার করেন কেন?
::নামের অর্থ থাকতে হবে এমন প্রয়োজনীয়তা নাই।যেমন আগুন, পানি, বাতাস এগুলোর কোন অর্থ নাই শুধু সংগা আছে।তাই নাম রাখার জন্য যদি কেউ অর্থের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে তাহলে বুঝতে হবে তার জ্ঞানের পরিসীমা অনেক কম।
*********************
** আল্লাহর উচ্চতা কতটুকু? তার ভর কত? তার ওজন কত? আল্লাহ বড় নাকি তার থাকার স্থান বড়? আল্লাহর কি নিঃশ্বাস গ্রহন করতে হয়? নিঃশ্বাস গ্রহন করলে তিনি কি ধরনের গ্যাস গ্রহন করেন? আল্লাহর কি প্রাণ আছে? তিনি কি প্রাণী?
এত বড় মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে তার লাভ/প্রয়োজন কি? তার ইবাদতের প্রয়োজন হয় কেন?তিনি কিভাবে নিজে নিজে সৃষ্টি হয়েছেন? চিরকাল ধরেই বা কিভাবে থাকেন যদি সৃষ্টি না হন?
::::উত্তর:::
আমাদের জ্ঞান বিজ্ঞান এই প্রশ্ন গুলো দেওয়ার মত যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি এখনও।আমাদের বিজ্ঞান আমাদের এই মহাবিশ্বের যা আছে তার ১% ও নির্দিষ্ট করে বলতে পারেনা।সে জ্ঞান কিভাবে মহাবিশ্বের বাইরের বিষয় বলবে।?তবে বিজ্ঞান ধীরে ধীরে সৃষ্টিকর্তা থাকার পিছনে যুক্তি খুজে পাচ্ছে।এবং বিজ্ঞানী গন কেউ কেউ সৃষ্টিকর্তাকে গনিত বীদও বলেও সম্বোধন করেছেন।
********************
***আল্লাহ যদি নিজে নিজে সৃষ্টি হতে পারে, তাহলে পৃথিবীতে প্রাণীর উদ্ভব কেন একা একা সৃষ্টি হতে পারবেনা?
:::আল্লাহ থাকার পক্ষে যুক্তি থাকলেও প্রাণী একা সৃষ্টি হওয়ার পিছনে বিজ্ঞান কোন যুক্তি দেখাতে পারেনা। শুধু যুক্তিই নয় উদ্দেশ্যও দেখাতে পারেনা।
**************************
***আল্লাহ কি আহার করেন? যদি তিনি আহার ছাড়াই বেচে থাকতে পারে তাহলে তার ইবাদতের ভুখা কেনো? তার ইবাদতের প্রয়োজন কেন?
::ইবাদাত তেনার খিদা নিভারন করেনা।তাই বলা যায় তিনি ইবাদাতের ভুখা এই কথা ভুল।আমাদের যে সকল ইবাদাত করতে বলা হয়েছে সেগুলো আমাদের জন্য উপকারী,তেনার কোন উপকারে আসেনা।যেমন নামাজ আমাদের শারিরিক ফিটনেস ঠিক রাখে।রোজার উপকারীতা বলার অপেক্ষা রাখেনা।এখন মুস্লিমদের ভাইরেই অনেকে উপবাস থাকে।যাকাত আল্লাহর কোন কাজে আসেনা।জনগনের কাজে আসে।কুরবানীর মাংস, রক্ত কোনটাই আল্লাহর কাছে পৌছায় না।এক ভাগ যায় আত্মীয় এর কাছে, এক ভাগ এলাকার গরীব দুখির কাছে বাকি এক ভাগ সনতান সন্ততির কাছে।
************************
*** আল্লাহ কি হাটাচলা করেন? নাকি বসে থাকেন? নাকি শুয়ে থাকেন? নাকি ঘুমিয়ে থাকেন? নাকি দৌড়াদৌড়ি করেন?
::তিনি কি করেন আমাদেত জানান নি।তিনি আমাদের যতটুকু জ্ঞান দিয়েছেন এর বাইরে মানূষের পক্ষে চিন্তা করা সম্ভব নয়
************************
***তার নাকি ঘুমের প্রয়োজন হয়না। কেন?
:::তিনি আমাদের মত ইন্দ্রিয় সর্বোশ্য নয়।তাই প্রয়োজন হয়না।
*************************
তিনি যদি বিয়ে না করেন, খাবার না খান, হাটাচলা না করেন, না ঘুমান, তাহলে তার বেঁচে থাকার অর্থটা কি?
:::নিজের উপস্থিতিকে অর্থবহুল করার জন্য তিনি সৃষ্টিতে মনোনিবেশ করেছেন
****************************
***তিনি মানুষকে ভয় দেখিয়ে কেন সৎপথে আসতে বলেন? তিনি চাইলে তো সব পারেন, তবে কেন তিনি মানুষের উপর নির্ভরশীল ?
::::মানুষ সৎ পথে আসলেও তেনার কোন উপকার নাই,না আসলেও তার কোন ক্ষতি নাই।তিনি চাইলেই সব কিছু করতে পারেন। কিন্তু মানুষ কে সৃষ্টি করা হয়েছে স্বাধীন ইচ্ছা শক্তি দ্বারা, তাই তিনি এখানে হস্তক্ষেপ করেন না। আর তিনি মানুষ কেনো, কারো উপরই নির্ভশীল নন।
*****************************
*****মুহাম্মাদের মত অশিক্ষিতকে কেন তিনি নবুওত দিলেন? এই যুগের শ্রেষ্ঠ কোন বিজ্ঞানীকে কেন নবুওত দিলেন না?
::::খুব সুন্দর প্রশ্ন। একজন শিক্ষিত এবং বিজ্ঞানীর কাছে আল্লাহর কুরান আসলে অনেকেই বলত তিনি এসব নিজের জ্ঞানে লিখেছেন।কিন্তু একজন প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে অশিক্ষিত ব্যাক্তির কাছে কুরান আসার পর এই কথা বলার সুযোগ আর থাকছে না।
বিজ্ঞানীর কাজ হল শুধু গবেষনা করা,সমাজে এর কিরুপ ব্যবহার হবে,ভাল না খারাপ এগুলো দেখার বিষয় নয়।কিন্তু কুরান নাজিলের উদ্দেশ্য হলো এমন সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা বা আইন ব্যবস্থা কায়েম করা যাতে সমাজে শান্তি বজায় থাকে।
আজ পর্যন্ত কতজন বিজ্ঞানী শান্তিতে নোবেল পাইছে।?কারন এইসব কাজ তাদের নয়।তাই কুরান তারা ডিসার্ব করে না।বিজ্ঞানীদের কাজ আর কোরানের উদ্দেশ্য ভিন্ন।
**************************
*****ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার জন্য আল্লাহ কেন মুহাম্মাদকে এত বিয়ে করালেন?
::::আমরা মানুষ কিন্তু আমাদের চলতে হয় সামাজিক নিয়ম মেনেই।তাই দুই গোত্রের মধ্যে ভাল সম্পর্ক তৈরি করা,নতুন নিয়ম চালু করা ইত্যাদির বেলায় বিবাহ একটা গুরুত্ব পুর্ন সমাধান।
**********************
***কেন দাসী বৈধ করলেন?এর দ্বারা কি বলা যায় না আল্লাহ নিকৃষ্ট?
::::::যুদ্ধ বন্দি দাসিদের সম্মান দেওয়ার জন্য তাদের বিবাহ করা উত্তম।দাসিদের বিয়ের ব্যাবস্থা করলে যদি কাউকে নিকৃষ্ট বলা হয়,তাহলে আর কিছু বলার থাকেনা।দাসির সন্তানকে উত্তরাধিকার বানালে যদি নিকৃষ্ট হতে হয় তাহলে তো আর কিছু বলার থাকেনা।


উত্তর দিয়েছেন
রাকিবুল ইসলাম বিলাশ

16:00 Share:

বিজ্ঞানময় কোরআন ও এর সত্যতা নিরূপণঃ পৃথিবীর আবর্তন
****************************************
পবিত্র কোরআন মহাবিশ্বের বিস্ময়!
অনেকেই আছেন যারা অজ্ঞতাবশত বলেন - মুহাম্মদ(সাঃ) এর নিজের লেখা কোরআন আর এজন্যই কোরআন এ চন্দ্র ও সূর্যের আবর্তনের কথা বলা হয়েছে কিন্তু পৃথিবীর আবর্তনের কথা বলা নাই! কারন খালি চোখে আমরা শুধু চন্দ্র ও সূর্যের আবর্তন দেখি আর এটাই কোরআন এ এসেছে! পৃথিবীর আবর্তন দেখিনা তাই সেটি আসেনি। প্রকৃতপক্ষে কোরআন এ পৃথিবীর আবর্তনের কথাও বলা হয়েছে!
(33)
وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ كُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ
তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে।
It is He Who created the Night and the Day, and the sun and the moon: all (the celestial bodies) swim along, each in its rounded course.
এখানে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে-
১) দিন ও রাত্রি(যার সাথে পৃথিবী সম্পৃক্ত, আগের আয়াতে পৃথিবী নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে! উল্লেখ্য যে আহ্নিকগতির ফলেই দিন- রাত হয়)
২) সূর্য
৩) চাঁদ
এর পরে বলেছে" সবাই নিজ নিজ কক্ষপথে বিচরন করে"!
অর্থাৎ পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য নিজ নিজ কক্ষপথে বিচরন করে!
যদি সবাই না বলে শুধু চাঁদ ও সূর্য বলত তবে বিষয়টা ভিন্নহত!
বিশ্বখ্যাত মুফাসসীরে কুরআন, বিজ্ঞানী আল্লামা ত্বানত্ববী আল জাওহারী রহ. স্বীয় তাফসীর গ্রন্থে সূরা আম্বিয়ার ৩৩নং আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেছেন যে, উক্ত আয়াতটি ব্যাপক অর্থ সম্বলিত। অর্থাৎ সূর্য, চন্দ্র, তারকা ও পৃথিবী, মোটকথা প্রত্যেকটি নক্ষত্র নিজ নিজ কক্ষপথে ঘুরছে। [আল জাওয়াহিরু ফী তাফসীরিল কুরআনিল কারীম : ১০/১৯৯]
প্রখ্যাত তাফসীরকারক আল্লামা আহমদ মোস্তফা মারাগী রহ. স্বীয় তাফসীর গ্রন্থে সূরা ইয়াসীনের ৪০নং আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেছেন যে, প্রত্যেকটি গ্রহ-নক্ষত্র অর্থাৎ পৃথিবী, সূর্য ও চন্দ্র নিজ নিজ কক্ষপথে সাঁতার কাটছে (ঘুরছে)। যেভাবে মাছ পানিতে সাঁতার কাটে। সূর্য ঘুরছে নিজ কক্ষপথে। নিজ অক্ষে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে একদিন ও একরাত(২৪ ঘন্টা)। পক্ষান্তরে “পৃথিবী”-কে একবার প্রদক্ষিণ করতে চন্দ্রের সময় লাগে একমাস। [আত তাফসীরুল মারাগী : ২৩/১০]
বিশ্বনন্দিত মুফাস্সীরে কুরআন আল্লামা মাহমুদ হিজাযী রহ. স্বীয় তাফসীর গ্রন্থে সূরা আম্বিয়ার ৩৩নং আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেছেন যে, আল্লাহ পাক পৃথিবীর বুকে পাহাড়সমূহের বোঝা রেখে দিয়েছেন; যাতে করে পৃথিবী মানব মণ্ডলীকে নিয়ে ঝুঁকে না পড়ে। পৃথিবী নিজ কক্ষে ঘুরে এবং সুর্যকে প্রদক্ষিণ করে। (আল্লাহ্) সূর্য ও চন্দ্রকে সৃষ্টি করেছেন যেন প্রত্যেকটি নিজ নিজ কক্ষপথে ঘুরে। [আত তাফসীরুল ওয়াজেহ : ১৭/৫২৮]
কুরআন বলছে,
“তারা কি সতর্কতার সাথে কুরআন নিয়ে চিন্তাভাবনা করে না, যদি এটা আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছ থেকে হতো, তারা এতে বহু অসামঞ্জস্য খুঁজে পেতো।কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ এর অসংগতি খুঁজে পায়নি এবং পাবেও না!
এটা এজন্যই যে কোরআন কোন মানব রচিত গ্রন্থ নয় বরং এটি একটি ঐশি গ্রন্থ।


প্রমান: https://bn.m.wikipedia.org/wik 

উত্তর দিয়েছেন 
নয়ন চৌধুরী
নাস্তিকদের অপবাদ

কোরআন অনুযায়ী পৃথিবী স্থির। পৃথিবী আসলে স্থির নয় এটা ঘুর্নায়মান,

Posted by Adam Simon  |  No comments

বিজ্ঞানময় কোরআন ও এর সত্যতা নিরূপণঃ পৃথিবীর আবর্তন
****************************************
পবিত্র কোরআন মহাবিশ্বের বিস্ময়!
অনেকেই আছেন যারা অজ্ঞতাবশত বলেন - মুহাম্মদ(সাঃ) এর নিজের লেখা কোরআন আর এজন্যই কোরআন এ চন্দ্র ও সূর্যের আবর্তনের কথা বলা হয়েছে কিন্তু পৃথিবীর আবর্তনের কথা বলা নাই! কারন খালি চোখে আমরা শুধু চন্দ্র ও সূর্যের আবর্তন দেখি আর এটাই কোরআন এ এসেছে! পৃথিবীর আবর্তন দেখিনা তাই সেটি আসেনি। প্রকৃতপক্ষে কোরআন এ পৃথিবীর আবর্তনের কথাও বলা হয়েছে!
(33)
وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ كُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ
তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে।
It is He Who created the Night and the Day, and the sun and the moon: all (the celestial bodies) swim along, each in its rounded course.
এখানে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে-
১) দিন ও রাত্রি(যার সাথে পৃথিবী সম্পৃক্ত, আগের আয়াতে পৃথিবী নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে! উল্লেখ্য যে আহ্নিকগতির ফলেই দিন- রাত হয়)
২) সূর্য
৩) চাঁদ
এর পরে বলেছে" সবাই নিজ নিজ কক্ষপথে বিচরন করে"!
অর্থাৎ পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য নিজ নিজ কক্ষপথে বিচরন করে!
যদি সবাই না বলে শুধু চাঁদ ও সূর্য বলত তবে বিষয়টা ভিন্নহত!
বিশ্বখ্যাত মুফাসসীরে কুরআন, বিজ্ঞানী আল্লামা ত্বানত্ববী আল জাওহারী রহ. স্বীয় তাফসীর গ্রন্থে সূরা আম্বিয়ার ৩৩নং আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেছেন যে, উক্ত আয়াতটি ব্যাপক অর্থ সম্বলিত। অর্থাৎ সূর্য, চন্দ্র, তারকা ও পৃথিবী, মোটকথা প্রত্যেকটি নক্ষত্র নিজ নিজ কক্ষপথে ঘুরছে। [আল জাওয়াহিরু ফী তাফসীরিল কুরআনিল কারীম : ১০/১৯৯]
প্রখ্যাত তাফসীরকারক আল্লামা আহমদ মোস্তফা মারাগী রহ. স্বীয় তাফসীর গ্রন্থে সূরা ইয়াসীনের ৪০নং আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেছেন যে, প্রত্যেকটি গ্রহ-নক্ষত্র অর্থাৎ পৃথিবী, সূর্য ও চন্দ্র নিজ নিজ কক্ষপথে সাঁতার কাটছে (ঘুরছে)। যেভাবে মাছ পানিতে সাঁতার কাটে। সূর্য ঘুরছে নিজ কক্ষপথে। নিজ অক্ষে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে একদিন ও একরাত(২৪ ঘন্টা)। পক্ষান্তরে “পৃথিবী”-কে একবার প্রদক্ষিণ করতে চন্দ্রের সময় লাগে একমাস। [আত তাফসীরুল মারাগী : ২৩/১০]
বিশ্বনন্দিত মুফাস্সীরে কুরআন আল্লামা মাহমুদ হিজাযী রহ. স্বীয় তাফসীর গ্রন্থে সূরা আম্বিয়ার ৩৩নং আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেছেন যে, আল্লাহ পাক পৃথিবীর বুকে পাহাড়সমূহের বোঝা রেখে দিয়েছেন; যাতে করে পৃথিবী মানব মণ্ডলীকে নিয়ে ঝুঁকে না পড়ে। পৃথিবী নিজ কক্ষে ঘুরে এবং সুর্যকে প্রদক্ষিণ করে। (আল্লাহ্) সূর্য ও চন্দ্রকে সৃষ্টি করেছেন যেন প্রত্যেকটি নিজ নিজ কক্ষপথে ঘুরে। [আত তাফসীরুল ওয়াজেহ : ১৭/৫২৮]
কুরআন বলছে,
“তারা কি সতর্কতার সাথে কুরআন নিয়ে চিন্তাভাবনা করে না, যদি এটা আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছ থেকে হতো, তারা এতে বহু অসামঞ্জস্য খুঁজে পেতো।কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ এর অসংগতি খুঁজে পায়নি এবং পাবেও না!
এটা এজন্যই যে কোরআন কোন মানব রচিত গ্রন্থ নয় বরং এটি একটি ঐশি গ্রন্থ।


প্রমান: https://bn.m.wikipedia.org/wik 

উত্তর দিয়েছেন 
নয়ন চৌধুরী

14:00 Share:
চাঁদের নিজস্ব আলো আছে???
কুর’আন আল্লাহ “নিজে” সৃষ্টি করেছেন। এর ভাষা, ব্যাকরন, শব্দচয়ন, উপমা সবকিছু বিশেষ অর্থবহ । কুর’আনের একটি আয়াত বা শব্দ শুধুমাত্র “একটি” আয়াত বা শব্দ নয়, প্রত্যেকটি আয়াতের এবং শব্দের অনেক DEEP MEANING রয়েছে ৷ এর কিছু কিছু মানুষ শত শত বছর ধরে গবেষনা করে বের করেছে, আর কিছু কিছু জিনিস আল্লাহ-ই ভাল জানেন।
এই রকমই একটি শব্দ হল "নূর "!
নূর' আরবীতে একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ, এর অর্থ জ্যোতিঃ, দীপ্তি।
কোরআনে 194 যায়গায় আল্লাহপাক 'নূর' শব্দ ব্যবহার করেছেন। এই نورٌ শব্দের অর্থ করতে গিয়ে অনেকেই কোরআনের মূল উদ্যেশ্য থেকে দূরে সরে যান৷
কোরআনে "নূর "শব্দটি বিভিন্ন অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে যেমনঃ
১)আল্লাহ কে বুঝাতে ::পৃথিবী তার পালনকর্তার নূরে উদ্ভাসিত হবে।(যুমার- ৬৯)
আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের জ্যোতি।(নূর – ৩৫)
২)কোরআন মজিদকে বুঝাতে ::তোমাদের কাছে একটি উজ্জল জ্যোতি এসেছে এবং একটি সমুজ্জল গ্রন্থ।(মায়েদা - ১৫)
৩)ঈমান বুঝাতে :: যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহ তাদের অভিভাবক। তাদেরকে তিনি বের করে আনেন অন্ধকার থেকে আলোর দিকে।(বাকারা - ২৫৭)
৪)খোদায়ি হেদায়াত বুঝাতে :: আর যে মৃত ছিল অতঃপর আমি তাকে জীবিত করেছি এবং তাকে এমন একটি আলো দিয়েছি, যা নিয়ে সে মানুষের মধ্যে চলাফেরা করে। সে কি ঐ ব্যক্তির সমতুল্য হতে পারে, যে অন্ধকারে রয়েছে।(আনআম - ১২২)
৫)ইসলামী আইন বুঝাতে ::কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তাঁর নূরের পূর্ণতা বিধান করবেন, যদিও কাফেররা তা অপ্রীতিকর মনে করে।(তওবা- ৩২)
৬ )স্বয়ং রাসুল (সাঃ ) কে বুঝাতে :: আল্লাহর আদেশক্রমে তাঁর(রাসুল সা.)দিকে আহবায়করূপে এবং উজ্জ্বল প্রদীপরূপে।(সূরা আহযাব- ৪৬)
৬) ইলম বুঝাতে :: ইলম হচ্ছে এমন এক নূর খোদা যাকে চান তার অন্তরে দান করেন।
সারাংশঃ
কোরআন "নূর "কারণ কেননা তাতে খোদার কালাম রযেছে।
ইসলাম নূর কেননা তাতে খোদায়ি আইন রয়েছে।
রাসুল (সা.) "নূর "কেননা তিনি খোদার প্রেরিত ব্যাক্তি।
ইমাম (আ.) হচ্ছেন" নূর" কেননা তারা রাসুল (সা.) এর পরে ইসলামের হেফাযতকারী।
ঈমান হচ্ছে "নূর "কেননা খোদার সাথে মানুষ সম্পর্কিত হয়ে যায়।
ইলম হচ্ছে "নূর" কেননা তার মাধ্যমে খোদার সাথে পরিচিত হওয়া যায়।
এমনকি কোরআনে মোমিনের সব কাজ কে "নূর" এবং কাফেরের সব কাজে কে অন্ধকার বলা হয়েছে!
আচ্ছা, কোরআন,রাসূল, ইমাম, ঈমান, ইলম এবং মোমিন হতে কি ধরনের আলো বেড় হচ্ছে??
এখন আসি মূল প্রসঙ্গে
সূরা ইউসুফে আল্লাহ বলেছেন
5] هُوَ الَّذى جَعَلَ الشَّمسَ ضِياءً وَالقَمَرَ نورًا وَقَدَّرَهُ مَنازِلَ لِتَعلَموا عَدَدَ السِّنينَ وَالحِسابَ ۚ ما خَلَقَ اللَّهُ ذٰلِكَ إِلّا بِالحَقِّ ۚ يُفَصِّلُ الءايٰتِ لِقَومٍ يَعلَمونَ
[5] তিনিই সে মহান সত্তা, যিনি বানিয়েছেন সুর্যকে উজ্জল আলোকময়, আর চন্দ্রকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে এবং অতঃপর নির্ধারিত করেছেন এর জন্য মনযিল সমূহ, যাতে করে তোমরা চিনতে পার বছরগুলোর সংখ্যা ও হিসাব। আল্লাহ এই সমস্ত কিছু এমনিতেই সৃষ্টি করেননি, কিন্তু যথার্থতার সাথে। তিনি প্রকাশ করেন লক্ষণসমূহ সে সমস্ত লোকের জন্য যাদের জ্ঞান আছে।
(১০:০৫) নং আয়াতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, 'সূর্যের' ক্ষেত্রে 'দিয়া' শব্দটি এবং 'চাঁদের' ক্ষেত্রে 'নূর' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
এই স্থানে "নূর " শব্দটি পেয়ে নাস্তিক এবং তাদের সহযোগীরা হাতে আসমান পেয়ে গেছে ৷ তাদের কথা হল " নূর অর্থ আলো ৷ অতএব কোরআন ভুল! কারন চাঁদের নিজস্ব আলো নেই কিন্তু কোরআনে বলেছে চাঁদের নিজস্ব আলো আছে "৷( নাউজুবিল্লাহ)
তাদের এই ধরনের কথার একমাত্র কারন হল তারা কোরআন ভাল ভাবে জীবনেও পড়েনা ৷যদি পড়ত তবে এত লাফালাফি করত না ৷
মূলত তারা বুঝতেই পারেনা যে সূর্য ও চাঁদ- দুটির ক্ষেত্রেই তো 'দিয়া' এবং 'নূর' এই দুটি শব্দের মধ্য থেকে যে কনো একটি শব্দ বেছে নিয়ে তা ব্যবহার করলেই হত। কিন্তু তা না করে মহান আল্লাহ দুটির ক্ষেত্রে দু'ধরনের আলো হিসেবে উপস্থাপন করলেন কেন? কারণ এগুলো যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনি তো এ দুটো আলোর পার্থক্য ভাল করেই অবগত আছেন। তাই প্রথমত সহজভাবে দুটোকে দুই ধরনের আলো ('দিয়া' ও 'নূর') হিসেবে উপস্থাপন করেছেন ৷
কিন্তু নাস্তিকরা " নূর " নিয়ে অজ্ঞান হয়ে বিজ্ঞানের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে!! তাদের জন্য আফসোস ছাড়া আর কি করার আছে??


উত্তর দিয়েছেন
চয়ন চৌধুরী
নাস্তিকদের অপবাদ

কোরআনে কোথাও বলেনি চাঁদের নিজস্ব আলো নেই! চ্যালেঞ্জ করছি।

Posted by Adam Simon  |  No comments

চাঁদের নিজস্ব আলো আছে???
কুর’আন আল্লাহ “নিজে” সৃষ্টি করেছেন। এর ভাষা, ব্যাকরন, শব্দচয়ন, উপমা সবকিছু বিশেষ অর্থবহ । কুর’আনের একটি আয়াত বা শব্দ শুধুমাত্র “একটি” আয়াত বা শব্দ নয়, প্রত্যেকটি আয়াতের এবং শব্দের অনেক DEEP MEANING রয়েছে ৷ এর কিছু কিছু মানুষ শত শত বছর ধরে গবেষনা করে বের করেছে, আর কিছু কিছু জিনিস আল্লাহ-ই ভাল জানেন।
এই রকমই একটি শব্দ হল "নূর "!
নূর' আরবীতে একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ, এর অর্থ জ্যোতিঃ, দীপ্তি।
কোরআনে 194 যায়গায় আল্লাহপাক 'নূর' শব্দ ব্যবহার করেছেন। এই نورٌ শব্দের অর্থ করতে গিয়ে অনেকেই কোরআনের মূল উদ্যেশ্য থেকে দূরে সরে যান৷
কোরআনে "নূর "শব্দটি বিভিন্ন অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে যেমনঃ
১)আল্লাহ কে বুঝাতে ::পৃথিবী তার পালনকর্তার নূরে উদ্ভাসিত হবে।(যুমার- ৬৯)
আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের জ্যোতি।(নূর – ৩৫)
২)কোরআন মজিদকে বুঝাতে ::তোমাদের কাছে একটি উজ্জল জ্যোতি এসেছে এবং একটি সমুজ্জল গ্রন্থ।(মায়েদা - ১৫)
৩)ঈমান বুঝাতে :: যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহ তাদের অভিভাবক। তাদেরকে তিনি বের করে আনেন অন্ধকার থেকে আলোর দিকে।(বাকারা - ২৫৭)
৪)খোদায়ি হেদায়াত বুঝাতে :: আর যে মৃত ছিল অতঃপর আমি তাকে জীবিত করেছি এবং তাকে এমন একটি আলো দিয়েছি, যা নিয়ে সে মানুষের মধ্যে চলাফেরা করে। সে কি ঐ ব্যক্তির সমতুল্য হতে পারে, যে অন্ধকারে রয়েছে।(আনআম - ১২২)
৫)ইসলামী আইন বুঝাতে ::কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তাঁর নূরের পূর্ণতা বিধান করবেন, যদিও কাফেররা তা অপ্রীতিকর মনে করে।(তওবা- ৩২)
৬ )স্বয়ং রাসুল (সাঃ ) কে বুঝাতে :: আল্লাহর আদেশক্রমে তাঁর(রাসুল সা.)দিকে আহবায়করূপে এবং উজ্জ্বল প্রদীপরূপে।(সূরা আহযাব- ৪৬)
৬) ইলম বুঝাতে :: ইলম হচ্ছে এমন এক নূর খোদা যাকে চান তার অন্তরে দান করেন।
সারাংশঃ
কোরআন "নূর "কারণ কেননা তাতে খোদার কালাম রযেছে।
ইসলাম নূর কেননা তাতে খোদায়ি আইন রয়েছে।
রাসুল (সা.) "নূর "কেননা তিনি খোদার প্রেরিত ব্যাক্তি।
ইমাম (আ.) হচ্ছেন" নূর" কেননা তারা রাসুল (সা.) এর পরে ইসলামের হেফাযতকারী।
ঈমান হচ্ছে "নূর "কেননা খোদার সাথে মানুষ সম্পর্কিত হয়ে যায়।
ইলম হচ্ছে "নূর" কেননা তার মাধ্যমে খোদার সাথে পরিচিত হওয়া যায়।
এমনকি কোরআনে মোমিনের সব কাজ কে "নূর" এবং কাফেরের সব কাজে কে অন্ধকার বলা হয়েছে!
আচ্ছা, কোরআন,রাসূল, ইমাম, ঈমান, ইলম এবং মোমিন হতে কি ধরনের আলো বেড় হচ্ছে??
এখন আসি মূল প্রসঙ্গে
সূরা ইউসুফে আল্লাহ বলেছেন
5] هُوَ الَّذى جَعَلَ الشَّمسَ ضِياءً وَالقَمَرَ نورًا وَقَدَّرَهُ مَنازِلَ لِتَعلَموا عَدَدَ السِّنينَ وَالحِسابَ ۚ ما خَلَقَ اللَّهُ ذٰلِكَ إِلّا بِالحَقِّ ۚ يُفَصِّلُ الءايٰتِ لِقَومٍ يَعلَمونَ
[5] তিনিই সে মহান সত্তা, যিনি বানিয়েছেন সুর্যকে উজ্জল আলোকময়, আর চন্দ্রকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে এবং অতঃপর নির্ধারিত করেছেন এর জন্য মনযিল সমূহ, যাতে করে তোমরা চিনতে পার বছরগুলোর সংখ্যা ও হিসাব। আল্লাহ এই সমস্ত কিছু এমনিতেই সৃষ্টি করেননি, কিন্তু যথার্থতার সাথে। তিনি প্রকাশ করেন লক্ষণসমূহ সে সমস্ত লোকের জন্য যাদের জ্ঞান আছে।
(১০:০৫) নং আয়াতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, 'সূর্যের' ক্ষেত্রে 'দিয়া' শব্দটি এবং 'চাঁদের' ক্ষেত্রে 'নূর' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
এই স্থানে "নূর " শব্দটি পেয়ে নাস্তিক এবং তাদের সহযোগীরা হাতে আসমান পেয়ে গেছে ৷ তাদের কথা হল " নূর অর্থ আলো ৷ অতএব কোরআন ভুল! কারন চাঁদের নিজস্ব আলো নেই কিন্তু কোরআনে বলেছে চাঁদের নিজস্ব আলো আছে "৷( নাউজুবিল্লাহ)
তাদের এই ধরনের কথার একমাত্র কারন হল তারা কোরআন ভাল ভাবে জীবনেও পড়েনা ৷যদি পড়ত তবে এত লাফালাফি করত না ৷
মূলত তারা বুঝতেই পারেনা যে সূর্য ও চাঁদ- দুটির ক্ষেত্রেই তো 'দিয়া' এবং 'নূর' এই দুটি শব্দের মধ্য থেকে যে কনো একটি শব্দ বেছে নিয়ে তা ব্যবহার করলেই হত। কিন্তু তা না করে মহান আল্লাহ দুটির ক্ষেত্রে দু'ধরনের আলো হিসেবে উপস্থাপন করলেন কেন? কারণ এগুলো যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনি তো এ দুটো আলোর পার্থক্য ভাল করেই অবগত আছেন। তাই প্রথমত সহজভাবে দুটোকে দুই ধরনের আলো ('দিয়া' ও 'নূর') হিসেবে উপস্থাপন করেছেন ৷
কিন্তু নাস্তিকরা " নূর " নিয়ে অজ্ঞান হয়ে বিজ্ঞানের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে!! তাদের জন্য আফসোস ছাড়া আর কি করার আছে??


উত্তর দিয়েছেন
চয়ন চৌধুরী

12:00 Share:
প্রশ্নঃ কোরআনে কোথাও ৫ওয়াক্ত নামাজের কথা বলেনি।৩ ওয়াক্তের কথা বলেছে।

জবাবঃ
নাস্তিক গ্রুপে চ্যালেঞ্জ করেছিলাম যদি ভন্ড পাগল মমুফাসসিল ইসলামের দাবী মিথ্যা প্রমান করতে না পারি তবে আর কোন দিন লিখবনা!নাস্তিক গ্রুপের মুফাসসিল পাগলার এক ভক্ত চ্যালেঞ্জ করল কোরআন এ শুধু তিন ওয়াক্ত নামাজের কথা বলা হয়েছে।সে মুফাসসিলের ভিডিও দিয়ে প্রমান করতে চাইল শুধু ফজর, জোহর ও এশা এই তিন ওয়াক্তের কথা উল্লেখ আছে, আর কোন নামাজের কথা বলা হয়নি!!
এখন নীচের আর্টিকেল পড়ে আপনারাই বলুনতো কোরআন এ কয় ওয়াক্তের কথা বলা হয়েছে?
নামাজ কায়েম অর্থাৎ প্রতিষ্ঠা করার নির্দেশ-
আল-কোরআন-
সূরা ত্বোয়া-হা (মক্কায় অবতীর্ণ)
(২০:১৪) অর্থ- আমিই আল্লাহ, আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। অতএব আমার ইবাদত কর এবং আমার স্মরণার্থে নামায কায়েম/প্রতিষ্ঠা কর।
সূরা আন নিসা (মদীনায় অবতীর্ণ)
(০৪:১০৩) অর্থ- অতঃপর যখন তোমরা নামায সম্পন্ন কর, তখন দন্ডায়মান, উপবিষ্ট ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ কর। অতঃপর যখন বিপদমুক্ত হয়ে যাও, তখন সালাত/নামায কায়েম/প্রতিষ্ঠা কর। প্রকৃত পক্ষে সালাত/নামায বিশ্বাসীদের উপর সুনির্দিষ্ট সময়েই ফরয করা হয়েছে।
সূরা আল বাক্বারাহ (মদীনায় অবতীর্ণ)
(০২:৪৩) অর্থ- আর নামায কায়েম/প্রতিষ্ঠা কর, যাকাত দান কর এবং রুকু কর রুকুকারীদের সাথে।
(০২:১১০) অর্থ- তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা কর এবং যাকাত দাও। তোমরা নিজের জন্যে পূর্বে যে সৎকর্ম প্রেরণ করবে, তা আল্লাহর কাছে পাবে। তোমরা যা কিছু কর, নিশ্চয় আল্লাহ তা প্রত্যক্ষ করেন।
আল-কোরআনে সরাসরি 'পাঁচ' শব্দটি না থাকলেও যে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে তা থেকে দৈনিক 'পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ' যে মুসলিমদের জন্য ফরজ করা হয়েছে তা স্পষ্ট। রাসূল (সাঃ) নিজে মসজিদে উপস্থিত থেকে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ আদায় করেছেন এবং নামাজের প্রতিটি ধাপ কিভাবে সম্পন্ন করতে হবে অন্যদেরকেও তা হাতে-কলমে শিখিয়ে দিয়েছেন। সেই বাস্তব শিক্ষাটি সব কালে এবং বর্তমানেও সেভাবেই পালন করা হচ্ছে। তাই ফরজ নামাজের ওয়াক্ত নিয়ে কারো মধ্যেই তেমন কোন দ্বিমত নেই। আর ফরজ নামাজের রাকাতের বিষয়টি এতটাই প্র্যাকটিকাল যে, সবকালেই পৃথিবীর সর্বত্র সব মুসলিমই ফজরের ২ রাকাত, জুহুরের ৪ রাকাত, আছরের ৪ রাকাত, মাগরীবের ৩ রাকাত এবং ইশার ৪ রাকাত ফরজ নামাজ নির্দ্বিধায় আদায় করেছেন, এখনও করছেন এবং ভবিষ্যতেও করবেন। আল-কোরআনে (০৪:১০৩) সুনির্দিষ্ট সময়েই নামাজ কায়েম করতে বলা হয়েছে। সেই দিকনির্দেশনা অনুসারে দিনের বিশেষ বিশেষ সময়ের যে হিসেবে পাওয়া যায় তাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচী স্পষ্টভাবেই বুঝে নেয়া যায়।
কোন কোন সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কায়েম করতে হবে সে সম্পর্কে দিকনির্দেশনা-
১/ ফজর- আয়াত নং (১৭:৭৮), (১১:১১৪), (০৭:২০৫), (৩০:১৭) ও (৩৮:১৮)
২/ জহুর- আয়াত নং (১৭:৭৮) ও (৩০:১৮)
৩/ আছর- আয়াত নং (১১:১১৪), (০২:২৩৮), (৩০:১৭) ও (৩৮:১৮)
৪/ মাগরিব- আয়াত নং (১৭:৭৮), (১১:১১৪) ও (০৭:২০৫)
৫/ ইশা- আয়াত নং (১৭:৭৮), (১১:১১৪) ও (৩০:১৮)
আল-কোরআন-
সূরা বনী ইসরাঈল (মক্কায় অবতীর্ণ)
(১৭:৭৮) অর্থ- নামায কায়েম করুন সূর্য ঢলে পড়ার সময় (জহুর ও আছরের নামাজ) থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত (মাগরিব ও ইশার নামাজ) এবং প্রত্যুষের কোরআন পাঠ (ফজরের নামাজ); প্রকৃত পক্ষে প্রত্যুষের কোরআন পাঠ তো সাক্ষী-স্বরূপ।
Tafsir Ibn Kathir - Quran Tafsir
(Perform the Salat from midday.) Hushaym narrated from Mughirah from Ash-Sha`bi from Ibn `Abbas: "Midday means when the sun is at its zenith.'' This was also reported by Nafi` from Ibn `Umar, and by Malik in his Tafsir from Az-Zuhri from Ibn `Umar. This was the opinion of Abu Barzah Al-Aslami and Mujahid, and of Al-Hasan, Ad-Dahhak, Abu Ja`far Al-Baqir and Qatadah. It is also understood to generally ﴾ refer to the times of the five prayers. ﴿ Allah said;
(from midday till the darkness of the night,) meaning darkness, or it was said, sunset. This was understood to mean Zuhr `Asr, Maghrib and `Isha'.
(and recite the Qur'an in the early dawn.) meaning Salat Al-Fajr.
সূরা হুদ (মক্কায় অবতীর্ণ)
(১১:১১৪) অর্থ- আর নামায প্রতিষ্টা কর দিনের দুই প্রান্তেই (ফজর ও আছর) এবং রাতের নিকটবর্তী অংশে (মাগরিব ও ইশা); প্রকৃতপক্ষে সৎকর্ম অবশ্যই পাপ দূর করে দেয়, যারা স্মরণ রাখে তাদের জন্য এটি এক মহা স্মারক।
Tafsir Ibn Kathir - Quran Tafsir
(And perform the Salah, at the two ends of the day) "This is referring to the morning prayer (Subh) and the evening prayer (Maghrib).'' The same was said by Al-Hasan and `Abdur-Rahman bin Zayd bin Aslam. In one narration reported by Qatadah, Ad-Dahhak and others, Al-Hasan said, "It means the morning prayer (Subh) and the late afternoon prayer (`Asr).'' Mujahid said, "It is the morning prayer at the beginning of the day and the noon prayer (Zuhr) and late afternoon prayer (`Asr) at the end of the day.'' This was also said by Muhammad bin Ka`b Al-Qurazi and Ad-Dahhak in one narration from him.
(and in some hours of the night.) Ibn `Abbas, Mujahid, Al-Hasan and others said, "This means the night prayer (`Isha').'' Ibn Al-Mubarak reported from Mubarak bin Fadalah that Al-Hasan said,
(and in some hours of the night.) "This means the evening (Maghrib) and late night (`Isha') prayers. The Messenger of Allah said, (They are the approach of the night: Maghrib and `Isha'.) The same was said by Mujahid, Muhammad bin Ka`b, Qatadah and Ad-Dahhak (that this means the Maghrib and `Isha' prayers).
সূরা আল বাক্বারাহ (মদীনায় অবতীর্ণ)
(০২:২৩৮) অর্থ- সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাযের (আছর) ব্যাপারে। আর আল্লাহর সামনে একান্ত আদবের সাথে দাঁড়াও। [ফজর -> জহুর -> (মধ্যবর্তী নামায/আছর) -> মাগরিব -> ইশা]
(wal-ṣalati= and the prayer)
(l-wus'ṭā= the middle)
Tafsir Ibn Kathir - Quran Tafsir
Furthermore, Allah has specifically mentioned the Middle prayer, which is the `Asr prayer according to the majority of the scholars among the Companions,
সূরা আল আ’রাফ (মক্কায় অবতীর্ণ)
(০৭:২০৫) অর্থ- আর স্মরণ করতে থাক স্বীয় পালনকর্তাকে আপন মনে ক্রন্দনরত ও ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় এবং এমন স্বরে যা চিৎকার করে বলা অপেক্ষা কম; সকালে (ফজর) ও সন্ধ্যায় (মাগরিব)। আর বে-খবর থেকো না।
bil-ghuduwi= in the mornings
wal-āṣāli= and (in) the evenings
সূরা আর-রূম (মক্কায় অবতীর্ণ)
(৩০:১৭) অর্থ- সুতরাং আল্লাহর মহিমা স্মরণ কর সূর্যাস্তের পূর্বে (আছর) (যখন তোমরা সন্ধ্যায় পৌঁছাও) এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে (ফজর) (যখন তোমরা সকালে পৌঁছাও)।
ḥīna= when
waḥīna= and when
tum'sūna= you reach the evening
tuṣ'biḥūna= you reach the morning
'Times of the Prayers' of Sahih Bukhari.
529: Narrated Qais: Jarir said, "We were with the Prophet and he looked at the moon--full-moon--and said, 'Certainly you will see your Lord as you see this moon and you will have no trouble in seeing Him. So if you can avoid missing (through sleep or business, etc.) a prayer before the sun-rise (Fajr) and a prayer before sunset ('Asr), you must do so.' He then recited Allah's Statement: And celebrate the praises Of your Lord before The rising of the sun And before (its) setting." (50.39) Isma'il said, "Offer those prayers and do not miss them."
(৩০:১৮) অর্থ- এবং আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যাবতীয় প্রশংসা তাঁরই জন্য, নিশাকালে (ইশা) এবং যখন তোমরা মধ্যাহ্নে (জহুর) থাক।
wa'ashiyyan= and (at) night
tuẓ'hirūna= you are at noon
সূরা ছোয়াদ (মক্কায় অবতীর্ণ)
(৩৮:১৮) অর্থ- আমি পর্বতমালাকে তার অনুগামী করে দিয়েছিলাম, তারা সকালে (ফজর) ও বিকালে (আছর) তার সাথে পবিত্রতা ঘোষণা করত;
(bil-ghuduwi= in the mornings)
bil-'ashiyi= in the afternoon


উত্তর দিয়েছেন 
নয়ন চৌধুরী
নাস্তিকদের জবাব

কোরআনে নামাজ তিন ওয়াক্ত। চ্যালেঞ্জ কোথাও ৫ ওয়াক্ত বলেনি।

Posted by Adam Simon  |  No comments

প্রশ্নঃ কোরআনে কোথাও ৫ওয়াক্ত নামাজের কথা বলেনি।৩ ওয়াক্তের কথা বলেছে।

জবাবঃ
নাস্তিক গ্রুপে চ্যালেঞ্জ করেছিলাম যদি ভন্ড পাগল মমুফাসসিল ইসলামের দাবী মিথ্যা প্রমান করতে না পারি তবে আর কোন দিন লিখবনা!নাস্তিক গ্রুপের মুফাসসিল পাগলার এক ভক্ত চ্যালেঞ্জ করল কোরআন এ শুধু তিন ওয়াক্ত নামাজের কথা বলা হয়েছে।সে মুফাসসিলের ভিডিও দিয়ে প্রমান করতে চাইল শুধু ফজর, জোহর ও এশা এই তিন ওয়াক্তের কথা উল্লেখ আছে, আর কোন নামাজের কথা বলা হয়নি!!
এখন নীচের আর্টিকেল পড়ে আপনারাই বলুনতো কোরআন এ কয় ওয়াক্তের কথা বলা হয়েছে?
নামাজ কায়েম অর্থাৎ প্রতিষ্ঠা করার নির্দেশ-
আল-কোরআন-
সূরা ত্বোয়া-হা (মক্কায় অবতীর্ণ)
(২০:১৪) অর্থ- আমিই আল্লাহ, আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। অতএব আমার ইবাদত কর এবং আমার স্মরণার্থে নামায কায়েম/প্রতিষ্ঠা কর।
সূরা আন নিসা (মদীনায় অবতীর্ণ)
(০৪:১০৩) অর্থ- অতঃপর যখন তোমরা নামায সম্পন্ন কর, তখন দন্ডায়মান, উপবিষ্ট ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ কর। অতঃপর যখন বিপদমুক্ত হয়ে যাও, তখন সালাত/নামায কায়েম/প্রতিষ্ঠা কর। প্রকৃত পক্ষে সালাত/নামায বিশ্বাসীদের উপর সুনির্দিষ্ট সময়েই ফরয করা হয়েছে।
সূরা আল বাক্বারাহ (মদীনায় অবতীর্ণ)
(০২:৪৩) অর্থ- আর নামায কায়েম/প্রতিষ্ঠা কর, যাকাত দান কর এবং রুকু কর রুকুকারীদের সাথে।
(০২:১১০) অর্থ- তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা কর এবং যাকাত দাও। তোমরা নিজের জন্যে পূর্বে যে সৎকর্ম প্রেরণ করবে, তা আল্লাহর কাছে পাবে। তোমরা যা কিছু কর, নিশ্চয় আল্লাহ তা প্রত্যক্ষ করেন।
আল-কোরআনে সরাসরি 'পাঁচ' শব্দটি না থাকলেও যে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে তা থেকে দৈনিক 'পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ' যে মুসলিমদের জন্য ফরজ করা হয়েছে তা স্পষ্ট। রাসূল (সাঃ) নিজে মসজিদে উপস্থিত থেকে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ আদায় করেছেন এবং নামাজের প্রতিটি ধাপ কিভাবে সম্পন্ন করতে হবে অন্যদেরকেও তা হাতে-কলমে শিখিয়ে দিয়েছেন। সেই বাস্তব শিক্ষাটি সব কালে এবং বর্তমানেও সেভাবেই পালন করা হচ্ছে। তাই ফরজ নামাজের ওয়াক্ত নিয়ে কারো মধ্যেই তেমন কোন দ্বিমত নেই। আর ফরজ নামাজের রাকাতের বিষয়টি এতটাই প্র্যাকটিকাল যে, সবকালেই পৃথিবীর সর্বত্র সব মুসলিমই ফজরের ২ রাকাত, জুহুরের ৪ রাকাত, আছরের ৪ রাকাত, মাগরীবের ৩ রাকাত এবং ইশার ৪ রাকাত ফরজ নামাজ নির্দ্বিধায় আদায় করেছেন, এখনও করছেন এবং ভবিষ্যতেও করবেন। আল-কোরআনে (০৪:১০৩) সুনির্দিষ্ট সময়েই নামাজ কায়েম করতে বলা হয়েছে। সেই দিকনির্দেশনা অনুসারে দিনের বিশেষ বিশেষ সময়ের যে হিসেবে পাওয়া যায় তাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচী স্পষ্টভাবেই বুঝে নেয়া যায়।
কোন কোন সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কায়েম করতে হবে সে সম্পর্কে দিকনির্দেশনা-
১/ ফজর- আয়াত নং (১৭:৭৮), (১১:১১৪), (০৭:২০৫), (৩০:১৭) ও (৩৮:১৮)
২/ জহুর- আয়াত নং (১৭:৭৮) ও (৩০:১৮)
৩/ আছর- আয়াত নং (১১:১১৪), (০২:২৩৮), (৩০:১৭) ও (৩৮:১৮)
৪/ মাগরিব- আয়াত নং (১৭:৭৮), (১১:১১৪) ও (০৭:২০৫)
৫/ ইশা- আয়াত নং (১৭:৭৮), (১১:১১৪) ও (৩০:১৮)
আল-কোরআন-
সূরা বনী ইসরাঈল (মক্কায় অবতীর্ণ)
(১৭:৭৮) অর্থ- নামায কায়েম করুন সূর্য ঢলে পড়ার সময় (জহুর ও আছরের নামাজ) থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত (মাগরিব ও ইশার নামাজ) এবং প্রত্যুষের কোরআন পাঠ (ফজরের নামাজ); প্রকৃত পক্ষে প্রত্যুষের কোরআন পাঠ তো সাক্ষী-স্বরূপ।
Tafsir Ibn Kathir - Quran Tafsir
(Perform the Salat from midday.) Hushaym narrated from Mughirah from Ash-Sha`bi from Ibn `Abbas: "Midday means when the sun is at its zenith.'' This was also reported by Nafi` from Ibn `Umar, and by Malik in his Tafsir from Az-Zuhri from Ibn `Umar. This was the opinion of Abu Barzah Al-Aslami and Mujahid, and of Al-Hasan, Ad-Dahhak, Abu Ja`far Al-Baqir and Qatadah. It is also understood to generally ﴾ refer to the times of the five prayers. ﴿ Allah said;
(from midday till the darkness of the night,) meaning darkness, or it was said, sunset. This was understood to mean Zuhr `Asr, Maghrib and `Isha'.
(and recite the Qur'an in the early dawn.) meaning Salat Al-Fajr.
সূরা হুদ (মক্কায় অবতীর্ণ)
(১১:১১৪) অর্থ- আর নামায প্রতিষ্টা কর দিনের দুই প্রান্তেই (ফজর ও আছর) এবং রাতের নিকটবর্তী অংশে (মাগরিব ও ইশা); প্রকৃতপক্ষে সৎকর্ম অবশ্যই পাপ দূর করে দেয়, যারা স্মরণ রাখে তাদের জন্য এটি এক মহা স্মারক।
Tafsir Ibn Kathir - Quran Tafsir
(And perform the Salah, at the two ends of the day) "This is referring to the morning prayer (Subh) and the evening prayer (Maghrib).'' The same was said by Al-Hasan and `Abdur-Rahman bin Zayd bin Aslam. In one narration reported by Qatadah, Ad-Dahhak and others, Al-Hasan said, "It means the morning prayer (Subh) and the late afternoon prayer (`Asr).'' Mujahid said, "It is the morning prayer at the beginning of the day and the noon prayer (Zuhr) and late afternoon prayer (`Asr) at the end of the day.'' This was also said by Muhammad bin Ka`b Al-Qurazi and Ad-Dahhak in one narration from him.
(and in some hours of the night.) Ibn `Abbas, Mujahid, Al-Hasan and others said, "This means the night prayer (`Isha').'' Ibn Al-Mubarak reported from Mubarak bin Fadalah that Al-Hasan said,
(and in some hours of the night.) "This means the evening (Maghrib) and late night (`Isha') prayers. The Messenger of Allah said, (They are the approach of the night: Maghrib and `Isha'.) The same was said by Mujahid, Muhammad bin Ka`b, Qatadah and Ad-Dahhak (that this means the Maghrib and `Isha' prayers).
সূরা আল বাক্বারাহ (মদীনায় অবতীর্ণ)
(০২:২৩৮) অর্থ- সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাযের (আছর) ব্যাপারে। আর আল্লাহর সামনে একান্ত আদবের সাথে দাঁড়াও। [ফজর -> জহুর -> (মধ্যবর্তী নামায/আছর) -> মাগরিব -> ইশা]
(wal-ṣalati= and the prayer)
(l-wus'ṭā= the middle)
Tafsir Ibn Kathir - Quran Tafsir
Furthermore, Allah has specifically mentioned the Middle prayer, which is the `Asr prayer according to the majority of the scholars among the Companions,
সূরা আল আ’রাফ (মক্কায় অবতীর্ণ)
(০৭:২০৫) অর্থ- আর স্মরণ করতে থাক স্বীয় পালনকর্তাকে আপন মনে ক্রন্দনরত ও ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় এবং এমন স্বরে যা চিৎকার করে বলা অপেক্ষা কম; সকালে (ফজর) ও সন্ধ্যায় (মাগরিব)। আর বে-খবর থেকো না।
bil-ghuduwi= in the mornings
wal-āṣāli= and (in) the evenings
সূরা আর-রূম (মক্কায় অবতীর্ণ)
(৩০:১৭) অর্থ- সুতরাং আল্লাহর মহিমা স্মরণ কর সূর্যাস্তের পূর্বে (আছর) (যখন তোমরা সন্ধ্যায় পৌঁছাও) এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে (ফজর) (যখন তোমরা সকালে পৌঁছাও)।
ḥīna= when
waḥīna= and when
tum'sūna= you reach the evening
tuṣ'biḥūna= you reach the morning
'Times of the Prayers' of Sahih Bukhari.
529: Narrated Qais: Jarir said, "We were with the Prophet and he looked at the moon--full-moon--and said, 'Certainly you will see your Lord as you see this moon and you will have no trouble in seeing Him. So if you can avoid missing (through sleep or business, etc.) a prayer before the sun-rise (Fajr) and a prayer before sunset ('Asr), you must do so.' He then recited Allah's Statement: And celebrate the praises Of your Lord before The rising of the sun And before (its) setting." (50.39) Isma'il said, "Offer those prayers and do not miss them."
(৩০:১৮) অর্থ- এবং আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যাবতীয় প্রশংসা তাঁরই জন্য, নিশাকালে (ইশা) এবং যখন তোমরা মধ্যাহ্নে (জহুর) থাক।
wa'ashiyyan= and (at) night
tuẓ'hirūna= you are at noon
সূরা ছোয়াদ (মক্কায় অবতীর্ণ)
(৩৮:১৮) অর্থ- আমি পর্বতমালাকে তার অনুগামী করে দিয়েছিলাম, তারা সকালে (ফজর) ও বিকালে (আছর) তার সাথে পবিত্রতা ঘোষণা করত;
(bil-ghuduwi= in the mornings)
bil-'ashiyi= in the afternoon


উত্তর দিয়েছেন 
নয়ন চৌধুরী

20:00 Share:
" কূন বা হও " শব্দটি কি কোরআনকে ভুল প্রতিপন্ন করেছে??
কু’রআনে আল্লাহ বলেছেন
117] بَديعُ السَّمٰوٰتِ وَالأَرضِ ۖ وَإِذا قَضىٰ أَمرًا فَإِنَّما يَقولُ لَهُ كُن فَيَكونُ
[117] তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের উদ্ভাবক। যখন তিনি কোন কার্য সম্পাদনের সিন্ধান্ত নেন, তখন সেটিকে একথাই বলেন, ‘হয়ে যাও’ তৎক্ষণাৎ তা হয়ে যায়।
[আল-বাক্বারাহ ১১৭]
এই আয়াত পড়ে নাস্তিকদের লাফালাফি যেন বানরকে হার মানায় ৷ তাদের কথা হল, যদি "হও" বললেই হয়ে যায় তবে বিশ্বজগত বানাতে 6 দিন লাগল কেন?
এই আয়াতের পরিপ্রেক্ষিতে নাস্তিকরা কোরআনকে ভুল প্রমাণ করতে চায় ৷
এই আয়াত পড়ে অনেকে ভাবেন, কিছু সৃষ্টি করার আগে আল্লাহ হয়তো আরবিতে উচ্চারণ করেন, ‘কুন’, কিন্তু ব্যাপারটা তা নয়। এখানে ‘কুন’ বলাটা একটি প্রতীক মাত্র।
আবার অনেকে মনে করেন যে, তিনি কোনো কিছুকে ‘হও’ বললেই সেটা আমাদের দৃষ্টিতেও সাথে সাথে ঘটে যায়। ব্যাপারটা তা নয়। কোনো কিছুকে ‘হও’ বলাটা আমাদের জানা বাস্তবতার বাইরে ঘটে। সেটি কোনো স্থান-কালের মধ্যে ঘটে না। কিন্তু তাঁর আদেশের বাস্তবায়ন যখন আমাদের পরিচিত স্থান-কালের মধ্যে ঘটে, তখন সেটা স্থান-কালের গণ্ডির মধ্যেই ঘটে।
আমরা জানি যে সমগ্র কোরআনে "কূন বা হও " শব্দটি আটবার এসেছে ৷ যদি আমরা পর্যালোচনা করি তবে এই শব্দের কার্যক্রম কিভাবে হয় তা ভাল ভাবে উপলব্ধি করতে পারব ৷
সূরা নাহলের ৪০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে,
إِنَّمَا قَوْلُنَا لِشَيْءٍ إِذَا أَرَدْنَاهُ أَنْ نَقُولَ لَهُ كُنْ فَيَكُونُ (40)
“আমি যখন কোন কিছু করার ইচ্ছা করি; তখন তাকে কেবল এতটুকুই বলি যে, হয়ে যাও। সুতরাং তা হয়ে যায়।" (১৬:৪০)
এই আয়াতে বলা হয়েছে, তিনি শুধু বলেন ‘হয়ে যাও’ তাতেই সেই বস্তু সৃষ্টি হয়ে যায়। আসলে মানুষের বুঝার জন্য এখানে "আল্লাহর ইচ্ছা বা বলার" কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কোন বিচারক আদেশ প্রদান করলে যেমন তা কার্যকর হয়, এটা তেমনি একটি আদেশের মত ব্যাপার হিসেবে আমরা ধরতে পারি ৷
এটা আরও স্পষ্ট হবে ঈসা আঃ এর ব্যাপারে ব্যাবহৃত শব্দ দিয়ে ৷
কোরআনে ঈসা আঃ এর জন্মের ব্যাপারে 3 বার "কূন বা হও" শব্দটি এসেছে!
যেমন, কু’রআনে একটি আয়াতে আছে—
إِنَّ مَثَلَ عِيسَىٰ عِندَ اللَّهِ كَمَثَلِ آدَمَ خَلَقَهُ مِن تُرَابٍ ثُمَّ قَالَ لَهُ كُن فَيَكُونُ
ঈসার উদাহরণ হলো আদমের মত, যাকে তিনি মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন ৷ তারপর তিনি তাকে বলেছিলেন, ‘হও’, আর তিনি হয়ে যান। [আল-ইমরান ৩:৫৯]
এই আয়াত হতে আমরা তিনটি ব্যাপার লক্ষ্য করছি ৷
(1) আদম আঃ এর যেমন কোন বাবা নেই, তেমনি ঈসাঃ এর ও কোন বাবা নেই ৷ আল্লাহ অসীম কুদরতে তাদের সৃষ্টি ও জন্ম হয়েছে ৷
(2) ঈসা আঃ এর ব্যাপারে কূন বা হও বলার পরই তাঁর জন্ম হয়ে যায়নি ৷ আমরা জানি, তার মা তাকে গর্ভে ধারন করেছেন, দীর্ঘ প্রসব বেদনার মধ্য দিয়ে জন্ম দিয়েছেন। সেটা এতটাই ভয়ঙ্কর কষ্টের ছিল যে, তার মা যে তাকে জন্ম দেওয়ার কষ্ট সহ্য করতে না পেরে, আল্লাহর কাছে মরে যেতে চেয়েছিলেন, সেটা কু’রআনেই লিপিবদ্ধ করা আছে।
সুতরাং, আমরা দেখতে পাই, আল্লাহর ‘হও’ বলা মানে এই নয় যে, আমাদের সৃষ্টিজগতেও সেটা এক মুহূর্তের মধ্যে ঘটে যায়। বরং সৃষ্টি প্রক্রিয়া আল্লাহর নির্ধারিত মহাবিশ্ব পরিচালনার নিয়মের মধ্যে দিয়েই হয়, যদি না আল্লাহ অন্য কিছু ইচ্ছা না করেন।তবে তাতে বাধা প্রদানের ক্ষমতা কারোর নেই ৷ আল্লাহ " হও " বললে অবশ্যই তা হবে ৷ সেটা যত অকল্পনীয়,অবাস্তব বা কঠিনই হউক না কেন ৷
(3) আদমের আঃ সৃষ্টির ব্যাপারে আয়াতে আমরা দেখি যে আল্লাহ প্রথম আদমকে আঃ সৃষ্টি করলেন এবং বললেন " কূন বা হও " ৷ সৃষ্টির পূর্বেই " কূন " বলেন নাই ৷ বরং সৃষ্টির পর আদমকে আঃ চলার ক্ষমতা বা প্রান দানের ক্ষেত্রে " কূন বা হও " শব্দটি ব্যাবহার করেছেন ৷এবং আদম আঃ জীবিত হয়ে গেলেন ৷ তাঁর মধ্যে প্রাণ চলে আসল ৷
এথেকে আমরা সুস্পষ্টভাবে বুঝতে পারি
(A) আল্লাহ যখন কোন প্রাণহীন বস্তুকে প্রাণ দিতে চান বা প্রাণীকে প্রাণহীন করতে চান, তবে হও বললেই তা সাথে সাথে কার্যকর হয়ে যায় ৷আল্লাহ চাইলেই জড় পদার্থকে জীবে পরিনত করতে সক্ষম ৷
(B) যখন কোন নতুন কিছু সৃষ্টি করতে চান তখন " হও " বলেন এবং সাথে সাথেই তার সৃষ্টি হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায় এবং ততক্ষন পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলে যতক্ষন না সমাপ্ত হয় ৷ কেউই তা বাধা দিতে সক্ষম হয় না বা ব্যার্থ করতে পারে না ৷
( যেমন ঈসা আঃ এর জন্ম)
অতএব 6 দিনে হল না 600 দিনে কাজটি সম্পন্ন হল সেটা বিবেচ্য বিষয় হবার কোন সুযোগ নেই ৷ বরং " কূন " বলার পর কেউ তা থামাতে সক্ষম হয় নাই এবং সেটাই মূখ্য বিষয় ৷
পরিশেষে বলতে চাই ,হে নাস্তিক, পুরো কোরআন না পড়ে মাত্র একটি শব্দ বা আয়াত দেখে ব্যাখ্যা প্রদান না করে ভালভাবে জানুন, বুঝুন এবং বক্তব্য পেশ করুন ৷ নিজে বিভ্রান্তির হাত হতে বাঁচুন এবং অন্যকে বাঁচান ৷

উত্তর দিয়েছেন
চয়ন চৌধুরী
নাস্তিকদের জবাব

"" তিনি আকাশ সমূহের ও পৃথিবীর আদি স্রষ্টা এবং যখন তিনি কোন বিষয়ের ফয়সলা করেন তখন তিনি উহাকে শুধু বলেন হও অতঃপর উহা হইয়া যায়""(2:117-118) তাহলে মহাবিশ্ব সৃষ্টিতে এত সময় লাগল কেন?

Posted by Adam Simon  |  No comments

" কূন বা হও " শব্দটি কি কোরআনকে ভুল প্রতিপন্ন করেছে??
কু’রআনে আল্লাহ বলেছেন
117] بَديعُ السَّمٰوٰتِ وَالأَرضِ ۖ وَإِذا قَضىٰ أَمرًا فَإِنَّما يَقولُ لَهُ كُن فَيَكونُ
[117] তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের উদ্ভাবক। যখন তিনি কোন কার্য সম্পাদনের সিন্ধান্ত নেন, তখন সেটিকে একথাই বলেন, ‘হয়ে যাও’ তৎক্ষণাৎ তা হয়ে যায়।
[আল-বাক্বারাহ ১১৭]
এই আয়াত পড়ে নাস্তিকদের লাফালাফি যেন বানরকে হার মানায় ৷ তাদের কথা হল, যদি "হও" বললেই হয়ে যায় তবে বিশ্বজগত বানাতে 6 দিন লাগল কেন?
এই আয়াতের পরিপ্রেক্ষিতে নাস্তিকরা কোরআনকে ভুল প্রমাণ করতে চায় ৷
এই আয়াত পড়ে অনেকে ভাবেন, কিছু সৃষ্টি করার আগে আল্লাহ হয়তো আরবিতে উচ্চারণ করেন, ‘কুন’, কিন্তু ব্যাপারটা তা নয়। এখানে ‘কুন’ বলাটা একটি প্রতীক মাত্র।
আবার অনেকে মনে করেন যে, তিনি কোনো কিছুকে ‘হও’ বললেই সেটা আমাদের দৃষ্টিতেও সাথে সাথে ঘটে যায়। ব্যাপারটা তা নয়। কোনো কিছুকে ‘হও’ বলাটা আমাদের জানা বাস্তবতার বাইরে ঘটে। সেটি কোনো স্থান-কালের মধ্যে ঘটে না। কিন্তু তাঁর আদেশের বাস্তবায়ন যখন আমাদের পরিচিত স্থান-কালের মধ্যে ঘটে, তখন সেটা স্থান-কালের গণ্ডির মধ্যেই ঘটে।
আমরা জানি যে সমগ্র কোরআনে "কূন বা হও " শব্দটি আটবার এসেছে ৷ যদি আমরা পর্যালোচনা করি তবে এই শব্দের কার্যক্রম কিভাবে হয় তা ভাল ভাবে উপলব্ধি করতে পারব ৷
সূরা নাহলের ৪০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে,
إِنَّمَا قَوْلُنَا لِشَيْءٍ إِذَا أَرَدْنَاهُ أَنْ نَقُولَ لَهُ كُنْ فَيَكُونُ (40)
“আমি যখন কোন কিছু করার ইচ্ছা করি; তখন তাকে কেবল এতটুকুই বলি যে, হয়ে যাও। সুতরাং তা হয়ে যায়।" (১৬:৪০)
এই আয়াতে বলা হয়েছে, তিনি শুধু বলেন ‘হয়ে যাও’ তাতেই সেই বস্তু সৃষ্টি হয়ে যায়। আসলে মানুষের বুঝার জন্য এখানে "আল্লাহর ইচ্ছা বা বলার" কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কোন বিচারক আদেশ প্রদান করলে যেমন তা কার্যকর হয়, এটা তেমনি একটি আদেশের মত ব্যাপার হিসেবে আমরা ধরতে পারি ৷
এটা আরও স্পষ্ট হবে ঈসা আঃ এর ব্যাপারে ব্যাবহৃত শব্দ দিয়ে ৷
কোরআনে ঈসা আঃ এর জন্মের ব্যাপারে 3 বার "কূন বা হও" শব্দটি এসেছে!
যেমন, কু’রআনে একটি আয়াতে আছে—
إِنَّ مَثَلَ عِيسَىٰ عِندَ اللَّهِ كَمَثَلِ آدَمَ خَلَقَهُ مِن تُرَابٍ ثُمَّ قَالَ لَهُ كُن فَيَكُونُ
ঈসার উদাহরণ হলো আদমের মত, যাকে তিনি মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন ৷ তারপর তিনি তাকে বলেছিলেন, ‘হও’, আর তিনি হয়ে যান। [আল-ইমরান ৩:৫৯]
এই আয়াত হতে আমরা তিনটি ব্যাপার লক্ষ্য করছি ৷
(1) আদম আঃ এর যেমন কোন বাবা নেই, তেমনি ঈসাঃ এর ও কোন বাবা নেই ৷ আল্লাহ অসীম কুদরতে তাদের সৃষ্টি ও জন্ম হয়েছে ৷
(2) ঈসা আঃ এর ব্যাপারে কূন বা হও বলার পরই তাঁর জন্ম হয়ে যায়নি ৷ আমরা জানি, তার মা তাকে গর্ভে ধারন করেছেন, দীর্ঘ প্রসব বেদনার মধ্য দিয়ে জন্ম দিয়েছেন। সেটা এতটাই ভয়ঙ্কর কষ্টের ছিল যে, তার মা যে তাকে জন্ম দেওয়ার কষ্ট সহ্য করতে না পেরে, আল্লাহর কাছে মরে যেতে চেয়েছিলেন, সেটা কু’রআনেই লিপিবদ্ধ করা আছে।
সুতরাং, আমরা দেখতে পাই, আল্লাহর ‘হও’ বলা মানে এই নয় যে, আমাদের সৃষ্টিজগতেও সেটা এক মুহূর্তের মধ্যে ঘটে যায়। বরং সৃষ্টি প্রক্রিয়া আল্লাহর নির্ধারিত মহাবিশ্ব পরিচালনার নিয়মের মধ্যে দিয়েই হয়, যদি না আল্লাহ অন্য কিছু ইচ্ছা না করেন।তবে তাতে বাধা প্রদানের ক্ষমতা কারোর নেই ৷ আল্লাহ " হও " বললে অবশ্যই তা হবে ৷ সেটা যত অকল্পনীয়,অবাস্তব বা কঠিনই হউক না কেন ৷
(3) আদমের আঃ সৃষ্টির ব্যাপারে আয়াতে আমরা দেখি যে আল্লাহ প্রথম আদমকে আঃ সৃষ্টি করলেন এবং বললেন " কূন বা হও " ৷ সৃষ্টির পূর্বেই " কূন " বলেন নাই ৷ বরং সৃষ্টির পর আদমকে আঃ চলার ক্ষমতা বা প্রান দানের ক্ষেত্রে " কূন বা হও " শব্দটি ব্যাবহার করেছেন ৷এবং আদম আঃ জীবিত হয়ে গেলেন ৷ তাঁর মধ্যে প্রাণ চলে আসল ৷
এথেকে আমরা সুস্পষ্টভাবে বুঝতে পারি
(A) আল্লাহ যখন কোন প্রাণহীন বস্তুকে প্রাণ দিতে চান বা প্রাণীকে প্রাণহীন করতে চান, তবে হও বললেই তা সাথে সাথে কার্যকর হয়ে যায় ৷আল্লাহ চাইলেই জড় পদার্থকে জীবে পরিনত করতে সক্ষম ৷
(B) যখন কোন নতুন কিছু সৃষ্টি করতে চান তখন " হও " বলেন এবং সাথে সাথেই তার সৃষ্টি হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায় এবং ততক্ষন পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলে যতক্ষন না সমাপ্ত হয় ৷ কেউই তা বাধা দিতে সক্ষম হয় না বা ব্যার্থ করতে পারে না ৷
( যেমন ঈসা আঃ এর জন্ম)
অতএব 6 দিনে হল না 600 দিনে কাজটি সম্পন্ন হল সেটা বিবেচ্য বিষয় হবার কোন সুযোগ নেই ৷ বরং " কূন " বলার পর কেউ তা থামাতে সক্ষম হয় নাই এবং সেটাই মূখ্য বিষয় ৷
পরিশেষে বলতে চাই ,হে নাস্তিক, পুরো কোরআন না পড়ে মাত্র একটি শব্দ বা আয়াত দেখে ব্যাখ্যা প্রদান না করে ভালভাবে জানুন, বুঝুন এবং বক্তব্য পেশ করুন ৷ নিজে বিভ্রান্তির হাত হতে বাঁচুন এবং অন্যকে বাঁচান ৷

উত্তর দিয়েছেন
চয়ন চৌধুরী

16:00 Share:

বিজ্ঞানময় কোরআন ও এর সত্যতা নিরূপণ:
*****************************************
আমরা জানি গঠনগত দিক দিয়ে পৃথিবীর সকল পর্বত একনয়।গবেষকরা অতি সম্প্রতি বিভিন্ন যন্ত্রপাতির ব্যাবহারের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন গঠনগত কারনে পর্বত গুলোর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।অথচ কোরআনুল করিমে ১৫০০বছর আগেই উল্লেখ করেছেন পর্বতের এই ভিন্নতার কথা। অপূর্ব ভাষাশৈলী আর সুক্ষতার মাধ্যমে মাওলা বুঝিয়ে দিয়েছেন এই পার্থক্য।
16: 15
وَأَلْقَى فِي الأَرْضِ رَوَاسِيَ أَن تَمِيدَ بِكُمْ وَأَنْهَارًا وَسُبُلاً لَّعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ
এবং তিনি পৃথিবীর উপর বোঝা রেখেছেন যে, কখনো যেন তা তোমাদেরকে নিয়ে হেলে-দুলে না পড়ে এবং নদী ও পথ তৈরী করেছেন, যাতে তোমরা পথ প্রদর্শিত হও।
And He has set up on the earth mountains standing firm, lest it should shake with you; and rivers and roads; that ye may guide yourselves;
আচ্ছা এখানে বোঝা চাপানোর সাথে পৃথিবীর হেলে পড়ার কি সম্পর্ক?
আমরা জানি পৃথিবী নিজ অক্ষে ঘুড়ির মত ভেসে সূর্যকে কেন্দ্র করে অনবরত ঘুরছে লাটিমের মত!
আমরা যারা ঘুড়ি উড়িয়েছি বা লাটিম ঘুরিয়েছি তারা অবশ্যই জানি লাটিমের ঘূর্ণন বা ঘুড়ির উড়ার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ওজনের ভারসাম্য! তা নাহলে ঘুড়ি বা লাটিম একদিকে হেলে পড়বে। ঘুড়ির ভারসাম্য রক্ষায় এর দুই পাশে বাড়তি কাগজ লাগিয়ে দেয়া হয় যেন হেলে নাপড়ে!
এই আয়াতের তাৎপর্য্য বুঝতে হলে আমাদের যা জানতে হবে তা হচ্ছে পৃথিবীর আকার, ওজন ও ওজনের ভারসাম্য!
আকৃতি :
পৃথিবী দেখতে পুরোপুরি গোলাকার নয়, বরং কমলালেবুর মত উপর ও নিচের দিকে কিছুটা চাপা এবং মধ্যভাগ (নিরক্ষরেখার কাছাকাছি) স্ফীত। এ'ধরণের স্ফীতি তৈরি হয়েছে নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে এর ঘূর্ণনের কারণে। একই কারণে বিষুব অঞ্চলীয় ব্যাস মেরু অঞ্চলীয় ব্যাসের তুলনায় প্রায় ৪৩ কিমি. বেশি।
বিষুব অঞ্চলে এর ব্যাস ৬৩৭৮.১৬০ কিলোমিটার। মেরু অঞ্চলের ব্যাসার্ধ ৬৩৫৭.৭৭৫ কিলোমিটার।
ওজনঃ পৃথিবীর ওজন মাপা সম্ভব, তবে যন্ত্রে চাপিয়ে নয় বুদ্ধি জোরে অঙ্ক কষে। বিজ্ঞানীরা বুদ্ধির জোরে অঙ্ক কষে এই কঠিন কাজটি সম্পন্ন করেছেন। এই কাজটি করার সাহস যিনি প্রথম দেখিয়েছিলেন তিনি হলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ বিজ্ঞানী হেনরী ক্যাভেন্ডিশ।দুটো ছোট বড় সীসার গোলকের আকর্ষণ শক্তির সঙ্গে পৃথিবীর অভিকর্ষের তারতম্য এবং পৃথিবীর ঘনত্বের সঙ্গে সীসার ঘনত্বের পার্থক্য নির্ণয় করে পৃথিবীর ওজন করে করেছিলেন। কত ওজন আমাদের এই বিশাল পৃথিবীর। সংখ্যায় লিখলে তা এইরকম হবে---৬,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ টন(প্রায়)।
এই বিশাল ভর বা ওজনের দৈত্যাকার লাটিমের ওজনের ভারসাম্যের বাপারে নিউটনের সুত্র কি বলে?
আমরা জানি বল প্রযুক্ত হলে কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধি পায়। প্রতি সেকেন্ডে যে বেগ বৃদ্ধি পায় তাকে ত্বরণ বলে। অভিকর্ষ বলের প্রভাবেও বস্তুর ত্বরণ হয়। এ ত্বরণকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বা মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ বলা হয়। যেহেতু বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে, সুতরাং অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে।
অভিকর্ষজ ত্বরণকে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যেহেতু অভিকর্ষজ ত্বরণ এক প্রকার ত্বরণ, সুতরাং এর একক হবে ত্বরণের একক অর্থাৎ মিটার/সেকেন্ড২।
ধরা যাক, M = পৃথিবীর ভর, m=ভূ-পৃষ্ঠে বা এর নিকটে অবস্থিত কোনো বস্তুর ভর, d=বস্তু ও পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্যবর্তী দূরত্ব। তাহলে মহাকর্ষ সূত্রানুসারে, অভিকর্ষ বল,
আবার বলের পরিমাপ থেকে আমরা পাই, অভিকর্ষ বল = ভর$ \times $ অভিকর্ষজ ত্বরণ
অর্থাৎ F=mg
উপরিউক্ত দুই সমীকরণ থেকে পাওয়া যায়,
\ $ mg= \frac {GMm} {d^2} $
বা,$ g= \frac {GM} {d^2} $
এ সমীকরণের ডান পাশে বস্তুর ভর m অনুপস্থিত। সুতরাং অভিকর্ষজ ত্বরণ বস্তুর ভরের উপর নির্ভর করে না। যেহেতু G এবং পৃথিবীর ভর M ধ্রুবক, তাই g-এর মান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বস্তুর দূরত্ব d-এর উপর নির্ভর করে। সুতরাং g-এর মান বস্তু নিরপেক্ষ হলেও স্থান নিরপেক্ষ নয়। এর অর্থ হলো g-এর মান বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন রকম হয়।
অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন : পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূ-পৃষ্ঠের দূরত্ব অর্থাৎ পৃথিবীর ব্যাসার্ধ R হলে ভূপৃষ্ঠে $ g= \frac {GM} {R^2} $
যেহেতু পৃথিবী সম্পূর্ণ গোলাকার নয়, মেরু অঞ্চলে একটুখানি চাপা, তাই পৃথিবীর ব্যাসার্ধ R ও ধ্রুবক নয়। সুতরাং ভূ-পৃষ্ঠের সর্বত্র g-এর মান সমান নয়। মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ R সবচেয়ে কম বলে সেখানে g-এর মান সবচেয়ে বেশি। মেরু অঞ্চলে g-এর মান ৯.৮৩২ মিটার/সেকেন্ড২। মেরু থেকে বিষুব অঞ্চলের দিকে R এর মান বাড়তে থাকায় g-এর মান কমতে থাকে। বিষুব অঞ্চলে R এর মান সবচেয়ে বেশি বলে g-এর মান সবচেয়ে কম। ৯.৭৮ মিটার/সেকেন্ড২। ক্রান্তীয় অঞ্চলে g-এর মান ৯.৮০৬৬৫ মিটার/সেকেন্ড২। হিসাবের সুবিধার জন্য g-এর আদর্শ মান ধরা হয় ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড২ বা ৯.৮১ মিটার/সেকেন্ড২। ভূ-পৃষ্ঠে g- এর মান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড২। এর অর্থ হচ্ছে ভূ-পৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড বৃদ্ধি পায়।
পৃথিবীর ভারসাম্যের আলোচনা করতে গেলে যে বিষয়টির আলোচনা না করলে নাই হয়, তা হচ্ছে পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগ!
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন কতক গুলো স্তরে বিভক্ত। প্রায় ৬৩৭৮ কিমি নিচে রয়েছে এর কেন্দ্র। পৃথিবীর উপরিভাগ থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত প্রধান স্তর গুলো হল ০-৩৫ কিমি পুরু বাইরের ভূত্বক (crust), ৩৫-২৮৯০ কিমি পুরু ম্যান্টল (mantle), ২৮৯০-৬৩৭৮ কিমি পর্যন্ত কোর (Core)। ভূতাত্ত্বিক তথ্য উপাত্তের অধিকাংশই সংগৃহীত হয় সমগ্র পৃথিবীর উপরিভাগের কঠিন স্তর থেকে। পৃথিবীর উপরিভাগের স্তরের মাটি-পাথরের মাঝেই লুকিয়ে আছে এর ইতিহাস এবং সম্পদ। এর কোথাও রয়েছে গ্যাস, কোথাওবা তেল বা আকরিক আবার কোথাও রয়েছে ধাতব পদার্থের বিশাল ভাণ্ডার! এছাড়াও আছে বিশাল জলভাগ! এতে স্পষ্ট যে পৃথিবীর ওজনের ভারসাম্য স্বাভাবিক ভাবে থাকা অসম্ভব যদি না বিকল্প ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়! যেমন- ঘুড়িকে হেলে পড়া থেকে বাঁচানোর জন্য বাড়তি ওজন এর দুপাশে জুড়ে দেয়া হয়।
সুবাহানাল্লাহ!! ঠিক এ কথাটাই বলা হয়েছে পবিত্র কোরআনে।
অর্থাৎ
১৬:১৫
وَأَلْقَى فِي الأَرْضِ رَوَاسِيَ أَن تَمِيدَ بِكُمْ وَأَنْهَارًا وَسُبُلاً لَّعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ
এবং তিনি পৃথিবীর উপর বোঝা রেখেছেন যে, কখনো যেন তা তোমাদেরকে নিয়ে হেলে-দুলে না পড়ে এবং নদী ও পথ তৈরী করেছেন, যাতে তোমরা পথ প্রদর্শিত হও।
যাইহোক,
উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা যে বিষয়গুলো পেলাম তা হচ্ছে-
১)
পৃথিবী সুষম গোলক নয়।
২)
এর ওজনের ভারসাম্য থাকা স্বাভাবিক নয় কারন এর ওজন সর্বত্র সমান নয়!
আর এজন্যই আল্লাহ্‌ বাড়তি বোঝা চাপিয়ে দিয়ে এর ভারসাম্য ঠিক রেখেছেন!
আল্লাহু আকবার!!
এখন আসি মূল আলোচনায়!
সুরা নাবার ৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ্‌ বলেন-
﴿ وَّالۡجِبَالَ اَوۡتَادًاۙ‏﴾
পাহাড়গুলোকে গেঁড়ে দিয়েছি পেরেকের মতো?
এখানে আল্লাহ্‌ পাক ইংগিত করেছেন ভংগিল পর্বতের প্রতি।
আর ১৬:১৫ আয়াতে মাওলা ইংগিত করেছেন স্তুপ ও আগ্নেয় পর্বতের প্রতি যা পেরেকের মত নয় বরং একটি বোঝার মতই আছে পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষার জন্য।
আচ্ছা, আজ থেকে ১৫০০ বছর আগে কিভাবে কোরআনে আসল পর্বতের এই শ্রেণী বিভাগের তথ্য যা অতিসম্প্রতি আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে ব্যাপক পরিক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে জানতে পেরেছে মানুষ? মুহাম্মদ (সাঃ) কি এগুলো গবেষনা করে বের করেছিলেন নাকি কোন এক মহান স্বত্বা তাঁকে এটা জানিয়ে দিয়েছিলেন ঐশী বাণীর মাধ্যমে?
এজন্যই কোরআনে বলা হয়েছে নিশ্চয়ই এতে রয়েছে চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শন!!
এরপরেও বলব কোরআন মানুষের রচিত গ্রন্থ?


উত্তর দিয়েছেন
নয়ন চৌধুরী
নাস্তিকদের জবাব

কোরআন বলে পৃথিবী নাকি স্থির।(১৬:১৫) নং আয়াতে বলা হয়েছে।

Posted by Adam Simon  |  No comments

বিজ্ঞানময় কোরআন ও এর সত্যতা নিরূপণ:
*****************************************
আমরা জানি গঠনগত দিক দিয়ে পৃথিবীর সকল পর্বত একনয়।গবেষকরা অতি সম্প্রতি বিভিন্ন যন্ত্রপাতির ব্যাবহারের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন গঠনগত কারনে পর্বত গুলোর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।অথচ কোরআনুল করিমে ১৫০০বছর আগেই উল্লেখ করেছেন পর্বতের এই ভিন্নতার কথা। অপূর্ব ভাষাশৈলী আর সুক্ষতার মাধ্যমে মাওলা বুঝিয়ে দিয়েছেন এই পার্থক্য।
16: 15
وَأَلْقَى فِي الأَرْضِ رَوَاسِيَ أَن تَمِيدَ بِكُمْ وَأَنْهَارًا وَسُبُلاً لَّعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ
এবং তিনি পৃথিবীর উপর বোঝা রেখেছেন যে, কখনো যেন তা তোমাদেরকে নিয়ে হেলে-দুলে না পড়ে এবং নদী ও পথ তৈরী করেছেন, যাতে তোমরা পথ প্রদর্শিত হও।
And He has set up on the earth mountains standing firm, lest it should shake with you; and rivers and roads; that ye may guide yourselves;
আচ্ছা এখানে বোঝা চাপানোর সাথে পৃথিবীর হেলে পড়ার কি সম্পর্ক?
আমরা জানি পৃথিবী নিজ অক্ষে ঘুড়ির মত ভেসে সূর্যকে কেন্দ্র করে অনবরত ঘুরছে লাটিমের মত!
আমরা যারা ঘুড়ি উড়িয়েছি বা লাটিম ঘুরিয়েছি তারা অবশ্যই জানি লাটিমের ঘূর্ণন বা ঘুড়ির উড়ার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ওজনের ভারসাম্য! তা নাহলে ঘুড়ি বা লাটিম একদিকে হেলে পড়বে। ঘুড়ির ভারসাম্য রক্ষায় এর দুই পাশে বাড়তি কাগজ লাগিয়ে দেয়া হয় যেন হেলে নাপড়ে!
এই আয়াতের তাৎপর্য্য বুঝতে হলে আমাদের যা জানতে হবে তা হচ্ছে পৃথিবীর আকার, ওজন ও ওজনের ভারসাম্য!
আকৃতি :
পৃথিবী দেখতে পুরোপুরি গোলাকার নয়, বরং কমলালেবুর মত উপর ও নিচের দিকে কিছুটা চাপা এবং মধ্যভাগ (নিরক্ষরেখার কাছাকাছি) স্ফীত। এ'ধরণের স্ফীতি তৈরি হয়েছে নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে এর ঘূর্ণনের কারণে। একই কারণে বিষুব অঞ্চলীয় ব্যাস মেরু অঞ্চলীয় ব্যাসের তুলনায় প্রায় ৪৩ কিমি. বেশি।
বিষুব অঞ্চলে এর ব্যাস ৬৩৭৮.১৬০ কিলোমিটার। মেরু অঞ্চলের ব্যাসার্ধ ৬৩৫৭.৭৭৫ কিলোমিটার।
ওজনঃ পৃথিবীর ওজন মাপা সম্ভব, তবে যন্ত্রে চাপিয়ে নয় বুদ্ধি জোরে অঙ্ক কষে। বিজ্ঞানীরা বুদ্ধির জোরে অঙ্ক কষে এই কঠিন কাজটি সম্পন্ন করেছেন। এই কাজটি করার সাহস যিনি প্রথম দেখিয়েছিলেন তিনি হলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ বিজ্ঞানী হেনরী ক্যাভেন্ডিশ।দুটো ছোট বড় সীসার গোলকের আকর্ষণ শক্তির সঙ্গে পৃথিবীর অভিকর্ষের তারতম্য এবং পৃথিবীর ঘনত্বের সঙ্গে সীসার ঘনত্বের পার্থক্য নির্ণয় করে পৃথিবীর ওজন করে করেছিলেন। কত ওজন আমাদের এই বিশাল পৃথিবীর। সংখ্যায় লিখলে তা এইরকম হবে---৬,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ টন(প্রায়)।
এই বিশাল ভর বা ওজনের দৈত্যাকার লাটিমের ওজনের ভারসাম্যের বাপারে নিউটনের সুত্র কি বলে?
আমরা জানি বল প্রযুক্ত হলে কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধি পায়। প্রতি সেকেন্ডে যে বেগ বৃদ্ধি পায় তাকে ত্বরণ বলে। অভিকর্ষ বলের প্রভাবেও বস্তুর ত্বরণ হয়। এ ত্বরণকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বা মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ বলা হয়। যেহেতু বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে, সুতরাং অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে।
অভিকর্ষজ ত্বরণকে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যেহেতু অভিকর্ষজ ত্বরণ এক প্রকার ত্বরণ, সুতরাং এর একক হবে ত্বরণের একক অর্থাৎ মিটার/সেকেন্ড২।
ধরা যাক, M = পৃথিবীর ভর, m=ভূ-পৃষ্ঠে বা এর নিকটে অবস্থিত কোনো বস্তুর ভর, d=বস্তু ও পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্যবর্তী দূরত্ব। তাহলে মহাকর্ষ সূত্রানুসারে, অভিকর্ষ বল,
আবার বলের পরিমাপ থেকে আমরা পাই, অভিকর্ষ বল = ভর$ \times $ অভিকর্ষজ ত্বরণ
অর্থাৎ F=mg
উপরিউক্ত দুই সমীকরণ থেকে পাওয়া যায়,
\ $ mg= \frac {GMm} {d^2} $
বা,$ g= \frac {GM} {d^2} $
এ সমীকরণের ডান পাশে বস্তুর ভর m অনুপস্থিত। সুতরাং অভিকর্ষজ ত্বরণ বস্তুর ভরের উপর নির্ভর করে না। যেহেতু G এবং পৃথিবীর ভর M ধ্রুবক, তাই g-এর মান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বস্তুর দূরত্ব d-এর উপর নির্ভর করে। সুতরাং g-এর মান বস্তু নিরপেক্ষ হলেও স্থান নিরপেক্ষ নয়। এর অর্থ হলো g-এর মান বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন রকম হয়।
অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন : পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূ-পৃষ্ঠের দূরত্ব অর্থাৎ পৃথিবীর ব্যাসার্ধ R হলে ভূপৃষ্ঠে $ g= \frac {GM} {R^2} $
যেহেতু পৃথিবী সম্পূর্ণ গোলাকার নয়, মেরু অঞ্চলে একটুখানি চাপা, তাই পৃথিবীর ব্যাসার্ধ R ও ধ্রুবক নয়। সুতরাং ভূ-পৃষ্ঠের সর্বত্র g-এর মান সমান নয়। মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ R সবচেয়ে কম বলে সেখানে g-এর মান সবচেয়ে বেশি। মেরু অঞ্চলে g-এর মান ৯.৮৩২ মিটার/সেকেন্ড২। মেরু থেকে বিষুব অঞ্চলের দিকে R এর মান বাড়তে থাকায় g-এর মান কমতে থাকে। বিষুব অঞ্চলে R এর মান সবচেয়ে বেশি বলে g-এর মান সবচেয়ে কম। ৯.৭৮ মিটার/সেকেন্ড২। ক্রান্তীয় অঞ্চলে g-এর মান ৯.৮০৬৬৫ মিটার/সেকেন্ড২। হিসাবের সুবিধার জন্য g-এর আদর্শ মান ধরা হয় ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড২ বা ৯.৮১ মিটার/সেকেন্ড২। ভূ-পৃষ্ঠে g- এর মান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড২। এর অর্থ হচ্ছে ভূ-পৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড বৃদ্ধি পায়।
পৃথিবীর ভারসাম্যের আলোচনা করতে গেলে যে বিষয়টির আলোচনা না করলে নাই হয়, তা হচ্ছে পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগ!
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন কতক গুলো স্তরে বিভক্ত। প্রায় ৬৩৭৮ কিমি নিচে রয়েছে এর কেন্দ্র। পৃথিবীর উপরিভাগ থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত প্রধান স্তর গুলো হল ০-৩৫ কিমি পুরু বাইরের ভূত্বক (crust), ৩৫-২৮৯০ কিমি পুরু ম্যান্টল (mantle), ২৮৯০-৬৩৭৮ কিমি পর্যন্ত কোর (Core)। ভূতাত্ত্বিক তথ্য উপাত্তের অধিকাংশই সংগৃহীত হয় সমগ্র পৃথিবীর উপরিভাগের কঠিন স্তর থেকে। পৃথিবীর উপরিভাগের স্তরের মাটি-পাথরের মাঝেই লুকিয়ে আছে এর ইতিহাস এবং সম্পদ। এর কোথাও রয়েছে গ্যাস, কোথাওবা তেল বা আকরিক আবার কোথাও রয়েছে ধাতব পদার্থের বিশাল ভাণ্ডার! এছাড়াও আছে বিশাল জলভাগ! এতে স্পষ্ট যে পৃথিবীর ওজনের ভারসাম্য স্বাভাবিক ভাবে থাকা অসম্ভব যদি না বিকল্প ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়! যেমন- ঘুড়িকে হেলে পড়া থেকে বাঁচানোর জন্য বাড়তি ওজন এর দুপাশে জুড়ে দেয়া হয়।
সুবাহানাল্লাহ!! ঠিক এ কথাটাই বলা হয়েছে পবিত্র কোরআনে।
অর্থাৎ
১৬:১৫
وَأَلْقَى فِي الأَرْضِ رَوَاسِيَ أَن تَمِيدَ بِكُمْ وَأَنْهَارًا وَسُبُلاً لَّعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ
এবং তিনি পৃথিবীর উপর বোঝা রেখেছেন যে, কখনো যেন তা তোমাদেরকে নিয়ে হেলে-দুলে না পড়ে এবং নদী ও পথ তৈরী করেছেন, যাতে তোমরা পথ প্রদর্শিত হও।
যাইহোক,
উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা যে বিষয়গুলো পেলাম তা হচ্ছে-
১)
পৃথিবী সুষম গোলক নয়।
২)
এর ওজনের ভারসাম্য থাকা স্বাভাবিক নয় কারন এর ওজন সর্বত্র সমান নয়!
আর এজন্যই আল্লাহ্‌ বাড়তি বোঝা চাপিয়ে দিয়ে এর ভারসাম্য ঠিক রেখেছেন!
আল্লাহু আকবার!!
এখন আসি মূল আলোচনায়!
সুরা নাবার ৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ্‌ বলেন-
﴿ وَّالۡجِبَالَ اَوۡتَادًاۙ‏﴾
পাহাড়গুলোকে গেঁড়ে দিয়েছি পেরেকের মতো?
এখানে আল্লাহ্‌ পাক ইংগিত করেছেন ভংগিল পর্বতের প্রতি।
আর ১৬:১৫ আয়াতে মাওলা ইংগিত করেছেন স্তুপ ও আগ্নেয় পর্বতের প্রতি যা পেরেকের মত নয় বরং একটি বোঝার মতই আছে পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষার জন্য।
আচ্ছা, আজ থেকে ১৫০০ বছর আগে কিভাবে কোরআনে আসল পর্বতের এই শ্রেণী বিভাগের তথ্য যা অতিসম্প্রতি আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে ব্যাপক পরিক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে জানতে পেরেছে মানুষ? মুহাম্মদ (সাঃ) কি এগুলো গবেষনা করে বের করেছিলেন নাকি কোন এক মহান স্বত্বা তাঁকে এটা জানিয়ে দিয়েছিলেন ঐশী বাণীর মাধ্যমে?
এজন্যই কোরআনে বলা হয়েছে নিশ্চয়ই এতে রয়েছে চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শন!!
এরপরেও বলব কোরআন মানুষের রচিত গ্রন্থ?


উত্তর দিয়েছেন
নয়ন চৌধুরী

14:00 Share:
প্রশ্ন হল, 

১. ] যদি শয়তানের বানী হয় তবে শয়তানের অস্তিত্ব স্বীকার করে নেয়া হয়েছে। 
 
২] শয়তান ছিল ফেরেশতাদের সরদার। অতএব ফেরেশতাদের অস্তিত্ব স্বীকার করতে হবে!
এবং যদি ফেরেশতা এবং শয়তান থাকে তবে আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্ব কি ভাবে অস্বীকার করবেন???? অবশ্যই অস্বীকার করার সুযোগ নেই। 

৩) যদি আল্লাহর অস্তিত্ব স্বীকার করেন তবে তিনি যে শয়তানের চেয়েও ক্ষমতাশীল তা স্বীকার করতে আপনি বাধ্য ৷

৪) যেহেতু আল্লাহ বেশি শক্তিশালী সেহেতু আল্লাহর বিধান পরিবর্তন করার শক্তি শয়তানের নেই ৷ এবং যেহেতু শয়তানকে বিতাড়িত করা হয়েছে, সেহেতু শয়তানকে দিয়ে আল্লাহ কোরআন এর আয়াত পৌঁছাবেন না ৷ অতএব প্রমান হতে বাধ্য যে এই বাণী শয়তানের না, বরং আল্লাহ তায়ালার ৷

৫)নিজের সুবিধামত অদৃশ্য শয়তানকে স্বীকার করবেন কিন্তু অদৃশ্য আল্লাহ তায়ালাকে অস্বীকার করবেন??? এটা কেমন যৌক্তিকতা????? ব্যাখ্যা করবেন কি????
নাস্তিকদের জবাব

কোরআন শয়তানের বাণী। শয়তান জিব্রাঈল সেজে কোরআন এর বাণী দিয়েছে আর তাই মুসলমানরা পালন করে।

Posted by Adam Simon  |  No comments

প্রশ্ন হল, 

১. ] যদি শয়তানের বানী হয় তবে শয়তানের অস্তিত্ব স্বীকার করে নেয়া হয়েছে। 
 
২] শয়তান ছিল ফেরেশতাদের সরদার। অতএব ফেরেশতাদের অস্তিত্ব স্বীকার করতে হবে!
এবং যদি ফেরেশতা এবং শয়তান থাকে তবে আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্ব কি ভাবে অস্বীকার করবেন???? অবশ্যই অস্বীকার করার সুযোগ নেই। 

৩) যদি আল্লাহর অস্তিত্ব স্বীকার করেন তবে তিনি যে শয়তানের চেয়েও ক্ষমতাশীল তা স্বীকার করতে আপনি বাধ্য ৷

৪) যেহেতু আল্লাহ বেশি শক্তিশালী সেহেতু আল্লাহর বিধান পরিবর্তন করার শক্তি শয়তানের নেই ৷ এবং যেহেতু শয়তানকে বিতাড়িত করা হয়েছে, সেহেতু শয়তানকে দিয়ে আল্লাহ কোরআন এর আয়াত পৌঁছাবেন না ৷ অতএব প্রমান হতে বাধ্য যে এই বাণী শয়তানের না, বরং আল্লাহ তায়ালার ৷

৫)নিজের সুবিধামত অদৃশ্য শয়তানকে স্বীকার করবেন কিন্তু অদৃশ্য আল্লাহ তায়ালাকে অস্বীকার করবেন??? এটা কেমন যৌক্তিকতা????? ব্যাখ্যা করবেন কি????

12:00 Share:
নাস্তিকদের মিথ্যাচার
আল্লাহ সুরা ফাতিহায় বলেন"" আমরা তোমারই ইবাদাত করি এবং তোমার নিকটই সাহায্য পার্থনা করি"" এখানে আল্লাহ কার ইবাদাত করে?

উওর:-
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আসলে নাস্তিকদের ভোতা বুদ্ধি দ্বারা এর চেয়ে ভালো বুঝা সম্ভব নয়।।
সুরা ফাতিহা কুরআনুল কারিমের সর্বপথম নাজিল কৃত পুর্নাঙ্গ সুরা।।
তফসির বিদগণ এ সুরার ৪২ টি নাম ব্যখ্যা করেছেন যার মধ্য ২ টি হল:- প্রশংসা করা ও দোয়া করা।।
এ সুরার ১ম ৩ আয়াত দ্বারা আল্লাহর প্রশংসা এবং পরের ৪ আয়াত দ্বারা আল্লাহর নিকট পার্থনা করা হয়েছে।
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন আমি রাসুল (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, ‘’আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, আমি সলাতকে আমার ও বান্দার মধ্যে অর্ধেক করে ভাগ করেছি। আমার বান্দা যা চাইবে তাই সে পাবে।
অতঃপর বান্দা যখন বলে আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন (প্রশংসা জগৎ সমুহের প্রতিপালক আল্লাহ্‌রই প্রাপ্য), তখন আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করছে।
আর যখন সে বলে আর রাহমানির রাহিম (যিনি পরম দয়ালু), তখন আল্লাহ্‌ বলেন, আমার বান্দা আমার গুণাবলী বর্ণনা করছে)।
অতঃপর সে যখন বলে, মালিকি ইয়াওমিদ্দিন (যিনি বিচার দিবসের মালিক), তখন আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, আমার বান্দা আমার মহিমা বর্ণনা করছে। আল্লাহ্‌ তায়ালা আরও বলেন, আমার বান্দা তার সমস্ত কাজ আমার উপর সমর্পণ করেছে।
বান্দা যখন বলে, ইয়া কানা’বুদু ওয়া ইয়া কানাস্তাইন (আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি, এবং তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি), তখন আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, এটা আমার ও আমার বান্দার মধ্যেকার ব্যপার। আমার বান্দা যা চাইবে তাই সে পাবে।
যখন সে বলে, ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকিম, সিরাতাল্লাজিনা আন আমতা আলাইহিম গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ দোওয়াল্লিন (আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করুন, যেসব লোকদের আপনি নিয়ামত দান করেছেন। আর যারা অভিশপ্তও নয়, পথভ্রষ্টও নয়, তাদের পথেই আমাদেরকে পরিচালিত করুন), তখন আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, এটা কেবল আমার বান্দার জন্য। আমার বান্দা যা চাইবে তাই সে পাবে’’ (মুসলিম ৭৬২)
সুতরাং হাদিস দ্বারা এটাই প্রমান হয় যে আল্লাহ নয় বরং বান্দাই আল্লাহর ইবাদাতে তার নিকট প্রশংসা ও দোয়ার দ্বারা আল্লাহর সাহায্য পার্থনা করছে।।


উত্তর দিয়েছেন
শেখ ওয়ালিদ মিরাজ ভাই।
নাস্তিকদের জবাব

সূরা ফাতিহায় আছে,"আমরা তোমারই ইবাদত করি এবং তোমার কাছেই সাহায্য চাই।" এখানে আল্লাহ কার ইবাদত করে?

Posted by Adam Simon  |  No comments

নাস্তিকদের মিথ্যাচার
আল্লাহ সুরা ফাতিহায় বলেন"" আমরা তোমারই ইবাদাত করি এবং তোমার নিকটই সাহায্য পার্থনা করি"" এখানে আল্লাহ কার ইবাদাত করে?

উওর:-
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আসলে নাস্তিকদের ভোতা বুদ্ধি দ্বারা এর চেয়ে ভালো বুঝা সম্ভব নয়।।
সুরা ফাতিহা কুরআনুল কারিমের সর্বপথম নাজিল কৃত পুর্নাঙ্গ সুরা।।
তফসির বিদগণ এ সুরার ৪২ টি নাম ব্যখ্যা করেছেন যার মধ্য ২ টি হল:- প্রশংসা করা ও দোয়া করা।।
এ সুরার ১ম ৩ আয়াত দ্বারা আল্লাহর প্রশংসা এবং পরের ৪ আয়াত দ্বারা আল্লাহর নিকট পার্থনা করা হয়েছে।
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন আমি রাসুল (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, ‘’আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, আমি সলাতকে আমার ও বান্দার মধ্যে অর্ধেক করে ভাগ করেছি। আমার বান্দা যা চাইবে তাই সে পাবে।
অতঃপর বান্দা যখন বলে আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন (প্রশংসা জগৎ সমুহের প্রতিপালক আল্লাহ্‌রই প্রাপ্য), তখন আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করছে।
আর যখন সে বলে আর রাহমানির রাহিম (যিনি পরম দয়ালু), তখন আল্লাহ্‌ বলেন, আমার বান্দা আমার গুণাবলী বর্ণনা করছে)।
অতঃপর সে যখন বলে, মালিকি ইয়াওমিদ্দিন (যিনি বিচার দিবসের মালিক), তখন আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, আমার বান্দা আমার মহিমা বর্ণনা করছে। আল্লাহ্‌ তায়ালা আরও বলেন, আমার বান্দা তার সমস্ত কাজ আমার উপর সমর্পণ করেছে।
বান্দা যখন বলে, ইয়া কানা’বুদু ওয়া ইয়া কানাস্তাইন (আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি, এবং তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি), তখন আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, এটা আমার ও আমার বান্দার মধ্যেকার ব্যপার। আমার বান্দা যা চাইবে তাই সে পাবে।
যখন সে বলে, ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকিম, সিরাতাল্লাজিনা আন আমতা আলাইহিম গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ দোওয়াল্লিন (আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করুন, যেসব লোকদের আপনি নিয়ামত দান করেছেন। আর যারা অভিশপ্তও নয়, পথভ্রষ্টও নয়, তাদের পথেই আমাদেরকে পরিচালিত করুন), তখন আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, এটা কেবল আমার বান্দার জন্য। আমার বান্দা যা চাইবে তাই সে পাবে’’ (মুসলিম ৭৬২)
সুতরাং হাদিস দ্বারা এটাই প্রমান হয় যে আল্লাহ নয় বরং বান্দাই আল্লাহর ইবাদাতে তার নিকট প্রশংসা ও দোয়ার দ্বারা আল্লাহর সাহায্য পার্থনা করছে।।


উত্তর দিয়েছেন
শেখ ওয়ালিদ মিরাজ ভাই।

20:00 Share:
Get updates in your email box
Complete the form below, and we'll send you the best coupons.

Deliver via FeedBurner

Labels

Contact Form

Name

Email *

Message *

Text Widget

Recent News

About Us

Your Ads Here
back to top